❤ Benefits of Physical Sex :
শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে হাতিয়ার হতে পারে যৌনসঙ্গম। কিন্তু জানেন কি সপ্তাহে কত বার সহবাস করলে মিলতে পারে সুফল?
❤ সঙ্গম- Sex, শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখতেও সহায়তা করে নিয়মিত যৌনতা।
❤ যৌনতা: কারও কাছে ভালবাসার প্রকাশ, কারও কাছে শারীরিক পরিতৃপ্তি। কিন্তু জানেন কি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে-( সঙ্গম- Sex-ই )। অন্তত এমনটাই মত গবেষকদের।
❤ পেনসিলভেনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন,একটি সমীক্ষায় স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, সপ্তাহে একাধিক বার মিলন করে যে তাঁদের মধ্যে জীবাণু ও ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশি। এমনকি, তাঁদের দেহে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডির পরিমাণও অন্যদের তুলনায় বেশি।
❤ ক্যালিফোর্নিয়া-সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণাও একই দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। গবেষকদের মতে, যাঁরা সপ্তাহে অন্তত দু’ থেকে তিন বার সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন, তাঁরা অনেক বেশি সুস্থ রয়েছেন অন্যদের তুলনায়। গবেষণা বলছে, নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে থাকলে শরীরে প্রায় 30 শতাংশ বৃদ্ধি পায় আইজিএ নামক অ্যান্টিবডি। ফলে সর্দি-কাশির সমস্যা কমে অনেকটাই।
❤ শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখতেও সহায়তা করে নিয়মিত যৌনতা। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত শরীরচর্চার সময় না পেলে যৌনতাই হয়ে উঠতে পারে শরীরচর্চার বিকল্প, মত বিশেষজ্ঞদের। আমেরিকার বিখ্যাত একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুসারে পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ভাল রাখতে যৌনতা হয়ে উঠতে পারে মুশকিল আসান। নারীদের রক্তচাপের সমস্যা কমাতেও অনেকটাই সহায়তা করে নিয়মিত যৌনতা।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- শারীরিক মিলনের সময়ে ডোপামিন, এন্ডরফিন ও সেরোটোনিনের মতো ‘ফিল গুড হরমোন’ ক্ষরিত হয়।

❤ নিয়মিত যৌনসঙ্গম- Sex-করলে স্বাস্থ্যের কী উন্নতি হয়?
❤ নিয়মিত যৌনসঙ্গম- Sex- শারীরিক সম্পর্কের, মধ্যে থাকলে শরীরে টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। ফলে নারী-পুরুষ দু’জনের ক্ষেত্রেই হাড়ের জোর বাড়ে। পেশিকে টানটান ও সতেজ রাখতেও সাহায্য করে যৌনতা।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex-শারীরিক মিলনের সময়ে ডোপামিন, এন্ডরফিন ও সেরোটোনিনের মতো ‘ফিল গুড হরমোন’ ক্ষরিত হয়। এই সব হরমোন রক্তের সঙ্গে মিশে ব্যথাবেদনা দূর করতে সাহায্য করে। ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা, মাইগ্রেনের মতো অসুখকেও অনেকটা কাবু করা যায় মিলনের প্রভাবে।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- শারীরিক সম্পর্ক স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের ক্ষরণ কমায়। ফলে মানসিক চাপ কমে। ঘুম ভাল হয়। শরীর আর মন, দুই-ই শান্ত হওয়ার কারণে ঘুমও আসে তাড়াতাড়ি।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- শারীরিক ঘনিষ্ঠতা রক্ত সংবহন বাড়িয়ে তোলে। ফলে ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ হয় বেশি। যৌন সম্পর্কে যেটুকু ঘাম হয়, তার মাধ্যমে শরীরের টক্সিনও দূর হয়। এ সব কারণে ত্বক জেল্লাদার হয় ও তার জৌলুসও বাড়ে।
❤ যৌনসঙ্গমের ফলে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে, বিভিন্ন গবেষণায় এই কথা দাবি করা হয়েছে।
❤ বিয়ে করাকে অনেকেই মনে করেন নিজের স্বাধীনতা হরণ, বাড়তি চাপ, বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে। আবার এমন অনেক মানুষ আছেন যারা একাধিক বিয়ে করেন। শহুরে শিক্ষিতদের অনেকে বিয়ের কথা শোনামাত্র নাক সিঁটকান।
❤ যে যা-ই বলুক গ্রামেগঞ্জের মানুষ এখনো বিয়েকে অনেক রোগের সমাধান হিসেবেই মনে করেন। তবে রোগ হলে বিয়ে দিলেই তা সেরে যাবে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাননি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। আধুনিক গবেষণা বলছে, বিয়ে মানুষের শরীরে অনেক রোগকে ভিড়তে দেয় না। বিয়ে অনেক রোগের মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। সুস্বাস্থ্যের জন্য বিয়ে অনেক উপকারী বলে মত দিয়েছেন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়:
❤ ভালোবাসা হৃদযন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। তাই বিয়ে নারী-পুরুষ উভয়ের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় বলে মত দিয়েছেন ফিনল্যান্ডের চিকিৎসকরা। দেশটির টরকু ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক ড. আইনো লামমিনটাউস্তা বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে বিবাহিত অথবা কোনো সম্পর্কের মাঝে আছেন এমন নারী ও পুরুষের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা নি:সঙ্গ মানুষের চেয়ে অনেক কম। সঙ্গীর নিবিড় সঙ্গ এবং নতুন পরিবারের নতুন সব আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ভালো বন্ধনের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
❤ কারণ হিসেবে বলা হয় পরিবারের সাথে থাকলে মন উৎফুল্ল থাকে। মনে কোনো মানসিক চাপ থাকলে তা শেয়ার করতে পারে। এতে মনের ওপর চাপ কমে।

❤ যৌনসঙ্গম- Sex- স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়:
আমেরিকান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়, অবিবাহিতদের চেয়ে বিবাহিতদের বড় ধরনের স্ট্রোকের ঝুঁকি 64 ভাগ কম। পুরুষদের মধ্যে যারা বিবাহিত জীবনে অসুখী বিবাহিতে জীবনে সুখীদের তুলনায় 03 দশমিক 06 ভাগ বেশি স্ট্রোকের ঝুকি রয়েছে। এতে বলাই যায় বিবাহিতদের তুলনায় অবিবাহিতদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সম্ভাবনা বেশি।
❤যৌনসঙ্গম- Sex- বিষণ্নতা কমায়:
শরীর সুস্থ রাখতে হলে মানসিক প্রশান্তি দরকার। একাকিত্ব কিংবা অন্য কারণে মানুষ বিষন্নতায় ভোগে। মানুষ যখন হতাশায় ভোগে। তার কী পরিমান মাসসিক বিপর্যয় ঘটেছে তা তিনি বুঝতে পারেন না। কারণ বিষন্নতার প্রথম উপসর্গ হলো আত্ম-উপলব্ধি হ্রাস পাওয়া। তাই বিষণ্নতা শনাক্ত ও দূর করতে প্রয়োজন একজন সঙ্গীর, যে সব সময় আপনার সাথে থাকবে, যার সাথে আপনি সবকিছু শেয়ার করতে পারবেন।
❤যৌনসঙ্গম- Sex- ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়:
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ মরণব্যাধী ক্যানসারে আক্রান্ত ছিল তাদের মধ্যে 20 ভাগের বেশি মানুষ আরোগ্য লাভ করতে সক্ষম হতো, যদি তারা বিবাহিত হতেন। এই সাফল্যের হার কেমোথেরাপির চেয়েও বেশি। একটি স্বাভাবিক স্থিতিশীল সম্পর্ক প্রথম ধাপের ক্যানসার শনাক্ত করতে পারে। আর বৈবাহিক বন্ধন ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে সুস্থ হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। একজন উপযুক্ত সঙ্গিনী তার সঙ্গীকে খারাপ এবং জীবনের জন্য ঝুঁকির কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে। যেমন: মদ্যপান, ধূমপান, মাদকসেবন।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- মানসিক চাপ কমায়:
মানুষ যখন কোনো মানসিক চাপের মধ্যে থাকে তখন শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এটি বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিতদের শরীরে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত পরিমাণে মানসিক চাপ শরীরে নানা সমস্যার জন্ম দেয়। বিশেষ করে হজমের সমস্যার সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রেস হরমোন বিবাহিতদের শরীরে সেরকমভাবে ক্ষতি করতে পারে না। কিন্তু অবিবাহিতদের শরীরে নানা সমস্যার বাসা তৈরি করে।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- হাড় শক্ত হয়: শরীরের হাড় মজবুত করে এবং হাড়ের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়। হাড়ের খনিজ ঘনত্ব ঠিক রেখে এক ধরনের রোগ অস্টিওপরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। হাড়কে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই সুখী দাম্পত্য জীবন মহিলাদের হাড়ের খনিজ ঘনত্ব ঠিক রাখার জন্য জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরো পড়ুনঃ যৌন সঙ্গমের সময় নারীদের ব্যথা লাগার কারণ Dyspareunia !
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়:
গবেষণায় দেখা গেছে, তালাকপ্রাপ্ত মহিলা ও পুরুষেরা বিবাহিতদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ বেশি অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। গবেষকদের মতে, বিয়ে দুটি মানুষকে পাশাপাশি রাখে এবং এসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণামের হাত থেকে রক্ষা করে।

❤ যৌনসঙ্গম- Sex- স্মৃতি হ্রাস কমায়: শান্তিময় দাম্পত্য শরীরে বার্ধক্যের ছাপ দেরিতে ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে যারা পুনরায় বিয়ে করেনি তাদের স্মৃত নষ্ট হওয়ার প্রবণতা প্রায় তিন গুণ বেশি। যারা মাঝ বয়সে বিধবা হওয়ার পর আর বিয়ে করেননি তাদের স্মৃতিভ্রংশ প্রবণতা ছয় গুণ বেড়ে যায়। বিবাহিত এবং সারাজীবন মানসিক সামাজিকভাবে পাশাপাশি থাকলে মন প্রফুল্ল থাকে এবং স্মৃতি শক্তি কম হ্রাস পায় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- অসুখ থেকে মুক্তি: গবেষণায় দেখা গেছে, সুখী দম্পতিদের কখনো টাইপ-2 ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, ফাইব্রোমাইলজিয়ার মত অসুখ হতে দেখা যায় না। যেকোন জিনিস নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে। যৌনসঙ্গম- Sex- হলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি মেলে।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- ভালো ঘুম হয়: অবিবাহিত কিংবা অসুখী মানুষের চেযে যাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ভালো তাদের শান্তির ঘুম হয়। ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ-এর মনোবিজ্ঞানী ওয়েন্ডি ট্রক্সেল গবেষণায় পেয়েছেন, নারীদের উন্নতি বিশেষত বিয়ে দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অবিবাহিত নারীদের চেয়ে বিবাহিত নারীদের 10 ভাগ প্রশান্তির ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈবাহিক সম্পর্ক যদি যৌনসঙ্গম- Sex- সুখের হয় এটা ভালো ঘুমের সহায়ক হতে পারে।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- আয়ু বাড়ে:
মধ্য ও বৃদ্ধ বয়সে একজন সঙ্গী অকালমৃত্যু থেকে বাঁচায় বলে মত দিয়েছেন গবেষকরা। যৌনসঙ্গম- Sex- অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা কমে যায়। ডুইক ইউনির্ভাসিটির মেডিক্যাল সেন্টারের গবেষক ড. ইলিএন সিয়েগলার ও তার গবেষণা দল গবেষণায় পেয়েছেন যৌনসঙ্গম- Sex-আপনার জীবনে অতিরিক্ত বয়স যোগ করতে পারে এবং এটা 10 বছর পর্যন্ত হতে পারে।
❤ যৌনসঙ্গম- Sex- ভালো ব্যায়াম: সেক্স উত্তম ব্যায়াম বলে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানী পিনজোন এক গবেষণায় বলেছেন, সেক্সের সময় প্রতি মিনিটে 5 ক্যালোরি করে ক্ষয় হয়। এটি আপনার হার্টের স্পন্দন হার দ্বিগুণ করে এবং বিভিন্ন পেশি ব্যায়াম হয়।

🩸 পুরুষের ধাতু ক্ষয়জনিত সমস্যা:
🩸 আমাদের দেশের অধিকাংশ পুরুষের মাঝে যৌনতা বিষয়ক জ্ঞান স্বল্পতা এবং যৌবনকালের শুরুতে নিজ কতৃক বিভিন্ন ভুলত্রুটির ফলে পরবর্তীতে যৌনস্বাস্থ্য জনিত নানাবিধ সমস্যা পরিলক্ষিত হয়ে থাকে, যা মূলত মেহ/প্রমেহ/ধাতু ঝরা/ধাতু দুর্বলতা/ধাতু ক্ষয়/প্রসাবে ক্ষয়/প্রদর রোগ নামে পরিচিত। উক্ত রোগটি সরাসরি/তৎক্ষণাৎ শরীরের উপর কোন প্রকার প্রভাব তৈরি করে না বিধায় উক্ত রোগটির সৃষ্টি সম্পর্কে আক্রান্ত পুরুষ মানবদেহটি সহজে তেমন কিছু অনুভব ও করতে পারে না, কিন্তু উক্ত রোগটি খুব ধীরে ধীরে শরীরের উপর প্রভাব ফেলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা সম্পুর্ন নষ্ট করে দেয়।
🩸 এক কথায় বলতে গেলে, ইহা নিজে কোন রোগ নয় বরং ইহা অন্যান্য অনেক শারীরিক রোগের সৃষ্টিকারী এবং আমাদের দেশে পুরুষ সমাজের অনেকেই উক্ত রোগের ভুক্তভোগী।
🩸 পুরুষের ধাতুক্ষয় কারণসমূহ:
আমাদের দেশের পুরুষদের মাঝে উক্ত সমস্যা সৃষ্টির প্রধান এবং অন্যতম কারণই হল যৌবনকালের শুরুতে অধিক পরিমানে হস্তমৈথুন করা। এছাড়া অল্প বয়সে যৌনতা বিষয়ক অধিক বেশী চিন্তা করা, অধিক বেশী পর্ণ দেখা, অতিরিক্ত বেশী যৌন মিলন করা সহ অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিরাপদ যৌনাচার উক্ত রোগসমূহ পুরুষ মানবদেহে সৃষ্টির অন্যতম কারন হিসাবে বিবেচিত। পাশাপাশি অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, অতিরিক্ত মানুষিক দু:শ্চিন্তা, হজমের গন্ডগোল, শারীরিক পুষ্টির অভাব সহ অন্যান্য আরো নানবিধ কারনে উক্ত সমস্যাসমূহ পুরুষ মানবদেহে সৃষ্টি হতে পারে।
🇨🇭 পুরুষের ধাতুক্ষয় লক্ষণসমূহ:
- 🩸 ধাতুক্ষয় রোগে আক্রান্ত রোগীর শুক্র অত্যন্ত তরল হয়।
- 🩸 রোগী ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শক্তিহীন ভাব প্রকাশ পেতে থাকে।
- 🩸 দেহের এবং চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়, চেহারার লাবণ্যতা কমে যায়, মুখ মলিন এবং চক্ষু কোঠরাগত হয়ে পরে।
- 🩸 দেহে প্রয়োজনীয় প্রোটিন এবং ভিটামিনের প্রবল অভাব পরিলক্ষিত।
- 🩸রোগীর জীবনীশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নানা প্রকার রোগে অতি সহজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- 🩸 দেহে যৌন হরমোন বা পিটুইটারি এড্রিনাল প্রভৃতি গ্রন্থির হরমোন কম নি:সৃত হয়, যার ফলে দেহে যৌন ক্ষমতা কমে যায় এবং শুক্র ধীরে ধীরে পাতলা হতে থাকে।
- 🩸দৈহিক এবং মানসিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পায়, মাথা ঘোরে, বুক ধড় ফড় করে, মাথার যন্ত্রণা দেখা যায়।
- 🩸 আক্রান্ত ব্যক্তি সর্বদাই অস্থির বোধ করে, বসা থেকে উঠলেই মাথা ঘোরে এবং চোখে অন্ধকার দেখে, ক্ষুধাহীনতার ভাব দেখা দেয়।
- 🩸 পেনিস বা জননেদ্রীয় দুর্বল হয়ে যায়।
- 🩸 প্রসাবের আগে-পরে আঠালো জাতীয় ধাতু নির্গত হয়।
- 🩸 সমস্যা ধীরে ধীরে কঠিন আকার ধারণ করলে সামান্য উত্তেজনায় শুক্রপাত হয়, স্ত্রীলোক দর্শনে বা স্পর্শে শুক্রপাত ঘটে এমনকি মনের চাঞ্চল্যেও শুক্রপাত হয়।
- 🩸 পায়খানার সময় কুন্থন দিলে শুক্রপাত হয়।
- 🩸 স্মরণশক্তি কমে যায় এবং বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়।
🇨🇭 চিকিৎসা:
পুরুষ মানবদেহের জন্য ক্ষয়জনিত সমস্যাসমূহ অত্যন্ত মারাত্মক হিসাবে বিবেচিত, বিশেষ করে আমাদের দেশের তরুন সমাজ এই সকল সমস্যাসমূহের অধিক বেশী ভুক্তভোগী হয়ে থাকে, যা পরবর্তীতে তাদের শারীরিক এবং মানসিক ভাবে দুর্বলতা সৃষ্টি সহ দাম্পত্য জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এন্ড প্রাইভেট প্র্যাক্টিশনার। ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। হোমিও গবেষক / হোমিও বিশেষজ্ঞ চট্টগ্রাম।

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।
☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।
☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।





