⭕ অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনায় আক্রান্ত?
⭕ আপনি কি যৌন সঙ্গম ছাড়া বাঁচতে পারেন না? যৌন চাহিদা পূরণ করতে দিনে 4-5 বার বা তার থেকে বেশি হস্তমৈথুন করেন? কাউকে দেখলেই কি সঙ্গমের কথা মাথায় আসে? সবসময়েই কি যৌনতা নিয়ে নানারকম চিন্তায় চিন্তিত আপনি? এই ধরণের উপসর্গ আসলে একটি রোগের জানান দেয় যাকে বলে নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস।
⭕ মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে এই রোগ হয়ে থাকে। জেনে নিন এর রোগের উপসর্গগুলি এবং প্রতিকার।
⭕ অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনার লক্ষণ?
- 🫦 এই রোগ হলে ঘন ঘন হস্তমৈথুনের প্রবণতা চলে আসে।
- 🫦 রোগগ্রস্ত মানুষদের বার্নবার সঙ্গে লিট্ হওয়ার বাসনা জাগে, ফলে একাধিক যৌন সম্পর্ক এবং একাধিক যৌনসঙ্গী হয়ে থাকে।
- 🫦 যৌনজীবনে সুরক্ষা নিয়ে চিন্তা থাকেনা, উদ্দাম সঙ্গমের প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণ চলে আসে।
- 🫦 এই রোগে রোগগ্রস্ত মানুষদের পর্নোগ্রাফির প্রতি অস্বাভাবিক আসক্তি চলে আসে।
- 🫦 এই মানুষেরা সাইবার সেক্স, ফোন সেক্স বা ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌনতায় লিপ্ত হতে চান, চাহিদা মেটানোর জন্য।
- 🫦 অন্যদের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার অদম্য ইচ্ছায় এই মানুষেরা অশ্লীলভাবে নিচের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে অনাবৃত করে অন্যদের একেস্ট করার চেষ্টা করেন, যাকে বলে এক্সিবিশনিজম।
- 🫦 এই সব মানুষ লুকিয়ে চুরিয়ে অন্যকে অনাবৃত অবস্থায় দেখার চেষ্টা করেন, জেক বলে ভয়ারিজম।
- 🫦 এই ধরণের রোগে রোগগ্রস্ত মানুষদের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আছে।

⭕ সুখী এবং সন্তোষজনক যৌন মিলন:
⭕ যৌন সম্পর্ক তৈরি করার জন্য পুরুষ ও মহিলাদের চিন্তাভাবনা মারাত্মকভাবে পরিবর্তিত হয়। একদিকে মহিলারা অনুভূতি ও ভালোবাসার দ্বারা সক্রিয় হয়ে ওঠে, আর অন্যদিকে পুরুষদের কাছে যৌন সম্পর্কের মানে হল আবেগময় ঘনিষ্ঠতা। এই আলাদা চিন্তাভাবনা যাতে সম্পর্কের উপর কোনও প্রভাব না ফেলে, তার জন্য যুগলদের একে অপরের ইচ্ছাকে সম্মান দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
⭕ Sex- যৌন মিলন?
যৌন সম্পর্কের মানে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকটাই বদলে গিয়েছে। যৌন সম্পর্ককে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, তা জানার আগে এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ যে আজকের দিনে মানুষ কী ধরনের যৌন সম্পর্ক উপভোগ করতে চান।
⭕ বর্তমান সময়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমটি হল স্থায়ী সম্পর্ক বা যে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়। এরপর আসে কম সময়ের বা অস্থায়ী সম্পর্কের বিষয়। এর মধ্যে রয়েছে হঠাৎ করে সম্পর্ক তৈরি হওয়া, ডেটিং-এর মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হওয়া, কেউ কাউকে না চিনেই এমনিই শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ইত্যাদি।
⭕ এই সব ক্ষেত্রগুলিতে শারীরিক চাহিদাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়। আর শেষেরটি হল যৌন পেশা। অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক তৈরি করা। এই বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ মনরোগ বিশেষজ্ঞ- তিনি ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক ছাড়া অন্য কোনও ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই দু’জন মানুষের মধ্যে আবেগময় সংযোগ তৈরি হয় না।
⭕ আমেরিকান সোশিওলজিক্যাল রিভিউ নামে একটি সংস্থা একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেই সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যাঁরা স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কে থাকেন, তাঁদের নিজেদের মধ্যে আরও বেশি করে আবেগময় ভাবে সংযুক্ত হতে পারে এবং সম্পর্ককে আরও সুরক্ষিত বলে মনে করেন। বিশেষ করে মহিলারা আনন্দ, সন্তুষ্টি এবং উত্তেজনা অনুভব করেন যৌন সম্পর্ক তৈরি হওয়ার সময়। একই বিষয় নিয়ে 2015 সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল । গবেষণার বিষয় ছিল সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক। তাতে দেখা যায়, মহিলাদের স্বল্প মেয়াদের সম্পর্ক বা হঠাৎ হওয়া ইচ্ছে থেকে তৈরি হওয়া যৌন সম্পর্কের তুলনায়, স্থায়ী সম্পর্কে যৌন মিলনের সময় সঠিক ভাবে অর্গাজম হয়।
আরো পড়ুনঃ পেনিস মোটা করার ও 30 মিনিট সহবাস করার হোমিও চিকিৎসা।
⭕ তবে মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা আবেগময় সম্পর্ক তৈরি করার চেয়ে ঘনিষ্ঠতা তৈরি এবং তাৎক্ষণিক সুখ পেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। সেই কারণেই পুরুষরা আচমকা কোনও সম্পর্ক তৈরি করতে এবং সেই সম্পর্ককে যৌন মিলন পর্যন্ত নিয়ে যেতে বেশি পছন্দ করেন। ভালো যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে আবেগময় ঘনিষ্ঠতা জরুরি ‘ইন্টিগ্রেটিভ সেক্সুয়াল হেলথ’ নামে প্রকাশিত হওয়া একটি বইয়ের সহ লেখক ড.বার্টলিক জানান, টিভি বা সিনেমায় যে ধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখানো হয় বাস্তব পরিস্থিতি তার থেকে একেবারে আলাদা। একজন অপরিচিতর সঙ্গে প্রথমবার দেখা হল। আর তাঁর সঙ্গে আনন্দ ও সন্তোষজনক যৌন মিলনও হল কোনওরকম যথাযথ যোগাযোগ তৈরি হওয়ার আগেই, এটা পুরোটাই কাল্পনিক।

⭕ রিল লাইফের থেকে যদি রিয়েল লাইফে আসা যায়, তাহলে দেখা যাবে যে ভালো ও সন্তোষজনক শারীরিক সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে যুগলের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা খুবই জরুরি। এটা তখনই সম্ভব, যখন দু’জনের মধ্যে পছন্দ, অপছন্দ বা কল্পনা নিয়ে কোনওরকম ইতস্ততভাব ছাড়া খোলাখুলি আলোচনা সম্ভব হয়।
বার্টিকের মতে, যৌন সম্পর্ক তৈরি করার জন্য পুরুষ ও মহিলাদের চিন্তাভাবনা মারাত্মকভাবে পরিবর্তিত হয়। একদিকে মহিলারা অনুভূতি ও ভালোবাসার দ্বারা সক্রিয় হয়ে ওঠে, আর অন্যদিকে পুরুষদের কাছে যৌন সম্পর্কের মানে হল আবেগময় ঘনিষ্ঠতা। এই আলাদা চিন্তাভাবনা যাতে সম্পর্কের উপর কোনও প্রভাব না ফেলে, তার জন্য যুগলদের একে অপরের ইচ্ছাকে সম্মান দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্পর্ককে উপভোগ্য করে তোলার জন্য সম্প্রীতি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
⭕ তবে এছাড়া এই বিষয়ে একটি বিশ্লেষণ 2014 সালে প্রকাশিত করে – ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড হেল্থ সাইকোলজি। তাতে উল্লেখ করা হয়, যদি যুগলের মধ্যে বিশ্বাস ও আবেগময় সংযোগ থাকে, তাহলে পুরুষ ও নারী উভয়েই একে অপরের যৌন চাহিদা এবং কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করে। এই ধরনের প্রচেষ্টা যদি কোনও একজন জোর না করে, লজ্জা না পেয়ে বা ইতস্তত না করে করতে পারে, তাহলে যৌন সম্পর্ক তাদের মধ্যে অনেক বেশি আনন্দের হয়।
⭕ যৌন সম্পর্কে সন্তুষ্টিকে কীভাবে আরও বেশি করা যায়?
⭕ লাউরি এ ব্রোটো, দ্য ওমেন সেক্সুয়াল হেলথ কানাডা রিসার্চের চেয়ারপার্সন এবং ভাঙ্কুভারের ব্রিটিশ কলম্বিয়া ওমেন’স হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এই বিষয়ে গবেষণা করেন। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, যৌন মিলনের সময় নিজের চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে মহিলারা প্রশিক্ষণ নেন, তাঁরা অবসাদ ও চাপ থেকে তৈরি হওয়া সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারেন এবং তাঁদের যৌন সম্পর্কও অনেক ভালো হয়। অনেক মানুষ বিশেষ করে মহিলারা তাঁদের যৌন চাহিদা এবং অনুভূতি নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ইতস্তত বোধ করেন। অথবা কিছু মানসিক সমস্যা যৌন মিলনের সময় মনসংযোগ করতে বাধা দেয়। ফলে যৌন সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়ে। তাই যৌন মিলনের সময়ে অন্য কিছু চিন্তা না করে, ওই বিষয়ে মনসংযোগ করা উচিত এবং সন্তোষজনক যৌন মিলনের জন্য যৌন সম্পর্কের সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।
⭕ ড. মাইকেল ক্রিচম্যান, নিউপোর্ট সৈকতে অবস্থিত সাউর্দান ক্যালিফোর্নিয়া সেন্টার ফর সেক্সুয়াল হেলথ-এর এমডি। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত স্তরে অনুভূতি, ইচ্ছা ও শারীরিক চাহিদা নিয়ে বোঝাপড়া এবং সৎ থাকা ভালো সম্পর্কের জন্য খুবই জরুরি ।কখনও কখনও শারীরিক সম্পর্কের সময় মানুষ অনেক বেশি সতর্ক, সাবধানী এবং শারীরিক ওজন, শারীরিক গঠন ও যৌনাঙ্গের আকার নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন, যা দু’জনের মধ্যে সম্পর্কে মারাত্মক খারাপ প্রভাব ফেলে । ড. মাইকেল ক্রিচম্যান ব্যাখা করে বুঝেয়েছেন, যদি কোনও মহিলা বা পুরুষ এই ধরনের চিন্তাভাবনা করতে থাকেন, তাহলে তাঁদের যৌনজীবনের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। এধরনের ক্ষেত্রগুলিতে তাঁদের নেতিবাচক চিন্তাভাবনা দূরে সরিয়ে রেখে অনুভূতি এবং শরীরে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ছোঁয়া অনুভব করতে হবে, মিসিয়াগুয়ার টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগে কর্মরত ড.আনা এম লোমানোস্কা জানান, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলা খুবই জরুরি। এমনকী, যখন তিনি দূরে থাকেন, তখনও। তাহলে কেউই একে অপরের থেকে নিজেকে বিচ্ছন্ন মনে করবেন না। এর ফলে সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পাবে এবং দু’জনের মধ্যে ভালোবাসাও বৃদ্ধি পাবে । যুগলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে টেক্সট মেসেজ, ভিডিও কল, চ্যাট ইত্যাদি।

⭕ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণার নিরসনপারস্পরিক বোঝাপড়া, কল্পনা ও যৌন চাহিদা পূরণ করা নিয়ে একে অপরকে সাহায্য করা এবং কোনও রকম ইতস্তত বোধ ছাড়া একে অপরের সঙ্গে কথা বলাকে যুগলের মধ্যে সুস্থ ও সন্তোষজনক যৌন সম্পর্ক হিসেবে ধরা যেতে পারে।
🫦 সহবাসের সুখ বাড়াতে যা ব্যবহার করবেন?
🫦 সহবাসে অধিক আরাম পেতে ভ্যাজাইনা ও পেনিসে লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সকল লুব্রিকেন্টই একই মানের নয়। বাজারেপ্রাপ্ত বেশ কিছু লুব্রিকেন্টে কড়া কেমিক্যাল থাকে, যা গোপনাঙ্গের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়। যৌনাঙ্গের ত্বক এতটাই সংবেদনশীল যে, লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো। যেহেতু বাজারেপ্রাপ্ত কিছু লুব্রিকেন্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতিতে ভোগাতে পারে, তাই অনেক চিকিৎসই প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
🫦 নিউ ইয়র্ক মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলিসা ডোয়েক বলেন, সহবাসের সময় অস্বস্তিকর ঘর্ষণ ও সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে কেমিক্যালবিহীন লুব্রিকেন্ট মানে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট ব্যবহারই বেশি নিরাপদ।
🫦 চিকিৎসকেরা জানান: বাজারেপ্রাপ্ত কিছু লুব্রিকেন্টে এমনও কেমিক্যাল থাকে, যা অন্তরঙ্গ স্থানের ক্ষতি করতে পারে। যদি বাণিজ্যিক লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে চান, তাহলে লুব্রিকেন্টের প্যাকেটে এসব উপাদান লেখা থাকলে তা এড়িয়ে চলুন- ফ্রাগরানসেস, পারাবিনস, গ্লিসারিন ও প্রপাইলিন গ্লাইকোল। অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বক, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় এসব উপাদানযুক্ত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার না করতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এসবের পরিবর্তে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে পারেন, যা নিরাপদে সহবাসের সুখ বাড়াতে পারে। এখানে পাঁচটি প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট সম্পর্কে বলা হলো।
⭕ নারকেল তেল: ডা. ডোয়েক বলেন, ‘নারকেল তেল একটি জনপ্রিয় প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট, যেটাকে যৌনাঙ্গের সংবেদনশীল ত্বক সহ্য করতে পারে।’ এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো সুঘ্রাণ। এর স্বাদও ভালো, যেকারণে ওরাল সেক্সের জন্যও উপযুক্ত। নিশ্চিত হতে হবে যে, ভার্জিন বা আনরিফাইন্ড নারকেল তেল কিনছেন। রিফাইন্ড নারকেল তেলে অ্যাডিটিভস থাকতে পারে, যা ত্বককে উক্ত্যক্ত করতে পারে। কনডম ব্যবহার করলে অন্যকোনো লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন। কারণ নারকেল তেল কনডমের কার্যকারিতা কমাতে পারে।
⭕ অলিভ অয়েল: আরেকটি কার্যকরী প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট হলো অলিভ অয়েল। অ্যাডিটিভস এড়াতে ভার্জিন বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিনতে হবে। অলিভ অয়েল খাওয়া নিরাপদ, তাই এটি ওরাল সেক্সেও ব্যবহার করা যাবে। অলিভ অয়েল ব্যবহারে সচেতন থাকুন, কারণ এটি কাপড়ে দাগ ফেলতে পারে। নারকেল তেলের মতো অলিভ অয়েলকেও কনডমের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ এটিও কনডমকে অকার্যকর করতে পারে।

⭕ অ্যালোভেরা জেল: রোদে পোড়া ত্বকের চিকিৎসায় প্রায়ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা হয়। এটি ত্বকে প্রশান্তিদায়ক অনুভূতি দেয়।এটা যৌনাঙ্গে ব্যবহার করলে ভ্যাজাইনা ও পেনিসের মধ্যকার ঘর্ষণের অস্বস্তি এড়ানো যাবে। সুখময় যৌনজীবনের কথা ভেবে বাসার টবে সীমিত পরিসরে অ্যালোভেরার চাষ করতে পারেন। আপাতত ফার্মেসি থেকে পিউর অ্যালোভেরা জেল কিনে ব্যবহার করতে পারেন। তবে প্যাকেটের লেখা ভালোভাবে পড়ুন। সংবেদনশীল ত্বককে উক্ত্যক্তকারী উপাদান ( যেমন: অ্যালকোহল) থাকলে ব্যবহার করবেন না।
⭕ অ্যাভোকাডো অয়েল: নারকেল তেল ও অলিভ অয়েলের মতো অ্যাভোকাডো অয়েলকেও লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এই তেল খেলেও সমস্যা নেই, তাই ওরাল সেক্সেও ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। অ্যাভোকাডো অয়েলকেও কনডমের সঙ্গে ব্যবহার করবেন না। কারণ এই তেলও কনডমকে অকার্যকর করতে পারে।
⭕ ভিটামিন ই অয়েল: ভিটামিন ই অয়েলকেও লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে, পিউর ভিটামিন ই অয়েল ব্যবহার করছেন। এই তেলও কনডমের সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত নয়।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।
🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন। হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় Homeo হোমিও ওষুধ খান।

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
⭕ আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।





