প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার সমস্যায় হোমিও চিকিৎসা।

প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার সমস্যায় হোমিও চিকিৎসা।

প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার:

🇨🇭 প্রোস্টেট ( Prostate )একটি নলাকার, বায়ুস্থলী গ্রন্থি ইহা পুরুষদের ইন্টারনাল অর্গানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রস্টেট। এটা না থাকলে মানুষের জীবন শুধু ঝুঁকিপূর্ণ হয় তাই নয়, পুরুষের সুখময় দাম্পত্য জীবনে প্রোস্টেট-এর রয়েছে এক অনবদ্য ভূমিকা।

🇨🇭 প্রোস্টেট-( Prostate ) কি?

🇨🇭 প্রোস্টেট-( Prostate ) গ্রন্থিটি দেখতে অনেকটা বড় কাজু বাদামের মত, ইহা থাকে মূত্রথলির ঠিক নীচে। এতে এসে প্রবেশ করে শুক্রবাহীনালী ও মূএনালী। ইহার একটি নিজস্ব নিঃসরণ আছে।এছাড়াও ইহার সংগে এসে মিলিত হয় বীর্যস্থলির রস ও শুক্ররস।ইহাতে আছে অনেক গ্ল্যান্ড,ভাকট এবং পেশী। ইহার উপরের অংশকে কার্টেক্স বলে। প্রস্টেট গ্রন্থিটি বেশ শক্ত বলে মনে হয় তবে ইহা আকারে অনেক সময় ছোট বড় হতে পারে।ইহা মূএথলির গ্রীবা দেশের যে স্থান হতে মূএনালী আরম্ভ হয়েছে সেই গ্রীবাদেশকে ইহা বেষ্টন করে আছে। প্রস্টেট গ্ল্যান্ড হতে দুধের মত অথবা বর্ণহীন একপ্রকার তরল রস নিঃসরণ হয় সেই রস সংগমকালীন রেত প্রবাহকে সহায়ত করে। কোন কারণে এই প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের প্রদাহ হলে তাকে বলে প্রষ্টাইটিস। এই পীড়ায় অনেক সময় রোগীর মূএবন্ধ হয়ে যেতে পারে।

প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার সমস্যায় হোমিও চিকিৎসা।

🇨🇭 বহুবিধ কারণে প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ হতে পারে, যেমন: কোন আঘাত লেগে, সাইকেল, স্কুটার, ঘোড়া চড়ার সময় কোন শক্ত জিনিসের উপর বসা, হস্থমৈথুন ইত্যাদি কারণে এই রোগ হতে পারে। এ ছাড়া প্রস্টেট গ্রন্থির নিকটস্থ কোন যন্ত্রের প্রদাহ হতে যেমন, ইউরেথ্রাইটিস, মূএথলিতে পাথরী, মূএনালীর সংকোচন, বাত, গেটে বাত, সিফিলিস গনোরিয়া এবং কোন উওেজক ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণে ও ইহা হতে পারে।

🇨🇭 অনেক সময় প্রস্রাব দোষ নিবারণের জন্য বিভিন্ন প্রকারের উওেজক ওষুধ দিনের পর দিন ব্যাপক মাত্রায় ব্যবহার করার ফলে এই রোগ বেশি দেখা দেয়।

  • 🩸 রোগীর ক্রমাগত কষ্টকর প্রসাবের বেগ হয়,বার বার প্রসাব ত্যাগের চেষ্টা করে কিন্তু অতি সামান্য নিঃসরণ হয়।
  • 🩸 অনেকবার কুন্থনের পর ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়ে। প্রত্যেকবারই এই প্রকার নিস্ফল চেষ্টার পর ক্রমশ যন্ত্রণার বৃদ্ধি।
  • 🩸 প্রসাব মূএথলির মধ্যে আবদ্ধ থাকে বলে প্রদাহের মাএা বৃদ্ধি পায় এবং রোগী যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করতে থাকে।
  • 🩸 প্রষ্টেট গ্ল্যান্ড স্ফীত হয়ে উঠার জন্য রেক্টামের উপর প্রচন্ড চাপ পড়ে এবং ইহার ফলে রোগীর মলত্যাগের ও কষ্ট হয়।
  • 🩸 প্রষ্টেট গ্রন্থি প্রদাহিত হলে রোগী মূএথলির গ্রীবাদেশে বেদনা অনুভব করে,আক্রান্ত স্থান গরম হয়, পেরিনিয়াম ও রেক্টামে একপ্রকার দপদপানি বেদনা থাকে। এই বেদনা ও যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কোমর ও পায়ের দিকে প্রসারিত হয়।
  • 🩸 বিশেষ করে চল্লিশোর্ধ পুরুষের বছরে অন্ততঃ একবার অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি প্রস্টেট-পরীক্ষা করানো উচিত।
  • 🩸 এই সব উপসর্গ থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নিশ্চিত করতে হয়। সাধারণত যে সব পরীক্ষা করা হয় তা হলো প্রস্রাবের রুটিন, মাইক্রোসকপিক ও কালচার সেনটিভিটি পরীক্ষা, আল্ট্রাসোনোগ্রাম, কে, ইউ বি এক্সরে-ইউরোফ্লোমেট্রি, সিরাম পি.এস.এ সটোমেট্রাগ্রাম বা ইরোডাইনামিক ষ্ট্যাডি ইত্যাদি।
  • 🩸 প্রস্টেটের গ্রন্থির সমস্যার ক্ষেত্রে দুই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়। একটি হলো ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এবং অন্যটি হলো অপারেশন করে। অপারেশন আবার দুই প্রকার একটি প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে যন্ত্রের সাহায্যে অন্যটি পেট কেটে। কোন রোগী কোন পদ্ধতির জন্য উপযুক্ত তা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

🇨🇭 প্রোস্টেট-( Prostate ) হোমিও চিকিৎসা:

🇨🇭 রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়, এই জন্য এক জন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক রোগীর রোগের সকল লক্ষণ নির্বাচন করতে পারলে তাহলে আল্লাহর রহমতে প্রষ্টেট গ্রন্থি রোগীর চিকিৎসা দেয়া হোমিও চিকিৎসায় সমম্ভ।

🇨🇭 ক্ষেত্রে বিশেষে প্রস্টেট বৃদ্ধি জনিত উপসর্গসমূহ ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে উপশম লাভ করা যায়। সাদারণত দু’গ্রুপের ওষুধ প্রয়োগ করা যায়। এর এক গ্রুপ ওষুধ প্রস্টেটের মাংশপেশীসমূহ শিথিল করে প্রস্রাবের বাধা দূর করে।

🇨🇭 লক্ষণ ভেদে প্রস্টেট সমস্যায় কিছু ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে
🧪 যেমন: Lycopodium, Berberis, Sabal-Serrulata.

প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার সমস্যায় হোমিও চিকিৎসা।

🇨🇭 প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার:

🇨🇭 পুরুষের প্রজননতন্ত্রের অংশ হওয়ার পরেও প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসারের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।

🇨🇭 যেমন: প্রোস্টেট ক্যানসার 40 বছরের বেশি পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তবে 20-34 বছর বয়সী পুরুষের মধ্যে টেস্টিকুলার ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

🇨🇭 পুরুষ জননতন্ত্র সম্পর্কিত প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসারকে অনেকেই এক করে ফেলেন। তবে এ দুটি আলাদা রোগের লক্ষণ, ঝুঁকির মাত্রাও আলাদা।

🇨🇭 পুরুষের জননতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত অঙ্গ- টেস্টিকল-( অণ্ডকোষ ) ও প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের কাজ ও ভূমিকা আলাদা। তবে দুটিই হরমোন ও সিমেন- ( বীর্য ) উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। ফলে, অনেকে এর ক্যানসারকে – পুরুষের ক্যানসার, বলে মনে করেন।

🇨🇭 তবে টেস্টিকল ও প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডে ক্যানসারের লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য একেবারেই আলাদা।

আরো পড়ুনঃ   মেয়েদের স্তন ঝুলে পড়া ও স্তনের ক্যান্সার এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

🇨🇭 প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্যানসার সেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এভাবে প্রোস্টেটে ছড়িয়ে পড়ে ক্যানসার। আমেরিকান পুরুষের মধ্যে ত্বকের ক্যানসারের পর প্রোস্টেট ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। মূত্রথলির ঠিক নিচে কুঁচকির মাঝে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের অবস্থান। পুরুষের হরমোন টেস্টোস্টেরন এই প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।

🇨🇭 প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড থেকে বিশেষ এক ধরনের তরল নিঃসরিত হয়ে শুক্রাণুর সঙ্গে মিশে বীর্য তৈরি করে। এটি প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন ( PSA ) নামের একটি প্রোটিনও তৈরি করে, যা বীর্যকে তরল বানায়। বীর্য উৎপাদন প্রোস্টেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। একইসঙ্গে সঙ্গমের সময় এর পেশীগুলো বীর্যকে মূত্রনালিতে ঠেলে দেয়। এছাড়া প্রোস্টেট টেস্টোটেরনকে জৈবিকভাবে সক্রিয় ডিহাইড্রোটেস্টোটেরনে ( DHT ) রূপান্তরিত করে।

🇨🇭 অন্যদিকে টেস্টিকুলার ক্যানসারের ক্ষেত্রে টেস্টিকল বা অণ্ডকোষে ক্যানসার সেল তৈরি হতে শুরু করে। টেস্টিকুলার ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব খুব বেশি নয়।

🇨🇭 টেস্টিকল বা অণ্ডকোষ পুরুষ জননতন্ত্রের আরেকটি অংশ। পুরুষাঙ্গের নীচে একটি থলেতে থাকা দুটি গোলাকৃতির অঙ্গই হলো অণ্ডকোষ। এগুলো শুক্রাণু ও টেস্টোস্টেরন সহ অন্য পুরুষ হরমোন উৎপাদন করে।

🇨🇭 টেস্টিকুলার ক্যানসারের চেয়ে প্রোস্টেট ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব বেশি। প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ আমেরিকান প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে টেস্টিকুলার ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বছরে সাড়ে নয় হাজারের মতো।

🇨🇭 ACS হিসাবে, প্রতিবছর 34 হাজার 130 জন প্রোস্টেট ক্যানসারে মারা যান, আর টেস্টিকুলার ক্যানসারে মারা যান 440 জন।

🇨🇭 সব ধরনের ক্যানসারই জেনেটিক। এর অর্থ হচ্ছে, জিনগত পরিবর্তনের ফলে স্বাভাবিক কোষগুলো ক্যানসার,কোষ হয়ে ওঠে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসারের প্রাথমিক কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। পরিবারে কারও এই দুই ধরনের ক্যানসারের রেকর্ড থাকলে ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা বেশি।

🇨🇭 এই ক্যানসার দুটির চিকিৎসা পদ্ধতিও কিছু মিল রয়েছে। যেমন: দুই ক্ষেত্রেই চিকিৎসক সতর্কভাবে অপেক্ষা বা সক্রিয় নজরদারির পরামর্শ দিতে পারেন। সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিয়মিত চেক-আপের মধ্যে থাকা জরুরি।

🇨🇭 ঝুলতে না থাকা অণ্ডকোষ টেস্টিকুলার ক্যানসারের জন্য অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এ কারণে এক বা উভয় অণ্ডকোষ থলেতে যেতে ব্যর্থ হয়।টেস্টিকুলার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার অন্যান্য সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে HIV সংক্রামণ, রোগী দীর্ঘদেহী হওয়া, অণ্ডকোষের উৎসে কারসিনোমা থাকা।

প্রোস্টেট ও টেস্টিকুলার ক্যানসার সমস্যায় হোমিও চিকিৎসা।

🇨🇭 বিজ্ঞানীরা বেশ কিছু জিন মিউটেশন শনাক্ত করেছেন যা বংশ থেকে আসে ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
যেমন:
( BRCA-1 ) বা ( BRCA-2 )
জিনের মিউটেশন।

🇨🇭 টেস্টিকুলার ক্যানসারের প্রধান উপসর্গ হল অণ্ডকোষে ব্যথাহীন পিণ্ড বা গুটি।অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে আছে, অণ্ডকোষ ফুলে যাওয়া, অণ্ডকোষের থলেতে ভারী অনুভূতি, অণ্ডকোষ বা অণ্ডকোষের থলে বা কুঁচকিতে ব্যথা এবং স্তন টিস্যুর কোমলভাব।

🇨🇭 প্রোস্টেট ক্যানসার মূলত প্রস্রাবের অভ্যাসকে প্রভাবিত করে। এ কারণে যে লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে তা হলো, প্রস্রাবে দুর্বল ধারা, ঘন ঘস প্রস্রাব হওয়া, প্রসাবের চাপে রাতে কয়েকবার ঘুম ভাঙা, মূত্রনালী খালি করতে সমস্যা, প্রস্রাব বা স্খলনের সময় ব্যথা কিংবা জ্বলুনি, প্রস্রাব বা বীর্য রক্ত আসা, ফ্যাকাশে গায়ের রঙের মতো রক্তস্বল্পতার উপসর্গ দেখা দেয়া, পিঠ, নিতম্ব বা শ্রোণি অঞ্চল ব্যথা করা।

🇨🇭 শারীরিক পরীক্ষা- Diagnosis:

🩸 চিকিৎসক উভয় ক্ষেত্রে শারীরিক পরীক্ষা করতে পারেন, তবে টেস্টিকুলার ক্যানসার নিজে নিজে পরীক্ষা করে শনাক্ত করা সহজ। ক্যানসারের ফলে শনাক্তযোগ্য পিণ্ড বা গুটি তৈরি হয়, এ কারণে নিজে থেকে অণ্ডকোষ পরীক্ষা করা তুলনামূলক সহজ।

🩸 উভয় ধরনের ক্যানসারের ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন বস্তুর উপস্থিতি দেখা হয়। টেস্টিকুলার ক্যানসারের ক্ষেত্রে দেখা হয় আলফা-ফেটোপ্রোটিন ( AFP ) ও বেটা-হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোপ্রোটিনে ( B-HCG ) উপস্থিতি। অন্যদিকে, প্রোস্টেট ক্যানসারের পরীক্ষায় পিএসএর উপস্থিতি দেখা হয়।

🇨🇭 চিকিৎসা ছাড়া দুই ধরনের ক্যানসারই প্রাণঘাতী। তবে টেস্টিকুলার ক্যানসার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসাযোগ্য ও এতে মৃত্যু হার কম।ACS হিসাবে টেস্টিকুলার ক্যানসারে প্রতি পাঁচ হাজারে এক জন মারা যান।

🇨🇭 প্রোস্টেট ক্যানসার আমেরিকান পুরুষের ক্যানসারে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ। 41 জনের মধ্যে প্রায় এক জন পুরুষ এতে মারা যান। টেস্টিকুলার ক্যানসারের চেয়ে অনেক বেশি পুরুষ প্রোস্টেট ক্যানসারে মারা যান, কারণ অনেক বেশি এতে আক্রান্ত হন। তবে প্রোস্টেট ক্যানসারও নিরাময়যোগ্য।

হোমিও-চিকিৎসা.
🇨🇭 পরীক্ষা পদ্ধতি:

🩸 নিজেই পরীক্ষা করে টেস্টিকুলার ক্যানসার আছে কিনা সেটি নির্ণয় করতে পারেন। গোসলের পর টেস্টিকুলার ক্যানসার নির্ণয় পরীক্ষা করা উচিত।

🩸 এই পরীক্ষায় প্রতিটি অণ্ডকোষে বৃদ্ধাঙুল ও অন্য আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে সাবধানে কোনো পিণ্ড বা গুটি আছে কিনা দেখতে হবে। টিউবের মতো গঠনগুলো খুঁজে বের করে অস্বাভাবিক কিছু আছে কি না সেটি লক্ষ্য করতে হবে। ব্যথা না থাকলেও পিণ্ড বা ফুলে যাওয়া অংশ খুঁজে বের করতে হবে। অণ্ডকোষে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

🩸 নিজে নিজে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোস্টেট ক্যানসার শনাক্ত করা বেশ কঠিন। কারণ এর ফলে ঘটা শারীরিক পরিবর্তন চিকিৎসক ছাড়া বের করা দুঃসাধ্য।

🩸 প্রোস্টেট ক্যানসার নির্ণয়ের জন্য কোনো সাধারণ পরীক্ষা পদ্ধতি নেই। তবে কেউ যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো লক্ষ্য করেন ও প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা অসুবিধা অনুভব করেন তাহলে চিকিৎসক নির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। এগুলো হলো- ডিজিটাল রেকটাল পরীক্ষা, যেখানে চিকিৎসক মলনালীতে আঙুল প্রবেশ করিয়ে পিণ্ড বা গুটি আছে কিনা পরীক্ষা করেন, PSA টেস্ট যাতে করে রক্তে পিএসএর মাত্রা নির্ণয় করা যায়, নির্দিষ্ট কিছু জিন খুঁজে বের করার জন্য জেনেটিক পরীক্ষা, তবে এটি এখনও ট্রায়াল পর্যায়ে আছে।

🇨🇭 প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ:

🩸 শরীরের ওজন যথাযথ রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাবার খাওয়া, ধূমপান না করা।

🩸 চিকিৎসকেরা টেস্টিকুলার ক্যানসার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে খুব বেশি এখনও জানেন না। এসিএসের মতে, টেস্টিকুলার ক্যানসার প্রতিরোধ করা এখনও সম্ভব নয়।

🇨🇭 প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এবং টেস্টিকুলার সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা খুবই কার্যকর। টেস্টিকুলার ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে হোমিও চিকিৎসা গ্ৰহন করা হলে তা নিরাময় করা সম্ভব।

homeo-treatment-dr-masud-hossain

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন
Dr. Masud Hossain.
(বি, এইচ, এম, এস )
(ডি, এইচ, এম, এস) ( ঢাকা )।

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

📞 মোবাইল : +8801907-583252 +8801302-743871

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 সকাল 09:00 — 01:00 টা।
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 চিকিৎসা : সুখবর হচ্ছে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

About The Author

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!