🇨🇭 প্রোস্টেট গ্রন্থি কী?
🩸 প্রোস্টেট একটি মাংসপিণ্ড। একটি সুপারির আকারের মাংসপিণ্ড, যেটি কি না আমাদের প্রস্রাবের থলি ও প্রস্রাবের নালির জাংশনে থাকে। পুরুষদের থাকে। এটি একটি মাংসপিণ্ড, যেটি কি না বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে, কতগুলো কারণে। আর আমাদের যে প্রস্রাবের রাস্তা বা প্রস্রাবের নালিটা, এই প্রোস্টেট গ্রন্থির ভেতর দিয়ে আসে। তাই এই প্রোস্টেট গ্রন্থি যদি বড় হয়ে যায়, প্রস্রাবের নালির ওপর চাপ দেয়। এগুলো হলে প্রস্রাবের বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়। এগুলো সাধারণত পুরুষদের 40 বছরের পর থেকে শুরু হয়।
⭕ What is the normal size of prostate?
🇨🇭 প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে, এটি একটি আখরোটের আকারের হয়, এবং গড় ওজন প্রায় 11 গ্রাম ( 0.39 oz ), সাধারণত 7 থেকে 16 গ্রাম ( 0.25-0.56 oz ) এর মধ্যে হয়। প্রোস্টেট পেলভিসে অবস্থিত। এটি মূত্রথলির নীচে বসে এবং মূত্রনালীকে ঘিরে থাকে।
⭕ প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয় কেন?
🇨🇭 প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যায় অনেকেই ভুগেন। অহেতুক লাজ-লজ্জায় কাউকে বলেন না। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠে।
🇨🇭 প্রোস্টেট পুরুষদের ইন্টারনাল অর্গানের মধ্যে গুরুত্বর্পূণ অঙ্গ। এটি একটি সুপারির মতো মাংসপিণ্ড, যা পুরুষের মূত্রথলির নিচে মূত্রনালিকে ঘিরে থাকে। এর প্রধান কাজ শুক্রাণুর জন্য খাদ্যের যোগান দেওয়া।

⭕ প্রোস্টেট বৃদ্ধির কারণ?
🇨🇭 বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেহের হরমোনেও কিছু কিছু পরিবর্তন হয়ে থাকে। হরমোনের এই পরিবর্তনকেই প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধির কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়। পঞ্চাশ ঊর্ধ্বো প্রায় সব পুরুষের প্রোস্টেট বড় হতে থাকে কিন্তু সবার উপসর্গ দেখা দেয় না।
⭕ প্রোস্টেট বৃদ্ধির ফলাফল?
- 🩸 প্রথমত, মূত্রনালির চারদিকে প্রোস্টেটের কোষ সংখ্যা বেড়ে মূত্রনালিকে চেপে ধরে।
- 🩸 দ্বিতীয়ত, প্রোস্টেট গ্রন্থির মধ্যভাগ বৃদ্ধি পেয়ে মূত্রনালির বাহির পথকে আটকে দেয়। ফলে মূত্রথলি থেকে সহজে প্রস্রাব বের হতে পারে না।
⭕ প্রোস্টেট বৃদ্ধির উপর্সগ?
- 🩸 ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
- 🩸 ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া।
- 🩸 প্রস্রাব করার পরও প্রস্রাবের থলি খালি না হওয়া।
- 🩸 প্রস্রাবের বেগ আটকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়।
- 🩸 প্রস্রাবের গতি দুর্বল ও মাঝপথে বন্ধ হয়।
- 🩸 প্রস্রাবের থলি বেশি ভরে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হয় ও অনেক সময় প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়।
- 🩸 প্রস্রাব একেবারে আটকে যাওয়া বা আটকানোর মতো হয়।
- 🩸 হঠাৎ করে প্রস্রাব আটকে গেলে তলপেটে তীব্র ব্যথা ও প্রচণ্ড প্রস্রাবের চাপ অনুভূত হয়।
- 🩸 প্রোস্টেটজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বিশেষত রাতে।
⭕ Prostate Gland- প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর চিকিৎসা কী?
🇨🇭 চিকিৎসা : চল্লিশোর্ধ্বে পুরুষদের বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি প্রোস্টেট-পরীক্ষা করানো উচিত। প্রোস্টেট গ্রন্থি বাড়লে অনেক সমস্যা হতে পারে। প্রোস্টেটের সমস্যাকে হালকা করে দেখা উচিত নয়। এই গ্রন্থটি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায়। এই বৃদ্ধি কারও কারও ক্ষেত্রে অসুবিধা সৃষ্টি করে এবং কারও কারও ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না বা সামান্য অসুবিধা সৃষ্টি করে।
🇨🇭 ক্ষেত্রবিশেষ প্রোস্টেট বৃদ্ধিজনিত উপসর্গগুলো মেডিসিন প্রয়োগের মাধ্যমে উপশম লাভ করা যায়। ওষুধ প্রোস্টেটের মাংশপেশিগুলো শিথিল করে প্রস্রাবের বাধা দূর করে।
🇨🇭 প্রস্টেট গ্রন্থির চিকিৎসা মানেই অপারেশন নয়! শতকরা পঁচাত্তর ভাগ রোগীই ভাল থাকেন ওষুধের মাধ্যমে। তবে রোগ এড়ানোর জন্য আগে থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি!
🇨🇭 প্রস্টেট গ্রন্থি আসলে একটি জননগ্রন্থি বা রিপ্রোডাক্টিভ গ্ল্যান্ড, যা শুধু পুরুষ শরীরেই থাকে। ইউরিনারি ব্লাডার বা মূত্রথলির ঠিক নীচে ইউরেথ্রা বা মূত্রনালিকে ঘিরে এই গ্রন্থির অবস্থান। এটি একটি সহায়ক গ্রন্থি। এরা ঘন অর্ধস্বচ্ছ প্রস্টেটিক ফ্লুইড তৈরি করে, যা স্পার্ম বা শুক্রাণু বহন করে। বীর্য বা সিমেনের 30 শতাংশই এই প্রস্টেটিক ফ্লুইড।

🇨🇭 পঞ্চাশ পেরোনো পুরুষদের শরীরে হরমোনাল ভারসাম্যের সমস্যার জন্য প্রস্টেট গ্ল্যান্ড আকারে বড় হয়ে যায়। এর নাম বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপারপ্লেশিয়া বা বিপিএইচ।
🇨🇭 কারও ক্ষেত্রে এতই বড় হয়ে যায় যে, প্রস্রাবথলি থেকে প্রস্রাব নির্গমনের রাস্তার উপরে চাপ পড়ে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। প্রস্রাব চেপে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। প্রস্রাবের গতি কমে যেতে পারে। প্রস্রাব করার পরেও মূত্রথলি পুরো খালি না হয়ে প্রস্রাব জমে থাকে। সেখান থেকে মূত্রথলিতে পাথরও তৈরি হতে পারে। কিডনির উপরে চাপ পড়ে কিডনি ফুলে যেতে পারে। কিডনি ফেলিয়োরও হতে পারে। প্রস্রাবে সংক্রমণের ফলে রক্তও পড়তে পারে। তবে শুধু যে পঞ্চাশ পেরোলেই প্রস্টেটের অসুখ হয়, তা কিন্তু নয়। কম বয়সেও প্রস্টেটের ইনফেকশন হতে পারে, যাকে ডাক্তারি ভাষায় প্রস্টেটাইটিস বলে। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালা, রক্তক্ষরণ, পুঁজনি:সরণ, জ্বর এই সব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যৌন সংক্রমণ বা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড রোগের ক্ষেত্রেও এমন দেখা যায়।
🇨🇭 তবে শুধু সংক্রমণ বা আকারে বড় হয়ে যাওয়াই নয়, প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের অসুখের একটি তৃতীয় ধরনও আছে। তা হল প্রস্টেট ক্যানসার। একজন পুরুষ মানুষের শরীরে মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত যত ধরনের ক্যানসার হতে পারে, তার মধ্যে বিশ্বের পরিসংখ্যান বলছে, প্রস্টেট ক্যানসারের হার সবচেয়ে বেশি। কিছুদিন আগে পর্যন্তও এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতার যথেষ্ট অভাব ছিল। ফলে ধরা পড়তে অনেকটাই দেরি হয়ে যেত। তখন আর কিছু করার থাকত না। বর্তমানে কিছু উপায় আছে যাতে গোড়ার স্টেজে প্রস্টেট ক্যানসার ধরে ফেলা যায়। ইউরোলজিস্টরা কিছু ম্যানুয়াল পরীক্ষা, যেমন:
- 🧪 ডিজিটাল রেক্টাল এগজ়ামিনেশন বা ডিআরই।
- 🧪 তার পর প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন বা পিএসএ নামক রক্তপরীক্ষা দ্বারা আন্দাজ করতে পারেন প্রস্টেট ক্যানসারের আশঙ্কা আছে কি না।
🇨🇭 এই দুটো টেস্ট এবং বায়োপসি করে যদি এমন আর্লি স্টেজে ক্যানসার ডিটেক্ট করা যায়, যখন ক্যানসার প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের ভিতরেই আটকে আছে, বাইরে ছড়াতে পারেনি, তখন অপারেশন কিংবা রেডিয়েশন বা এ রকম একাধিক উপায়ে সম্পূর্ণ রোগ নিরাময় করা সম্ভব। কাজেই মানুষকে সচেতন হতে হবে। প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের কোনও সমস্যা বা অসুবিধে টের না পেলেও একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর নিয়মিত চেকআপ করানো জরুরি। সাধারণত এই বয়সটি 50। কিন্তু বিদেশে অনেক ক্ষেত্রে, রক্তের সম্পর্কে কারও যদি প্রস্টেট ক্যানসার হয়, তবে 45 বছর বয়স থেকেই প্রস্টেট ক্যানসারের স্ক্রিনিং টেস্ট করার পরামর্শ
দেওয়া হয়।
⭕ Prostate Gland- প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর চিকিৎসা কী?
⭕প্রস্টেট ক্যানসারের রিস্ক ফ্যাক্টর কোনগুলো?
🩸 ডায়াবিটিস, একাধিক পার্টনারের সঙ্গে যৌন সংসর্গ, বিভিন্ন নেশা, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ফলে প্রস্টেটের ইনফেকশন হতে পারে। কিন্তু বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপারপ্লেশিয়ার ক্ষেত্রে সে রকম রিস্ক ফ্যাক্টর কিছু নেই। এটা সকলেরই হয়, কারও বেশি, কারও কম। আজ থেকে তিন-চার দশক আগেও বিপিএইচ-এর ক্ষেত্রে সে রকম ভাল ওষুধপত্র ছিল না। মানুষ তখন খুব কষ্ট পেতেন, অপারেশনের দ্বারা আরোগ্য হত। কিন্তু এখন অনেক ভাল ওষুধপত্র বেরিয়েছে। দেখা যায়, শতকরা 75/80 জনই ওষুধ খেয়ে ভাল থাকেন। বাকি যাদের ক্ষেত্রে অন্য কোনও জটিলতা থাকে, ফলে ওষুধে ফল পাওয়া সম্ভব হয় না, তাদের ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হয়।
আরো পড়ুনঃ এপিডিডাইমিটিস (Epididymitis) | হোমিও বিশেষজ্ঞ চট্টগ্রাম।
⭕ প্রস্টেটের অসুখের লক্ষণ?
🩸 প্রস্টেট বৃদ্ধি খুব ধীরে হলেও প্রথম থেকে কিছু কিছু পরিবর্তন অনুভব করা যায়। প্রস্রাব নির্গমনের বেগ দুর্বল হয়ে পড়ে। কখনও আবার বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর সরু ধারায় প্রস্রাব হতে থাকে। কখনও প্রচণ্ড বেগ আসার পরেও টয়লেটে গিয়ে প্রস্রাব শুরু হতে দেরি হয়। প্রস্রাব কখনও কিছুটা হয়, বন্ধ হয়, আবার হয় এবং শেষে ফোঁটায় ফোঁটায় চুঁইয়ে পড়ে। সেই কারণে প্রস্রাব করতে অনেক বেশি সময় লাগে। প্রস্টেট খুব বেশি মাত্রায় বাধা দান করলে প্রস্রাব করতে খুব কষ্ট হয়। মূত্রনালির পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

🩸 একেবারে আর্লি স্টেজে প্রস্টেট ক্যানসারের কিন্তু কোনও লক্ষণ প্রকাশ পায় না, “আবার পরবর্তী স্টেজে প্রস্টেট ক্যানসারের অনেক লক্ষণ কিন্তু বিপিএইচ-এর মতোই। যেমন: প্রস্রাবের বেগ সামলাতে না পারা, বারবার প্রস্রাব, রাতেও তিন-চারবার উঠে প্রস্রাব করতে যাওয়া ইত্যাদি। এগুলোকে বলে স্টোরেজ বা ইরিটেটিভ সিম্পটম। আবার অন্য আর-এক ধরনের লক্ষণ হল অবস্ট্রাকটিভ সিম্পটম। এতে প্রস্রাবের গতি কমে যায়, ধারা স্বাভাবিকের চেয়ে সরু হয়ে যায়। এক-এক বারে পুরো প্রস্রাব করাও সম্ভব হয় না, জমা থেকে যায়। বারবার সংক্রমণ হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালা কিংবা রক্তক্ষরণ এ সবও হতে পারে।
🩸 সায়েন্স ম্যাগাজ়িনের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক নিবন্ধে দেখতে পাওয়া যায়, টম্যাটোর লাইকোপিন প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি রোধ করে। কিংবা ঢেঁড়শ সিদ্ধ করে জল খেলে প্রস্রাবের গতি স্বাভাবিক থাকে। এই বিষয়গুলি সন্দেহের ঊর্ধ্বে প্রমাণিত নয়। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, নেশা না করা, যথেষ্ট জলপান এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট বয়স থেকে নিয়মিত ব্যবধানে পুরুষদের জন্য প্রস্টেট চেকআপও জরুরি। সাবধানে থাকাই সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত।
⭕ প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যা মানেই অস্ত্রোপচার নয়, হোমিও’তে রয়েছে ভালো চিকিৎসা!
🩸 প্রোস্টেট গ্রন্থি পুরুষদের মূত্রাশয়ের ঠিক নীচে অবস্থিত, যা মূত্রনালির উপরের অংশটিকে ঘিরে থাকে৷ প্রোস্টেটের প্রাথমিক কাজ হল সেমিনাল ফ্লুইড তৈরি করা, যা শুক্রাণুকে পুষ্ট করে এবং পরিবহনে সাহায্য করে। প্রোস্টেট গ্রন্থি হরমোন উৎপাদনেও ভূমিকা রাখে। আবার প্রস্রাব প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। স্ফীত বা বর্ধিত প্রোস্টেট সমস্যা সাধারণত বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়।
⭕ বেনাইন প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া ( BPH ) কী?
- 🩸 বেনাইন প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া ( BPH ), যাকে প্রোস্টেট বর্ধিতও বলা হয়। এতে প্রোস্টেট গ্রন্থি আকারে বেড়ে যায় যা একটি ক্যানসার বিহীন এ প্রকার বৃদ্ধি।
- 🩸 প্রোস্টেটের বৃদ্ধির ফলে এটি মূত্রনালিতে চাপ দেয় যার ফলে মূত্রাশয় থেকে প্রস্রাব বের করা কঠিন হয়।
⭕ Prostate Gland- প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর চিকিৎসা কী?
⭕ কাদের ( BPH – বিপিএইচ ) এর সমস্যা হয়?
🩸 বিশ্বব্যাপী প্রায় 105 মিলিয়ন পুরুষ বিপিএইচ-এ আক্রান্ত হন। প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড সাধারণত পুরুষ মানুষের 40 বছর বয়সের পরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং 50 বাঁ তার বেশি বয়সি পুরুষদের প্রায় অর্ধেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়। 80 বছর বয়সের পর প্রায় 90 শতাংশ পুরুষ আক্রান্ত হয়।
⭕ BPH-বিপিএইচ, এর উপসর্গ?
- 🩸 ঘন ঘন প্রস্রাব করা, প্রস্রাব শুরু করতে সমস্যা।
- 🩸 দুর্বল স্রোত, বা ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব নির্গত হওয়া।
- 🩸 প্রস্রাব করতে অক্ষমতা।
- 🩸 মূত্রাশয়ের নিয়ন্ত্রণ হারানো।
- 🩸 প্রস্রাব করার সময় ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি।
- 🩸 মূত্রনালীর সংক্রমণ।
- 🩸 মূত্রাশয়ে পাথর।
- 🩸 কিডনি সমস্যা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
⭕ কী কী হোমিও ওষুধ প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়ার ভালো কাজ করে?
⭕ Prostate Gland- প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর হোমিও চিকিৎসা কী?
🇨🇭 হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা রোগের লক্ষণ সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করে রোগীর উপর প্রয়োগ করা হয়। এক একটি ওষুধ এক এক জন রোগীর উপর ভালো কাজ করে। তবে কিছু ওষুধ খুব নিয়মিতভাবে এই রোগে ব্যবহার করা হয় যা রোগের লক্ষণ কমাতে ও গ্ল্যান্ডের আকার কমাতে খুব কার্যকর৷
- 🧪 শাবাশ সেরুলাটা।
- 🧪 চিমাফাইলা।
- 🧪 কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম।
- 🧪 থুজা।
- 🧪 ফেরাম পিক্রিকাম, বেরাইটা কার্ব ইত্যাদি।
🇨🇭 তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করলে হবে না সেই সঙ্গে অবশ্যই জীবনযাত্রার কিছু কিছু পরিবর্তন খুব আবশ্যক। যেমন:
✅ নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে।
✅ ঘুমানোর আগে পানীয় জল বা তরল জাতীয় খাবার কম খাওয়া।
✅ অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনের ব্যবহার পরিমিত করতে হবে।
✅ একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত।
🇨🇭 প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়ার চিকিৎসা এবং পরিচালনা করার সময় লক্ষ্য হল, যতটা সম্ভব জটিলতা প্রতিরোধ করা এবং লক্ষণগুলিকে উপশম করা। প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়ায় সাধারণত বয়স্ক পুরুষরাই আক্রান্ত হন। খুব খারাপ কিছু পরিস্থিতি না হলে অস্ত্রোপচার করতে হয় না। ক্যানসারা বিহীন প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়ার লক্ষণ নিরাময়ে এবং গ্ল্যান্ডের আকার কমিয়ে রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে একটি বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। তবে এর জন্য একজন বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷
⭕ Prostate Gland- প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর হোমিও চিকিৎসা কী?
🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।
🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801973-962203
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।





