🇨🇭 ফাইব্রয়েড টিউমার যাকে মায়োমাও বলা হয়ে থাকে।ফাইব্রোয়েড টিউমার হলো প্রজননক্ষম বয়সে মহিলাদের জরায়ুতে সবচেয়ে পরিচিত একটি টিউমারের নাম।
🇨🇭 জরায়ুর পেশির অস্বাভাবিক এবং অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণেই এই টিউমারের সৃষ্টি হয়ে থাকে। যে সব মহিলাদের বয়স 30 বছরের ঊর্ধ্বে তাদের মধ্যে 20% মহিলাই এই ফাইব্রয়েড টিউমারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এক কথায় বলতে গেলে ফাইব্রয়েড হলো এক প্রকার নিরীহ টিউমার।
এটি ক্যানসারের মত সাংঘাতিক না হলেও দুটো কারণে এর সুচিকিৎসা দরকার।
⭕ সেগুলো হলো:
এর ফলে অতিরিক্ত মাসিক হওয়া এবং তার জন্য রক্তশূন্যতা হতে পারে। এটিকে বন্ধ্যাত্বের একটি অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এই ধারণা সব সময় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না-ও হতে পারে। কেননা 25% ফাইব্রয়েড টিউমার আজীবন কোনো সমস্যাই করে না। কিন্তু মোটামুটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কমবেশি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত মাসিক বা তলপেট ভারী বোধ হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হয়। 27 থেকে 40 শতাংশ ক্ষেত্রেই কেবল এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
🇨🇭 যদি নিচের ঘটনাগুলো ঘটে:
যদি ফাইব্রয়েডের কারণে জরায়ু অতিরিক্ত বড় হয়ে যায়। জরায়ুর ভেতরের দেয়ালে রক্তনালির সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভ্রূণ ঠিকমতো বেড়ে উঠতে পারে না। জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের সংযোগস্থলে বা এমন কোনো জায়গায় টিউমারটির অবস্থান হয়,যা ভ্রূণকে সুস্থিত হতে বাধা দেয়। যাঁদের বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে বা বারবার গর্ভপাত হচ্ছে, তাঁদের ফাইব্রয়েড থাকলেও বন্ধ্যাত্বের অন্য কারণগুলোকে শনাক্ত করা উচিত। কারণ, মূল সমস্যাটি ফাইব্রয়েড না-ও হতে পারে।
🇨🇭 অস্ত্রোপচারে বেশ রক্তপাত হতে পারে। 20 থেকে 25 শতাংশ ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের সময় জরায়ু কেটে ফেলে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।অস্ত্রোপচারের পর আবার ফাইব্রয়েড হওয়ার সম্ভাবনা 10 থেকে 15 ভাগ।

⭕ মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
🇨🇭 জরায়ুর মায়োমা’র লক্ষণ কোন গুলো?
🇨🇭 ইদানীং নারীদের জরায়ুর টিউমারের আধিক্য বাড়ছে। আগে তেমনটা শোনা যেত না। তবে এখন সচেতনাও বেড়েছে নারীঘটিত নানারকম রোগের। সেক্ষেত্রে বলতে হয়, জরায়ুতে টিউমার হলে আগেভাগে বুঝতে পারলে চিকিৎসা সহজ হয়ে যায়। কিন্তু টিউমার হলেতো বুঝতে হবে। তাই এর লক্ষণগুলো জানা জরুরী:
🩸 শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে টিউমারের আকার বেড়ে যায়।
🩸 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরায়ুর মসৃণ কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে টিউমার বা ফাইব্রয়েড তৈরি হয়। ডিম্বাশয়ে উৎপন্ন সংবেদনশীল হরমোন ইস্ট্রোজেনের জন্য এটা হয়ে থাকে।
🩸 শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে টিউমারের আকার বেড়ে যায়। সাধারণত গর্ভকালে ইস্ট্রোজেন বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। দেহে এর মাত্রা কমে গেলে টিউমারের আকারও সংকুচিত বা ছোট হয়। যেমন মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ কমে যায়।
🇨🇭 জরায়ুর টিউমারের লক্ষণগুলো:
🩸 পিরিয়ডের সমস্যা: একজন নারীর পিরিয়ড শুরুর দিন থেকে 05 থেকে 07 দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে 07 থেকে 10 দিন পর্যন্ত হতে পারে। জরায়ুতে টিউমার হলে রক্তপাতের পরিমাণ বেড়ে যায়। চাকা চাকা রক্তপাতও হতে পারে।
🩸 অতিরিক্ত রক্তস্রাব: টিউমার হলে পিরিয়ডের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে রক্তক্ষরণ হয়। কখনো কখনো অত্যধিক ব্যথা অনুভূত হয়।
🩸 গর্ভপাত: জরায়ুতে টিউমার হলে তা ফেলোপিয়ান টিউবকে বন্ধ করে দেয়, যা গর্ভধারণ করতে বাধা দেয়। আবার গর্ভপাত হতেও দেখা যায়।
🩸 ঘন ঘন প্রস্রাব: টিউমারের জন্য মূত্রথলিতে চাপ সৃষ্টি হয়। তাই বার বার প্রস্রাবের চাপ আসে। আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
🩸 কোমরব্যথা: বড় আকারের টিউমারের ক্ষেত্রে অস্বস্তিসহ তলপেট ফুলে যেতে পারে। আবার কোমরব্যথাও হতে পারে।
🇨🇭 এ টিউমার কোনো ধরনের লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াও থাকতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সমস্যা নিয়ে আল্ট্রাসাউন্ড করতে গেলে এটি ধরা পড়ে। টিউমারটির কারণে তলপেটে ব্যথা হয়। এটি আকৃতিতে অনেক বড় হলে অবশ্যই চিকিৎসা প্রয়োজন।
⭕ মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
⭕ অবিবাহিত মেয়েদেরও জরায়ুতে টিউমার হতে পারে!
🩸 সাধারণত জরায়ুর মাংসপিণ্ড থেকে যে টিউমার হয় সেগুলোই জরায়ুর টিউমার হিসেবে পরিচিত। তবে মাংসপিণ্ড ছাড়াও জরায়ুর ভেতরে এবং বাইরের অংশ থেকেও টিউমার হতে পারে। অনেকে মনে করে, জরায়ুতে টিউমার বেশি বয়সে এবং বিবাহিতদের হয়। কিন্তু অবিবাহিত ও অল্প বয়সীদেরও এটি হতে পারে।
🇨🇭 অবিবাহিত মেয়েদের জরায়ুতে মায়োমা কেন হয়?
🩸 এখনো সুস্পষ্টভাবে জরায়ু টিউমারের কারণ জানা যায়নি। তবে কিছু ক্ষেত্রে বংশগত, আবার কিছু গ্রোথ ফ্যাক্টর ও জিনগত কারণকে দায়ী মনে করা হয়। অবিবাহিত বা বিবাহিত মেয়েদের জরায়ুতে টিউমার হওয়ার জন্য আলাদা কোনো কারণ নেই।

🇨🇭 জরায়ুতে টিউমার হওয়ার লক্ষণ?
🩸 কোনো লক্ষণ না-ও থাকতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাসিকের পরিমাণ বেশি হয়, মাসিকে ব্যথা হয় এবং তলপেটে চাকা অনুভূত হয়।
🇨🇭 কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?
🩸 যদি মাসিকের সময় রক্ত বেশি যায়। মাসিকের সময়, আগে ও পরে অতিরিক্ত ব্যথা হয় এবং টিউমারের সাইজ যদি 12 সপ্তাহ প্রেগন্যান্সির সমান হয়।
🇨🇭 জরায়ুর টিউমারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা?
🩸 জরায়ুর টিউমারের জন্য প্রথমত, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং শুধু একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলেই বোঝা যায়। রোগীর শারীরিক অবস্থা ভালো কি না তা দেখার জন্য রক্ত, প্রস্রাব, ইসিজিসহ অনেক ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে কিছু কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।
🩸 জরায়ু অক্ষত রেখে টিউমারে অস্ত্রোপচার করলে এবং ডিন্বনালি বন্ধ না হলে গর্ভধারণ সম্ভব। তবে জরায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরে গর্ভধারণের ঝুঁকি থেকে যাবে।
🇨🇭 জরায়ু টিউমার প্রতিরোধ?
🩸 অবিবাহিত মেয়েদের জরায়ু টিউমার না হওয়ার কোনো প্রতিষেধক নেই। কিন্তু জরায়ুর মুখে যাতে ক্যান্সার না হয় সে জন্য টিকা আছে।
আরো পড়ুনঃ জরায়ু মুখের ক্ষত ও প্রদাহে || Cervicitis best homeo treatment || 01907-583252
⭕ মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা?
🇨🇭মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা / জরায়ুর টিউমার ফাইব্রয়েড!
🩸 প্রজননক্ষম বয়সের বিভিন্ন পর্বে জরায়ুতে নানা ধরনের টিউমার দেখা দিতে পারে। জরায়ুতে সবচেয়ে বেশি যে টিউমার দেখা যায়, তার নাম ফাইব্রয়েড বা মায়োমা। 30 বছরের ঊর্ধ্ব নারীদের মধ্যে এ সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি। ফাইব্রয়েড একধরনের নিরীহ টিউমার, সাধারণত এটি বড় ধরনের বিপত্তি ঘটায় না।
🇨🇭 মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা কেন হয়?
🩸 জরায়ু মসৃণ পেশিকোষ দিয়ে তৈরি। এ কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণেই জরায়ুতে ফাইব্রয়েড তৈরি হয়। ডিম্বাশয়ে উৎপন্ন সংবেদনশীল হরমোন ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়লে টিউমারের আকার বাড়ে। সাধারণত গর্ভকালে ইস্ট্রোজেন বৃদ্ধি পায়। ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমলে টিউমারের আকার সংকুচিত হয়, যেমন মেনোপজের( মাসিক বন্ধ ) পর এটা ঘটে। তবে মেনোপজের পর হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপি নিলে ফাইব্রয়েডের আকার সংকুচিত হওয়া বিলম্বিত হতে পারে।

🇨🇭 মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র লক্ষণ?
🩸 এই টিউমার লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াও থাকতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সমস্যার জন্য পেটের আলট্রাসাউন্ড করতে গিয়ে ধরা পড়ে। তবে যেসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে:
🩸 ঋতুস্রাবের সমস্যা: ঋতুচক্র 05 থেকে 07 দিনের মধ্যে শেষ না হয়ে 07 থেকে 10 দিন পর্যন্ত হতে পারে। চাকা চাকা হিসেবেও রক্তপাত হতে পারে।
🩸 ব্যথাযুক্ত ও অতিরিক্ত পরিমাণে রক্তস্রাব: টিউমারের কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তক্ষরণ হয়। কখনো কখনো অত্যধিক ব্যথা অনুভূত হয়। ফলে রক্তে আয়রনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।
🩸 বন্ধ্যত্ব বা গর্ভপাত: জরায়ুর অভ্যন্তরীণ অংশে ফাইব্রয়েড হলে তা ফেলোপিয়ান টিউবকে বন্ধ করে দেয়, যা গর্ভধারণে বাধা সৃষ্টির মাধ্যমে বন্ধ্যত্বের কারণ হয়। আবার কখনো ফাইব্রয়েডের কারণে গর্ভপাত হয়।
🩸 ঘন ঘন প্রস্রাব বা কোষ্ঠকাঠিন্য: কখনো ফাইব্রয়েড জরায়ুর সামনে অবস্থিত মূত্রথলিতে চাপ সৃষ্টি করে। ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। কখনো ফাইব্রয়েড জরায়ুর পেছনে অবস্থিত অন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
🩸 সহবাসকালীন ব্যথা: ( ভ্যাজাইনা – যোনি ) অথবা জরায়ুমুখে টিউমার হলে সহবাসের সময় অস্বস্তি বা ব্যথা হতে পারে।
🩸 তলপেট ফোলা বা কোমরব্যথা: বড় আকারের টিউমারের ক্ষেত্রে অস্বস্তিসহ তলপেট ফুলতে পারে। কোনো কোনো সময় ফাইব্রয়েডের জন্য কোমরব্যথাও হতে পারে।
⭕ মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা?
🇨🇭 এই টিউমার বিভিন্ন রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। প্রধানত, ডিজেনারেটিভ, ইনফেকশন অথবা সারকোমেটাজে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে সারকোমেটাজ বা জরায়ু ক্যানসারে রূপ নেয় মাত্র শূন্য দশমিক 01 শতাংশ ক্ষেত্রে। তাই ক্যানসার হয়ে যাবে বলে এত আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
🩸 যদি চিকিৎসার পর আবারও সমস্যা ফিরে আসে বা খুব দ্রুত টিউমার বড় হয়ে যায় কিংবা মেনোপজের পর আবার রক্তক্ষরণ শুরু হয়, তবে ক্যানসার সন্দেহ করা যেতে পারে। টিউমার অতি দ্রুত বড় হতে থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
🇨🇭 জরায়ুতে ফাইব্রয়েড থাকলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে!?
🩸 ফাইব্রয়েড হলে অত্যধিক রক্তক্ষরণ হয় এবং অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যাও শুরু হয়। জরায়ুতে এই টিউমার থাকলে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কোন কোন উপসর্গ দেখে সতর্ক হবেন?
🇨🇭 ফাইব্রয়েড কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়?
🩸 বেশি বয়সে সন্তানধারণ করার সময় অনেক মহিলাকেই বেগ পেতে হয়। এই সমস্যার অন্যতম একটি কারণ হল, জরায়ুতে টিউমার। বিনাইন টিউমারের পোশাকি নাম ফাইব্রয়েডস। সাধারণত 21 থেকে 50 বছর বয়সি মহিলাদের জরায়ুতেই এই ধরনের টিউমারের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ফাইব্রয়েডস মূলত তিনটি জায়গায় তৈরি হতে পারে। প্রথমত, জরায়ুর দেওয়ালের বাইরের দিকে, যাকে সাবসেরাস বলে। দ্বিতীয়ত, জরায়ুর দেওয়ালের মধ্যে, যাকে ইন্ট্রামিউরাল বলে এবং তৃতীয়ত, জরায়ুর যে অংশ থেকে ঋতুস্রাব হয়, তাকে বলা হয় সাব-মিউকাস। বেশির ভাগ মহিলাই সাব-মিউকাস ফাইব্রয়েডসে আক্রান্ত হন। ঋতুস্রাবের সময়ে পেটে তীব্র যন্ত্রণার অন্যতম কারণ সাব-মিউকাস ফাইব্রয়েডস। এর ফলে অত্যধিক রক্তক্ষরণ হয় এবং অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যাও শুরু হয়। জরায়ুতে এই টিউমার থাকলে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

🇨🇭 কী উপসর্গ দেখলে সতর্ক হবেন?
🩸 অনিয়মিত ঋতুস্রাব, অত্যধিক রক্তপাত এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিলেই ফাইব্রয়েডস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। অনেক মহিলাই ঋতুস্রাবের যন্ত্রণাকে অবহেলা করেন, যন্ত্রণা কমাতে বেদনানাশক ওষুধ খান। তবে এই অবহেলা কিন্তু ভবিষ্যতে বড় বিপদ ডাকতে পারে। অনেক সময়ে হঠাৎ পেট ফুলে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যও ফাইব্রয়েডসের লক্ষণ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, 7-8 মাসের অন্ত:সত্ত্বার জরায়ুর আকার যেমন হয়, এ ক্ষেত্রেও পেটের আকার তেমনই হয়ে যায়। এ ছাড়া, প্রস্রাবের হার বেড়ে যাওয়া, প্রস্রাবের সময়ে তীব্র যন্ত্রণা, তলপেটে ব্যথাও এই রোগের উপসর্গ।
🇨🇭 জরায়ুর ফাইব্রয়েডের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে কয়েকটি ( রিস্ক ফ্যাক্টর ) থাকলে অসুখের ঝুঁকি বেশি। বাড়িতে অন্যদের এই সমস্যা থাকলে রোগের ঝুঁকি তুলনামূলক ভাবে বেশি। ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন ঋতুস্রাবের সময়ে জরায়ুর লাইনিং, অর্থাৎ আবরণকে উদ্দীপিত করে। এর ফলে ফাইব্রয়েড তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এই সব স্ত্রী হরমোনই ছোট ফাইব্রয়েড বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। এই কারণেই সন্তানধারণের ক্ষেত্রে ফাইব্রয়েডের ঝুঁকি বাড়ায়।
⭕ মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা’র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা?
🇨🇭 ফাইব্রয়েডের আর কী কী অসুখ ডেকে আনে?
🩸 এই রোগে অতিরিক্ত রক্তপাতের ফলে শরীরে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ারও ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মহিলাদের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকেরও ঝুঁকি বাড়ে। ফাইব্রয়েড হলে কিডনির কার্যকারিতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ফাইব্রয়েড থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।

🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।
🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে I রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।
🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801973-962203
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।





