ভোকাল কর্ড ক্যান্সার | Vocal Cord Cancer | ডাঃ মাসুদ হোসেন

ভোকাল কর্ড ক্যান্সার | Vocal Cord Cancer | ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 মানব দেহের স্বরযন্ত্র বা ল্যারিংস শ্বাসনালীর উপরি ভাগের একটি অংশ যা গলার মাঝখানে খাদ্যনালীর সামনে থাকে। ল্যারিংস মাধ্যমে আমরা শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ে থাকি।

🇨🇭 এই ল্যারিসে দুটি ভোকাল কর্ড থাকে। এই ভোকাল কর্ডের কম্পনের মাধ্যমে আমরা কথা বলি। ল্যারিংসে বা দুটি ভোকাল কর্ডে যদি রোগ হয় তাহলে গলা ব্যথা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

🇨🇭 কণ্ঠনালীতে রোগসমূহ হচ্ছে জন্মগত, প্রদাহজনিত, পলিপ, টিউমার বা ক্যান্সার ইত্যাদি। ক্যান্সার শেষ পর্যায়ে গলার চারদিকে ছড়িয়ে গেলে গলা ফুলে যায় বা গলার গ্ল্যান্ড বড় হয়ে ফুলে যায়।

🇨🇭 ধূমপান কণ্ঠনালীর ক্যান্সারের অন্যতম কারণ মনে করা হয়।

🇨🇭 ধূমপান ছাড়াও মদপান, পানের সাথে জর্দা, সাদাপাতা খাওয়া, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাদ্য গ্রহণ, অতিরিক্ত গরম খাবার খাওয়া, কণ্ঠনালীর অতি ব্যবহার ইত্যাদিও ক্যান্সারের অন্যতম কারণ।

🇨🇭 গবেষণায় দেখা যায় যে শতকরা 80/85 ভাগ কণ্ঠনালীর ক্যান্সার রোগী ধূমপায়ী।

🇨🇭 সব ধরনের ক্যান্সার রোগীর মধ্যে শতকরা ত্রিশ ভাগেরও বেশি হেড নেক ক্যান্সার।

🇨🇭 হেড নেক ক্যান্সারের মাঝে কণ্ঠনালীর ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। সাধারণত দেখা যায়, বয়স্কদের কণ্ঠনালীর ক্যান্সার বেশি হয় এবং মহিলাদের চেয়ে পুরুষরাই এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় বেশি।

ভোকাল কর্ড ক্যান্সার | Vocal Cord Cancer | ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 ভোকাল কর্ড ক্যান্সারের – Vocal Cord Cancer – উপসর্গ:

🩸 কণ্ঠনালীর ক্যান্সার – Vocal Cord Cancer – সমগ্র বিশ্বে আজকাল দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশেও এই রোগের প্রকোপ অনেক বেশি।

🩸 শ্বাসনালীর ক্যান্সারের Vocal Cord Cancer উপসর্গ হচ্ছে কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন হয়, যা ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসায় ভাল হয় না অথবা পনের দিনের বেশি থাকে এবং পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট হয়। গলায় কিছু আটকিয়ে আছে মনে হয়। অনেক সময় ঢোক গিলতে অসুবিধা হয়। গলা ফুলে যাওয়া বা গলার গ্ল্যান্ড বড় হয়ে ফুলে যায়। কোন কোন সময় কণ্ঠনালীর ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর কানও ব্যথা হতে পারে। এর কারণ হলো একই নার্ভ কান ও কণ্ঠনালীর সাথে সংযুক্ত।

🇨🇭 ভোকাল কর্ড ক্যান্সার রোগ নির্ণয় :

🩸 রোগীর সম্পূর্ণ ইতিহাস জানতে বা শুনতে হবে। তারপর রোগীর গলা দেখতে হবে। স্বরযন্ত্র বা শ্বাসনালীর ক্যান্সারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ নির্ণয় করা গেলে প্রায় সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু রোগ যখন এডভান্স পর্যায়ে চলে যায় তখন চিকিৎসায় খুব বেশি একটা সুফল পাওয়া যায় না। যদি কারো দুই সপ্তাহের বেশি গলার স্বর পরিবর্তন বা ভাঙা থাকে বা এই স্বর পরিবর্তন ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

🩸 বর্তমানে আমাদের দেশে এই রোগ নির্ণয়ের আধুনিক ব্যবস্থা আছে, যেমন: ফাইবার অপটিক ভিডিও ল্যারেংগমকপি, যার মাধ্যমে সহজেই এ রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। ফাইবার অপটিক ভিডিও ল্যারেংগমকপির মাধ্যমে রোগী নিজেও টিভির পর্দায় নিজের কণ্ঠনালী দেখতে পারবেন। যদি কণ্ঠনালীর ক্যান্সার হয়েছে ধারণা করা হয়, তখন গলা থেকে বাইপসি নিয়ে হিস্টোপ্যাথলজি করলে ক্যান্সার সনাক্ত করা সম্ভব।

🩸 যদি রোগী শেষ পর্যায়ে শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসে, তখন জরুরি ভিত্তিতে গলায় অপারেশনের মাধ্যমে শ্বাস নেয়ার জন্য একটি টিউব বসানো হয়, যাকে ট্রাকিওশটমি অপারেশন বলা হয়। পরবর্তীতে বায়পসি নেয়া হয়।

🇨🇭 কণ্ঠনালী ক্যান্সারের চিকিৎসা :
ক্যান্সার সনাক্ত হলে অবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

🇨🇭 উপসংহার :
ধূমপান থেকে বিরত থাকুন। অন্যান্য যে সব কারণে কণ্ঠনালীর ক্যান্সার হয় তা থেকে এড়িয়ে চলুন। কারণ চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। উপরে বর্ণিত যে কোন উপসর্গ দেখা দিলে কালবিলম্ব না করে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো চিকিৎসা নিতে হবে।

ভোকাল কর্ড ক্যান্সার | Vocal Cord Cancer | ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 ভোকাল কর্ডের – Vocal Cord- সমস্যায় কী করবেন?

🇨🇭 একে অপরের সঙ্গে কথা বলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে – Vocal Cord – ভোকাল কর্ড। বিভিন্ন কারণে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা নিয়ে পুরোপুরি সুস্থতা লাভ করা যায়।

🇨🇭 আমাদের গলার সামনে ল্যারিংস বা শব্দযন্ত্র অবস্থিত। ল্যারিংস বা শব্দযন্ত্রে দুটি ভোকাল কর্ড Vocal Cord থাকে। এই কর্ড দুটির কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তৈরি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ফুসফুস থেকে প্রবাহিত বাতাস ভোকাল কর্ডে কম্পনের সৃষ্টি করে।

🇨🇭 কথা বলা বা গান গাওয়ার সময় এই পরিমাণ প্রতি সেকেণ্ডে 100 থেকে 1000 বার।

🇨🇭 একজন বয়স্ক মানুষের দিনে এক মিলিয়ন বার ভোকাল কর্ড দুটির সংস্পর্শ হয়। অতএব চিন্তা করুন Vocal Cord ভোকাল কর্ডের ওপর আমরা কতটুকু নির্ভরশীল, কাজে, গৃহে ও সবসময় সবখানে। তাই কণ্ঠকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখা দরকার।

🇨🇭 পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হলো কণ্ঠ বা কথা বলা। অথচ আমরা কণ্ঠস্বর সম্পর্কে তেমন সচেতন নই।

🇨🇭 একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হবে তার অনেকটাই নির্ভর করে তার কণ্ঠের ওপর। তাই নিজের সুস্থ থাকার পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো প্রতিদিন কণ্ঠস্বরেরও যত্ন প্রয়োজন। এজন্য দরকার কণ্ঠের পরিমিত এবং নিয়ন্ত্রিত সদ্ব্যবহার। কণ্ঠের অপব্যবহার থেকে সচেতন হয়ে কণ্ঠস্বরের যত্নে যা করা উচিত।

🇨🇭 অযথা চিৎকার-চেঁচামেচি থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চস্বরে বা অনেক জোরে কথা বললে ভোকাল কর্ডে Vocal Cord মাইক্রোহেমোরেজ নামক সমস্যা হয়। এতে হেমাটোমা, ফ্রাইব্রোসিস হয়ে অনেক সময় কণ্ঠ পরিবর্তন হয়ে যায়। অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকবৃন্দ জোরে চিৎকার করে কথা বলে মনের অজান্তে ক্ষতি করে থাকেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জনসভায়, মায়েরা বাচ্চাদের সঙ্গে, ফেরিওয়ালা, হকারসহ বিভিন্ন কণ্ঠ নিভর্রশীল পেশাজীবীরা। কণ্ঠের যত্নে জনবহুল জায়গায় শোরগোলের স্থানে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা উচিত।

🇨🇭 ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপান সরাসরি আক্রমণ করে গলার যে কোনো সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং জটিল করে তোলে। শতকরা 80/85 ভাগ কণ্ঠনালির ক্যানসার রোগী ধূমপায়ী।

🇨🇭 অত্যধিক ঠান্ডা পানি পরিহার করুন। অনেক সময় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাইরে থেকে এসেই হুট করেই আমরা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করি, যা আমাদের গলার জন্য ক্ষতিকর। যাদের ঠান্ডা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে তাদের বিশেষ সতর্কতা মেনে চলা উচিত। এ ছাড়াও ঘাম অনেকক্ষণ ধরে শরীরে থাকলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে, এর ফলেও গলা ভেঙে যায়।

আরো পড়ুনঃ হাড়ের ক্যান্সার (Bone Marrow Cancer ) এর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।

🇨🇭 ঠান্ডা লেগে যদি গলা বসে যায়, তবে কথা বলা বন্ধ করতে হবে বা কমিয়ে দিতে হবে। কণ্ঠনালিকে বিশ্রাম দিতে হবে, এমনকি ফিসফিস করেও কথা বলা যাবে না। গলা ভাঙা উপশমে ভালো পদ্ধতি হলো গরম বাষ্প টানা (Steam Inhalation)। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত 10 মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয়, তবে উপকার হবে। মেনথল ইনহেলেশনও ভোকাল কর্ডকে কিছুটা আদ্রতা দিয়ে থাকে।

homeo treatment

🇨🇭 পানি পানে অনীহা নয়। পানিশূন্যতা (Dehydration) গলাভাঙার আরেকটি রিস্ক ফ্যাক্টর। অনেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করেন না। সারা দিন কথা বলছেন কিন্তু হয়তো পানি পান করছেন না-এসব কারণে কণ্ঠের ক্ষতি হয়। কণ্ঠের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন অন্তত 2 লিটার পানি পান করতে হবে। কফি, চা, কোমল পানীয় শরীরের কোষে পানিশূন্যতা ঘটায়, তাই খেলে অল্প পরিমাণে খেতে হবে।

🇨🇭 খাদ্যাভাসে এবং দৈনন্দিন জীবন-যাপনে দিতে হবে বিশেষ নজর। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি অভ্যাস হলো, আমরা অনেক দেরি করে রাতে খাই এবং খেয়েই শুয়ে পড়ি। এটিও কিন্তু কণ্ঠনালির জন্য ভালো নয়। হাইপার অ্যাসিডিটি আছে, এমন ( ল্যারিঙ্গো ফ্যারিঞ্জাল রিফ্লাক্স ডিসিজ ) রোগীদের গলার আশপাশে প্রদাহজনিত কারণে অনেক বেশি শুকনো হয়ে যায়। তাদের ক্ষেত্রে রাতের খাবার পর অন্তত 2 ঘণ্টা পরে শুতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ঘুমনোর সময় মাথা যেন শরীরের তুলনায় একটু উপরের দিকে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এসিডিটির জন্যও গলা ভেঙ্গে যেতে পারে, তাই রোগীর কাছ থেকে রোগের ইতিহাস বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

🇨🇭 কণ্ঠনালিরও বিশ্রাম দরকার। আমরা অনেক সময় বিরতি ছাড়া কথা বলে যাই, আমরা চিন্তা করি না স্বরযন্ত্রও একটি যন্ত্র। উদাহরণস্বরূপ শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অনেক সময় একই রকমভাবে টানা কথা বলতে দেখা যায়। কণ্ঠেরও রেওয়াজ বা ব্যায়াম দরকার। এ ছাড়া শারীরিক ক্লান্তিও কণ্ঠস্বরের ওপর মন্দ প্রভাব বিস্তার করে।

🇨🇭 তিন সপ্তাহের অধিক গলা ভাঙা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসকরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ভোকাল কর্ড বা কণ্ঠনালি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। পদ্ধতিগুলো হচ্ছে-ইনডাইরেক্ট ল্যারিংগোস্কোপি, ভিডিও ল্যারিংগোস্কোপি। কণ্ঠস্বরের পরিবর্তনে ব্যক্তির রোগের ইতিহাস, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিক পর্যায়ে গলা ভাঙার কারণ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

🇨🇭 Vocal Cord & Throat Cancer Symptoms:

🇨🇭 মারণ রোগ গলা-মুখের ক্যান্সার,
Cancer গলার ক্যান্সার আজকাল তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান। এই ক্যান্সার গলা বা টনসিলে বাড়ে। সাধারণ উপসর্গ যা দেখা দেয়- গলা ব্যথা, কাশি, খাবার গিলতে অসুবিধা, কর্কশ গলা এবং কানে ব্যথা। গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি সময়মতো শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে দেখালে শতভাগ নিরাময় সম্ভব। এ রোগে আক্রান্তের সজাগ ও সাহসী থাকা খুবই জরুরি।
গলা ও মুখের ক্যান্সার বিপজ্জনক।
ক্যান্সার এমন রোগ যার নাম শুনলেই চোখের ঘুম উড়ে যায়। এই অসুখ হলে যন্ত্রণা তো আছেই চিকিৎসার খরচও অনেক। সেই সঙ্গে মৃত্যুভয়, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, ধূমপান, অ্যালকোহল, তামাক, গুটখার মতো নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার মানুষকে এই মারণ রোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। WHO-র মতে, 2020 সালে ক্যান্সারের কারণে 01 কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন।

🇨🇭 পরিসংখ্যান অনুসারে,প্রতি 6 জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় ক্যান্সারে।

🇨🇭 গলার ক্যান্সার আজকাল তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান। এই ক্যান্সার গলা বা টনসিলে বাড়ে। সাধারণ উপসর্গ যা দেখা দেয়- গলা ব্যথা, কাশি, খাবার গিলতে অসুবিধা, কর্কশ গলা এবং কানে ব্যথা। গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি সময়মতো শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে দেখালে শতভাগ নিরাময় সম্ভব। এ রোগে আক্রান্তের সজাগ ও সাহসী থাকা খুবই জরুরি।

🇨🇭 মুখের ক্যান্সার সাধারণত মুখের, জিহ্বায়, সামনের অংশে, মিউকাস মেমব্রেনে বা থাইরয়েড গ্রন্থির যে কোনও জায়গায় হতে পারে। এ রোগের লক্ষণগুলি শনাক্ত করা গেলে সহজেই চিকিৎসা করা যায়। বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নিই মুখের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলি কীভাবে চিহ্নিত করা যায়।

homeo treatment - dr. masud hossain

🇨🇭 গলার ক্যান্সার কত প্রকার?

🩸 গলার ক্যানসার 6 প্রকারের।

  1. নাসফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার যা নাকের ঠিক পিছনে শুরু হয়।
  2. অরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার- এটি মুখের ডান দিক থেকে শুরু হয়। টনসিলে ক্যান্সারের একটি অংশ।
  3. হাইপোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার গলার নীচের অংশে ঘটে যা খাদ্য পাইপের নালির থাকে।
  4. ভোকাল কর্ড থেকে গ্লোটিক ক্যান্সার শুরু হয়।
  5. সুপ্রাগ্লোটিক ক্যান্সার স্বরযন্ত্রের উপরের অংশ থেকে শুরু হয়। রোগী খাবার গিলতে পারে না।
  6. সাবগ্লোটিক ক্যান্সার স্বরযন্ত্রের নীচে শুরু হয়।

🇨🇭 Throat and Vocal Cord Cancer – গলায় ক্যান্সারের লক্ষণ:

  • 🩸 গলা ব্যথা ক্যান্সারের একটি উপসর্গ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি 21 দিন বা তার বেশি সময় ধরে গলা ব্যথা থাকে তবে আপনার অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত।
  • 🩸 দীর্ঘক্ষণ গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতিও গলার ক্যান্সারের লক্ষণ। রোগী খাবার গিলে ফেললে খেতে অসুবিধা হয়।
  • 🩸 ক্রমাগত শ্বাসকষ্ট ক্যান্সারের একটি উপসর্গ।
  • 🩸 কোনও কারণ ছাড়াই গলা থেকে রক্ত পড়াও গলার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
  • 🩸 গালের ভিতরের অংশে সাদা এবং লাল ছোপ দেখা গেলেও তা ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
  • 🩸 মুখের ক্যান্সার দাঁত ও মাড়ির যে কোনও জায়গায় শুরু হতে পারে। কয়েকদিন মুখে কোনও সমস্যা দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
  • 🩸 গলায় দীর্ঘদিন কফ জমে থাকা এবং কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হওয়াও ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
  • 🩸 যেকোনো ধরনের ক্যানসার হলে প্রথমেই যেটা হয় তা হলো ওজন কমা। ওজন কমাও ক্যান্সারের লক্ষণ।
  • 🩸 কানে ক্রমাগত ব্যথাও গলার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
homeo-treatment-dr-masud-hossain

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন
Dr. Masud Hossain.
(বি, এইচ, এম, এস )
(ডি, এইচ, এম, এস) ( ঢাকা )।

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

📞 মোবাইল : +8801907-583252
+8801302-743871

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 সকাল 09:00 — 01:00 টা।
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 চিকিৎসা : সুখবর হচ্ছে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!