যোনিদ্বার এ ক্যান্সার

যোনিদ্বার এ ক্যান্সার | Vulvar Cancer | Dr. Masud Hossain

🇨🇭 যোনিদ্বার বা যোনিমুখ- Vulva, স্ত্রী বহিঃযৌনাঙ্গের একটি অংশ। এই মাংশল অংশ যোনি ও ইরেথ্রাকে ঢেকে রাখে। কপাটের মত মাংসল ভাঁজটিকে বলা হয় লেবিয়া এবং লেবিয়ার একেবারে উপরে জোড়ার কাছে যে উঁচু মাংসপিণ্ড দেখা যায় তাকে ক্লাইটোরিস বলে।

🇨🇭 বহি:যৌনাঙ্গের এই অংশে যে ক্যান্সার হয় তাকে – Vulvar Cancer বা যোনিদ্বারের ক্যান্সার বলা হয়।

💋 Vulvar Cancer – ক্যান্সার হলে যোনিমুখে পিণ্ড বা ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং একই সাথে চুলকানি হয়। যদিও এটি যে কোনো বয়সে হতে পারে, তবে বয়স্ক মহিলাদের
এটি বেশি হয়ে থাকে।

💋 অপারেশনের সাহায্যে ক্যান্সার আক্রান্ত অংশ ও এর আশেপাশের টিস্যুগুলো অপসারণের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। আবার কখনও কখনও পুরো যোনিদ্বারটিই অপসারণ করতে হয়। তবে প্রথম দিকেই এই ক্যান্সার ধরা পড়লে যোনিদ্বার অপসারণ করতে হয় না। সাধারণ সার্জারির সাহায্যেই সেক্ষেত্রে এর চিকিৎসা সম্ভব।

যোনিদ্বার এ ক্যান্সার

💋 যে ধরনের Vulvar Cancer বেশি হয়ে থাকে সেগুলো হলো:

🩸 ভাল্ভার স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা – Vulvar Squamous Cell Carinoma: যোনিদ্বারের উপরের অংশে অবস্থিত পাত ও মসৃণ কোষগুলোতে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে। অধিকাংশ যোনিদ্বারের ক্যান্সার হলো ভাল্ভার স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা।

🩸ভাল্ভার মেলানোমা – Vulvar Melanma : যোনিদ্বারের যে কোষগুলো রঞ্জক পদার্থ উৎপাদন করে থাকে ( Pigment Producing Cells ) সে কোষগুলোতে এই ক্যান্সার হয়ে থাকে।

🇨🇭 যোনিদ্বার এ ক্যান্সার এর কারণ:

🩸 ঠিক কি কারণে Vulvar Cancer হয়ে থাকে তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তবে ধারণা করা হয় কোষের DNA তে কোনো পরিবর্তন আসলে এই ক্যান্সার হয়। DNA এর এই পরিবর্তনের জন্য খুব দ্রুত কোষ বিভাজিত হয় ও বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর ফলে কোষের সংখ্যা
স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায় ও টিউমার গঠন করে। এই টিউমার থেকে ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে যা আশেপাশের টিস্যু ও শরীরের অন্যান্য অংশের ক্ষতি করে থাকে।

আরো পড়ুনঃ  যে কথা গুলো যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 যোনিদ্বার এ ক্যান্সার এর লক্ষণ:

🩸 Vulvar Cancer রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

  • 🩸 পিঠের ব্যথা ( Back Pain.)
  • 🩸 সারা শরীরে ব্যথা ( Ache All Over.)
  • 🩸পেল্ভিসে বা শ্রোণীচক্রে ব্যথা হওয়া ( Pelvic Pain.)
  • 🩸 অস্বাভাবিক অনৈচ্ছিক নড়াচড়া ( Abnormal Involuntary Movements.)
  • 🩸 অনিদ্রা ( Insomnia.)
  • 🩸 স্তনের চাকা/পিণ্ড (Lump Or Mass Of Breast.)
  • 🩸 দুর্বলতা ( Weakness.)
  • 🩸 তরল জমা হওয়া ( Fluid Retention.)
  • 🩸পায়ে পানি আসা ( Peripheral Edema.)
  • 🩸অসুস্থ বোধ করা (Feeling I’ll.)
  • 🩸 আবেগগত সমস্যা ( Emotional Symptoms.)
  • 🩸কনুইয়ের দুর্বলতা ( Elbow Weakness.)
যোনিদ্বার এ ক্যান্সার

💋 Vulvar Cancer ঝুঁকি:

💋 যোনিদ্বারে ক্যান্সার হওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো:

  • 💋 বয়স বাড়ার সাথে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। সাধারণত 65 বছর বয়সের দিকে মহিলাদের এই ক্যান্সার বেশি হয়ে থাকে।
  • 💋 হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের ( Human Papillomavirus.)
  • 💋 Sexual সংস্পর্শে আসলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। সংক্ষেপে এই ভাইরাসকে বলা হয় এইচ-পি-ভি (HPV)।
  • 🩸 HPV- ভাইরাস যৌন মিলনের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। এই ভাইরাস দ্বারা যোনিদ্বারের ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সার হতে পারে।
  • 🩸 সাধারণত যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হলে এই ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে।
  • 💋 কখনও কখনও এই ভাইরাসের দ্বারা কোষের পরিবর্তন ঘটে ও ভবিষ্যতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

🩸 ধূমপানের কারণে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। HIV ভাইরাসের কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। যার ফলে HPV ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় ও একই সাথে যোনিদ্বারে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

💋 যোনিদ্বারের ত্বকে কোনো সমস্যা বা চর্মরোগ থাকলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যেমন: লিচেন স্ক্লেরোসাসের – Lichen Sclerosis ) কারণে ত্বকে চুলকানি হয় ও ত্বক পাতলা হয়ে যায়। যার ফলে যোনিদ্বারে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

🇨🇭 যারা Vulvar Cancer ঝুঁকির মধ্যে আছে:

🛑 লিঙ্গ: মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

🛑 জাতি: শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। হিস্প্যানিক ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা 01 গুণ কম। অন্যান্য জাতির মধ্যে
এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা 39 গুণ কম।

💋 যোনিদ্বারে ক্যান্সার- Vulvar Cancer ধরা পড়লে কিভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হয় ?

উত্তর: অপারেশনের সাহায্যে অথবা রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির সাহায্যে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। আবার কখনও কখনও অপারেশন ও রেডিয়েশন থেরাপি দু’টির সাহায্যেই ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে কোন পদ্ধতির সাহায্যে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করা হবে তা নির্ভর করে ক্যান্সারের অবস্থান ও পর্যায়ের উপর।

💋 অপারেশনের সাহায্যে এই ক্যান্সার থেকে সম্পূর্নরূপে আরোগ্যলাভ সম্ভব কি ?

উত্তর: ক্যান্সার প্রথম পর্যায়ে ধরা পড়লে তা সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়ে যায়। ক্ষতের আকার ছোট হলে ক্যান্সার ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেমন: ক্ষতের আকার যদি 02 সেমি এর কম
হয় তাহলে 60-80% রোগীর অপারেশনের পর আরও পাঁচ বছর বেশি বাঁচার সম্ভাবনা থাকে।

🇨🇭 চিকিৎসা : সুখবর হচ্ছে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

ডা.মাসুদ হোসেন -হোমিও চিকিৎসক

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( D. H. M. S )
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 সকাল 09:00 — 01:00 টা।
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

About The Author

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!