❤ যৌন জীবনকে সুখময় করতে যেমন নারী পুরুষ দু জনেরই ভুমিকা আছে, তেমনি ভুমিকা আছে বিভিন্ন আসনের বা কলা কৌশলেরও। যৌন মিলনে সুখ বা অধিক সুখ আনতে বিভিন্ন কলাকৌশলের ভমিকা সত্যিই আশ্চর্যজনক এবং তুপ্তময়।প্রতিদিন যদি একইভাবে মিলন কার হয়, তবে প্রথম দিকেরমত উত্তেজনা থাকে না। দিন যতই যায় মিরনের আগ্রহ ততেই রোপ পেতে থাকে। দম্পতিরা তাদের যৌন মিরনে বৈচিত্রতা এন সহজেই ধরে রাখতে পারে যৌন তৃপ্তির নিত্যনৈমত্যিক আনন্দ।চলুন শুরু করি কীভাবে সম্পন্ন করবেন সেই পদ্ধতিগুলো।
❤ মুখোমুখি অবস্থান: যৌন মিলনের শুরুতে পরস্পর পরস্পরের দিকে যৌনতার দৃষ্টিতে কিছুকষণ মুখোমুখি তাকায় থাকলে উভয়েরই উত্তেজনার সুষ্টি হবে।
❤ নারীর চেষ্টা: নারী তার যোনীতে পুরুষাঙ্গ 45 ডিগ্রী কোনে প্রবেশ করাবে।পুরুষের শিখতলি ভাবে থাকা লিঙ্গকে জাগ্রত করেব নারী। সে তার স্তন, ভঙ্গাকুর ইত্যাদির মাধ্যমে পুরুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে। প্রথমবার লিঙ্গ উথিত না হলে, পুনারয় আবার একইভাবে চেষ্টা করবে।
❤ পুরুষের চেষ্টা : নারীর যোনী মুখের পাতলা পর্দা, ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর যদি জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করে তবে নারীর উত্তেজনা খুব দ্রুত উঠে।জিহ্বা ও হাতের আঙ্গুল দ্বারা নারীর যৌন উত্তেজনা খুব দ্রুত বাড়ানো যায়। তাই এক্ষেত্রে হাতের আঙ্গুল দিয়ে যোনিতে নাড়াচাড়া করার মাধ্যমেও নারীকে উত্তেজিত করেতে পারেন।
❤ নারীর অধিগ্রহণ: নারীর যৌন অঙ্গগুলোর একটা ঘ্রাণ আছে।নারী যদি তার যৌন অঙ্গগুলো পুরুষের মুখের কাছে নিয়ে আসে, তবে যৌন অঙ্গের ঘ্রাণে পুরুষের যৌন ইচ্ছা দ্বিগুণ হয়।এর নাম নারীর অধিগ্রহণ।

❤ জি-স্পট সেক্স: নারী ইংরেজী জি অক্ষরের মতো আসনে অথ্যাৎ দু হাঁটু গেড়ে বসবে। এই অবস্থানে থাকা-কালে পুরুষ তার লিঙ্গ নারীর যোনীতে প্রবেশ করাবে। ভগাঙ্কুর হলো নারীর অন্যতম যৌন অঞ্চল। ভগাঙ্কুরে পুরুষের লিঙ্গ ছোঁয়ালেই যৌন অনুভতি হয়। একজন নারীও একজন পুরুষকে একইভাবে উত্তেজিত করতে পারে।
❤ আধুনিক হট স্পট: আসলে নারীর শলরে প্রত্যেকটি অঙ্গতেই যৌন উত্তেজনা লুকিয়ে থাকে। নারীর প্রত্যেকটি অঙ্গকে তৃপ্তির মাধ্যমেই তাকে খুশি কার সম্ভব, অন্যথায় না। বিশেষ করে পেটের এবং তলপেটের একটু নিচের দিকে ভগাঙ্কুরের মাঝামাঝি স্থানে নারী উত্তেজনার কেন্দ্রস্তল। এক এক নারীর অবার এক এক রকম।
❤ মৌখিক তীব্রতা: নারী পুরুষের যৌনাঙ্গ মুখে নিয়ে অথবা মুখের লালা দিযে ভিজিয়ে দিতে পারেন। এত পুরুষের উত্তেজনা চরম পর্যায়ে যায়। শিথীলভাব দূর করতে এই পদ্ধতি অতুলনীয়।
❤ ত্বকের উত্তেজনা: পুরুষের ত্বকে ও উত্তেজনা লুকিয়ে থাকে।পুরুষের ত্বকের বিভিন্ন জয়গায় চুম্বনের মাধমে ইন্দ্রিয়গুলো জাগ্রত হয়। তবে সব থেকে উত্তেজক অংশ হলো পৃরৃষাঙ্গের ত্বক। তবে খেয়ার রাখতে হবে যে, অত্যন্ত উত্তেজিত হয়ে নারী যেন তাতে কামড় বা বেশি জোরে আঘাত না করেণ। কারণ উত্তেজনা উছলে নারীর ও নিজের থেকে নিয়ন্ত্রন হারানোটা স্বাভাবিক।
⭕ দীর্ঘদিন সহবাস না করলে যে ক্ষতি হয়?
⭕ দীর্ঘদিন সহবাস না করলে নারী-পুরুষ উভয়ের শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিভিন্ন ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। সহবাসের অভাবে যে সব সমস্যা দেখা দিতে পারে, তা নীচে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হল:
🇨🇭 শারীরিক স্বাস্থ্য:
❤ ইমিউন সিস্টেম দুর্বলতা: নিয়মিত সহবাস ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে। গবেষণা বলছে যে, নিয়মিত যৌনসম্পর্ক স্থাপন করলে শরীরে ইমিউনোগ্লোবুলিন এ ( IgA ) নামক অ্যান্টিবডি বৃদ্ধি পায়, যা সংক্রমণ এবং রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়ক।
❤ হৃদরোগের ঝুঁকি: নিয়মিত যৌন ক্রিয়াকলাপ হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারী হতে পারে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে এই সুবিধাগুলি মিস করা হতে পারে।
❤ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: সহবাস শরীরে বিভিন্ন হরমোনের স্রাব বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, যেমন অক্সিটোসিন এবং এন্ডোরফিন। এই হরমোনগুলি মানসিক সুস্থতা এবং স্বস্তির অনুভূতি দেয়। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে এই হরমোনগুলির অভাব হতে পারে, যা শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
❤ প্রস্টেট স্বাস্থ্য (পুরুষদের ক্ষেত্রে ): গবেষণা বলছে যে, নিয়মিত সহবাস প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে প্রস্টেট স্বাস্থ্য প্রভাবিত হতে পারে।

🇨🇭 মানসিক স্বাস্থ্য:
❤ মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ: সহবাস মানসিক চাপ কমাতে এবং মানসিক স্বস্তি বাড়াতে সহায়ক। এটি শরীরে অক্সিটোসিন এবং এন্ডোরফিনের স্রাব বাড়ায়, যা স্বস্তি ও সুখের অনুভূতি দেয়। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ বৃদ্ধি পেতে পারে।
❤ আত্মবিশ্বাসের অভাব: নিয়মিত যৌন ক্রিয়াকলাপ আত্মবিশ্বাস এবং স্ব-সম্মান বাড়াতে সাহায্য করে। দীর্ঘ সময় ধরে সহবাস না করলে এই আত্মবিশ্বাসের অভাব হতে পারে।
❤ ডিপ্রেশন: সহবাসে এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিন হরমোনের স্রাব বৃদ্ধি পায়, যা ডিপ্রেশন কমাতে সহায়ক। সহবাসের অভাবে ডিপ্রেশনের লক্ষণগুলি আরও প্রকট হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ পেইরোনি রোগ peyronie’s disease, যৌন মিলনের অক্ষমতা তৈরি করে?
🇨🇭 সম্পর্কের প্রভাব:
❤ ঘনিষ্ঠতার অভাব: নিয়মিত সহবাস দম্পতির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করে। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে।
❤ অসন্তোষ:যৌন তৃপ্তির অভাবে সম্পর্কের মধ্যে অসন্তোষ এবং ঝগড়াঝাঁটি বাড়তে পারে।
শারীরিক ও মানসিক কসরত
❤ শারীরিক ফিটনেসের অভাব: সহবাস একটি ভালো শারীরিক ব্যায়াম হতে পারে। এটি ক্যালরি বার্ন করে এবং শরীরকে ফিট রাখে। দীর্ঘদিন সহবাস না করলে এই সুবিধাগুলি মিস করা হতে পারে।
⭕ পুরুষাঙ্গে হোমিও Q- মালিশ করলে কি হয়?
⭕ কি কারণে লিঙ্গে হোমিও Q- মালিশ করা প্রয়োজন। লিঙ্গ ম্যাসাজ দরকারী কিন্তু এটা খুব সাবধানে করা উচিত । কিছু পয়েন্ট যা নীচে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ।
⭕ আপনি যদি আপনার লিঙ্গ হোমিও Q- ম্যাসাজ করেন তাহলে আপনার লিঙ্গ সুস্থ থাকবে।
⭕ কিছু সুবিধা আমি নীচে তালিকাভুক্ত করেছি।

- 🩸 রক্ত সঞ্চালন বাড়বে যা আপনার যৌন কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
- 🩸 লিঙ্গ দেখতে খুব সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর হবে।
- 🩸এটি আপনার যৌন আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।
- 🩸 লিঙ্গ দাঁড়ানোর সমস্যা সমাধান হবে।
- 🩸যৌনতার সময়কাল বৃদ্ধি পাবে।
- 🩸 লিঙ্গ বাড়াতে সাহায্য করবে।
⭕ লিঙ্গ হোমিও Q- ম্যাসাজ দরকারী কিন্তু এটা খুব সাবধানে করা উচিত। প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে আপনার হাত পরিষ্কার করা হয়েছে কি না। যদি না হয় আপনার হাত পরিষ্কার করুন। খুব নরম হাতে ম্যাসাজ করা উচিত। আপনি যদি খুব রুক্ষ হাতে ম্যাসাজ করেন। তবে তা আপনার পুরুষাঙ্গের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ম্যাসাজের আগে হোমিও Q- ম্যাসাজ তেল নিতে হবে। আপনাকে হোমিও ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
⭕ আপনাকে লিঙ্গের নিচ থেকে ম্যাসাজ শুরু করতে হবে। তারপর আপনার নরম হাত দিয়ে ধীরে ধীরে উপরে যেতে হবে।
ম্যাসেজ 10 মিনিট পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। তারপর 30 মিনিটের জন্য রেখে দিন তারপর খুব স্বাস্থ্যকর জলে ধুয়ে ফেলুন।
এই ম্যাসাজটি 3 মাস করুন আপনি সেরা ফলাফল পাবেন যা আপনি আরও ভাল যৌন কর্মক্ষমতা পেতে পারেন।
🇨🇭 পুরুষাঙ্গের সমস্যা সমাধানে হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় Homeo হোমিও ওষুধ খান।
🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।
🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801973-962203
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।





