🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া | Hypothermia | ডাঃ মাসুদ হোসেন।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া | Hypothermia | ডাঃ মাসুদ হোসেন।

🇨🇭 বায়োলজিক হোমিওস্ট্যাসিস বা থার্মোরেগুলেশনের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায়- ( 36.5° থেকে 37.5°সেলসিয়াস বা 98 থেকে 100° ফারেনহাইট ) থাকে।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia ,এমন একটি অবস্থা যখন ব্যক্তির কোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ( 35° সেলসিয়াস বা 95° ফারেনহাইট ) তুলনায় কমে যায় এবং বিপাকীয় কার্যাবলী স্বাভাবিক ভাবে সম্পন্ন হয় না।

🇨🇭 এ অবস্থায় ব্যাক্তির শরীরে কাঁপুনি শুরু হয়ে যায় আর সেই সাথে অনেকে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারে না। দিকভ্রান্ত হয়, হোঁচট খেতে থাকে এবং গতি ধীর হয়ে যায়।

🇨🇭 তাদেরকে দেখলে মনে হয় তারা মাতাল হয়ে আছেন, কথাবার্তা জড়িয়ে যেতে থাকে। তবে এটা হলো প্রথম পর্যায়ের লক্ষণ। পরবর্তী পর্যায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃৎস্পন্দন আশংকাজনক মাত্রায় কমে আসে,
ব্যক্তি জ্ঞান হারায় এবং মৃত্যুবরন করে। তবে জ্ঞান হারানোর আগে মানুষ এমন কিছু কাজ করে যার নিশ্চিত কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia কারণ:

🩸 যখন শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হারে কমে যেতে শুরু করে মুলত ঠিক তখনই হাইপোথার্মিয়া দেখা দেয়। উপযুক্ত পোষাক ছাড়াই দীর্ঘসময় ঠান্ডা পরিবেশ বা ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে থাকার কারণে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া | Hypothermia | ডাঃ মাসুদ হোসেন।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia লক্ষণ:

🩸 এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

  • 🩸 বিষণ্নতাজনিত সমস্যা ( Depressive Or Psychotic Symptoms. )
  • 🩸 দুর্বলতা ( Weakness. )
  • 🩸 পায়ের মাংসেপশী শক্ত হয়ে যাওয়া ( Leg Stiffness Or Tightness. )
  • 🩸 ত্বকের ফুসকুড়ি ( Skin rash.)
  • 🩸 বমি ( Vomiting. )
  • 🩸 পা ফুলে যাওয়া ( Leg Swelling. )
  • 🩸 অনুভূতি কমে যাওয়া ( Loss Of Sensation.)
  • 🩸 অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ( Fainting.)
  • 🩸 কনুইয়ের দুর্বলতা ( Elbow Weakness )
  • 🩸কব্জিতে দুর্বল অনুভব করা ( Wrist weakness.)
  • 🩸 গরম ও ঠাণ্ডা অনুভব করা ( Feeling Hot And Cold.)

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়:

🩸 যে সকল বিষয়ের কারণে এই সমস্যা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় সেগুলো হল:

🩸 শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ এদের মধ্যে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা কম। তাই শীতকালে বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় এদেরকে উপযুক্ত পোষাক পরিধান করাতে হবে।
বিভিন্ন মানসিক সমস্যা যেমন: সিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিজঅর্ডার এবং ডিমেন্সিয়ার- কোন কিছু মনে না থাকা, কারণে এটি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia কারণ এসব সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি ঠান্ডা পরিবেশে কি ধরণের পোষাক পরিধান করা উচিৎ তা বুঝতে পারে না। মদ্যপানের কারণে রক্ত নালী প্রসারিত হয় এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হ্রাস পায়। নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ যেমন:অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অ্যান্টিসাইকোটিক, ন্যারকোটিক ও সিডেটিভ গ্রহণের কারণেও এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ   হার্ণিয়েটেড ডিস্ক | Herniated Disk | ডাঃ মাসুদ হোসেন।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া – Hypothermia যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে:

🛑 লিঙ্গ: পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা 01 গুণ কম।

🛑 জাতি: শ্বেতাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতিদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা 01গুণ কম।

🇨🇭 হাইপোথার্মিয়া | Hypothermia | ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Q. হাইপোথার্মিয়ার ( Hypothermia ) জন্য কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ?

উত্তর: এই রোগের যেকোন লক্ষণ যেমন: শরীরে কাঁপুনি, অসাড়তা, আড়ষ্ঠতা, দিকভ্রান্ততা,
অ্যামনেশিয়া ইত্যাদি দেখামাত্র হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যেতে হবে, কিংবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

Q. ঘরের ভিতরে থাকলে ও কি এই Hypothermia- সমস্যা হতে পারে?

উত্তর: ঘরের ভিতরে থাকলেও কি এই সমস্যা হতে পারে, এর লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে এবং তাপমাত্রা পরিমাপ না করা পর্যন্ত সমস্যাটি নির্ণয় করা যায় না।

Q. হাইপোথার্মিয়া- Hypothermia, কিভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব?

উত্তর: নিম্নলিখিত পন্থা অবলম্বন করে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব,
ঠাণ্ডা পরিবেশে যাওয়ার পূর্বে উপযুক্ত পোষাক পরিধান করতে হবে। শারীরিক অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। হাইকিং এ গেলে অবশ্যই কাউকে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। শুষ্ক ও উষ্ণ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পোষাক পরিধান করতে হবে।

ডা.মাসুদ হোসেন -হোমিও চিকিৎসক

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( D. H. M. S )
(ডি, এইচ, এম, এস) ঢাকা।

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 সকাল 09:00 — 01:00 টা।
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 চিকিৎসা : সুখবর হচ্ছে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

About The Author

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!