মহিলাদের যোনি টাইট , ব্রেস্ট বড় ও পুরুষদের পুরুষ অঙ্গ মোটা হওয়ার হোমিও চিকিৎসা কার্যকরী।

মহিলাদের যোনি টাইট , ব্রেস্ট বড় ও পুরুষদের পুরুষ অঙ্গ মোটা হওয়ার হোমিও চিকিৎসা কার্যকরী।

🇨🇭 সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। তাহলে মহিলাদের যোনি টাইট হয়, ব্রেস্ট বড় হয় ও পুরুষদের পুরুষ অঙ্গ মোটা হয়।
কোন সাইড ইফেক্ট হয় না।

🇨🇭 পুরুষের পুরুষাঙ্গ মোটা এবং নারীর যৌনাঙ্গ যদি টাইট ব্যাসবিশিষ্ট ও দৈর্ঘ্যযুক্ত হয় তা হলে সঙ্গমকালে উভয়ে বেশ সমান আনন্দ পেতে পারে একে বলা হয় পূর্ণ মিলন বা সম আনন্দ।

🇨🇭 যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে পুরুষের পুরুষাঙ্গ মোটা এবং নারীর যৌনাঙ্গ যদি টাইট করতে পারবেন। হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় Homeo হোমিও ওষুধ খান।

🇨🇭 পুরুষ ও মহিলাদের যৌনাঙ্গের বিভিন্ন প্রকার:

🇨🇭 পুরুষদের শ্রেণীবিভাগ:

🇨🇭 নারী ও পুরুষের সংযুক্ত রতিক্রিয়ায় উভয়ের যে চরম উল্লাস হয় তার অধিকাংশ নির্ভর করে মন ও শরীরের ওপর।

🇨🇭 মনস্তত্ত্বের দিক দিয়ে বলা যায় নারী ও পুরুষের মন পরস্পরের দিকে যথেষ্ট আকৃষ্ট থাকলে অর্থাৎ উভয়ের ভালবাসা পরস্পরের প্রতি প্রবল হলে এই যৌন সঙ্গমের সূখ খুব উচ্চস্তরের হয়।
কিন্তু দেহাংশের ওপরেও এই সুখ কোধ অনেকটা নিভর করে। কেননা পুরুষের পুরুষাঙ্গ নারীর যোনির ভেতর প্রবেশ করে ঘর্ষণ করলে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে এবং সেই সময়ই পুরুষের সুখ সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘটে। নারীরও যোনি ঘর্ষণে ও তথা থেকে রস স্খলনেই অধিক মাত্রায় সুখ অনুভূত হয়।

🇨🇭 সুতরাং পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ও নারীর যোনির বিস্তারের ওপরেই নারীর সুখ বোধ নির্ভর করে।

মহিলাদের যোনি টাইট , ব্রেস্ট বড় ও পুরুষদের পুরুষ অঙ্গ মোটা হওয়ার হোমিও চিকিৎসা কার্যকরী।

🇨🇭 পুরুষের পুরুষাঙ্গ সাধারণতঃ তিনভাবে বিভক্ত।

1.শশকীয়।

2.বৃষকীয়।

3.অশ্বকীয়।

🩸 শশকীয় লিঙ্গ:

তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের।তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।

আরো পড়ুনঃ পুরুষ বেশি সেক্সি , নাকি নারী !
🩸 বৃষকীয় লিঙ্গ:

এরূপ ব্যক্তিও কিছু পরিমাণে মধুরভাষী হয়। তার ঘাড় গর্দান বলিষ্ঠ, কর্কশ কণ্ঠস্বর, রক্তবর্ণ হস্ত পদ এবং গতি চমৎকার। তার ভ্রূ খাড়া এবং পেট কচ্ছপাকারে গোলাকার। তার বীর্য এবং দেহ থেকে লবণাক্ত আস্বাদ বের হয়। তার গতি মাঝারি রকমের কিন্তু তিক্ত স্বাভাব। তার পুরুষাঙ্গ নয় আঙ্গুল দীর্ঘ।

🩸 অশ্বকীয় লিঙ্গ:

এরূপ লোক সাধারণতঃ বাচাল, মুখ হয় লম্বা। লম্বা ও সরু কান, মাথা ও অধর ওষ্ঠ সরু।
তার কেশ ঘন সন্নিবিষ্ট ও বক্র।
তার হাত পা খুব লম্বা এবং দৃঢ়।
তার লম্বা অঙ্গুলি কিন্তু নখের চেহারা সুগঠিত। তার স্বর যেন মেঘ গর্জন এবং সে দ্রুত পা ফেলে হাঁটে। তার শুক্র থেকে যেন মদের গন্ধ বের হয়। তার পুরুষাঙ্গ প্রায় বারো আঙ্গুল লম্বা হয়ে থাকে।

🇨🇭 নারীর যোনিও তিনভাগে বিভক্ত।

1.হরিণী যোনি।

2.ঘোটকী যোনি।

3.হস্তিনী যোনি।

তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের। তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
🩸 হরিণী যোনি:

এদের চটুল চক্ষুতে লাল রেখা থাকে। তাদের মুখ পদ্মের মত প্রফুল্ল, বাবলা জাতীয় গাছের ফুলের মত তাদের গাত্র চর্ম কোমল হয়। এদের স্তনও হয় কদম্ব গাছের ফুলের মত গোলকার বিশিষ্ট ও নরম। গাত্র চর্ম হয় চম্পা পুষ্পের মত শ্বেতবর্ণ, টিয়াপাখীর নাকের মত তাঁদের নাসিকা তীক্ষ্ণ ও লম্বা, দন্ত হয় মুক্তার মতো এবং গমনধারা হয় রাজহংসীর মত। কোকিলের মত কণ্ঠস্বর হয় সুমধুর। হরিণীর মত হয় গ্রীবা। তাঁরা গুরুজন ব্রাহ্মণ, শিক্ষক ও দেবদেবীর প্রতি বিশেষ ভক্তিমতী হয়। শুভ্র বসন পরিধান করে। খায় খুব অল্প পরিমাণে। যদিও এরা বিলাসবর্তী হয় না। তথাপি অনুভূতিতে বেশ পারদর্শিনী।
কথা বলে কম, ঘুমায় অল্প। তাঁদের যোনি ছয় আঙ্গুল গভীর এবং পদ্মগন্ধা।

🩸 ঘোটকী যোনি:

কৃশা ও স্থূলকায় হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘকায় বহুবর্ণ বিশিষ্ট বেশভূষা এদের প্রিয় জিনিস। এরা ধৈর্যহীনা, এদের স্তন হয় শিথিল। চক্ষু হয় কাপর্দ ও শ্যামবর্ণ কিন্তু বাঁকা চোখে কটাক্ষ মারতে খুব পটু। এরা তাড়াতাড়ি হাঁটে। পুরুষের সঙ্গে সহবাসে বড়ই প্রিয় এবং রতি কলায় দংশন আঁচড় এবং চিমটিতে বড়ই অগ্রসর।
সুবিধা হলে অত্যধিক মদ্য পান করতে পারে। এদের কণ্ঠস্বর কর্কশ এবং চিৎকার প্রবণ। লম্বা লম্বা দাঁত এবং খাঁড়া খাঁড়া চুল এদের বিশেষত্ব। অত্যন্ত নিদ্রালু। এদের যোনি হয় নয় আঙ্গুল গভীর এবং মৎস্যা গন্ধ্যা।

🩸 হস্তিনী যোনি:

এদের গতি ভঙ্গী হস্তিনীর মত। এদের আঙ্গুল হয় মাংসল এবং বাঁকা বাঁকা। গ্রীবা হ্রস্ব এবং মাংসল হয়ে থাকে। ওষ্ঠাধর হয় পুরু পুরু। নিতম্ব বিশেষ চর্বিযুক্ত। প্রচুর খাদ্য খেতে পারে। এরা হস্তিনীর মত নিদ্রা যায়।
এদের অঙ্গে বহু লোম থাকতে দেখা যায়, আচরণ হয় নির্লজ্জ। এর সর্বদাই পুরুষ সহবাসের জন্য প্রস্থত কিন্তু বেশির ভাগই দেখা যায় অর্থের বিনিময়ে।
এদের যোনি খুব প্রশস্ত এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনও আকারের লিঙ্গ ধারণ করতে পারে।

🇨🇭 পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য:

পুরষের পুরুষাঙ্গ ছয়, নয় এবং বারো আঙ্গুল দীর্ঘ হয়ে থাকে এবং দৈর্ঘ্য অনুযায়ী স্থূলত্বও কম বেশী হয়ে থাকে।

🇨🇭 নারীর যোনির দৈর্ঘ্য:

নারীর যোনিও ছয়, নয় ও বারো আঙ্গুল হতে পারে। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী বা উত্তেজনায় এদের যোনির ব্যাস মাংসপেশীর ক্রিয়ার দরুন কম বেশী হতে পারে।

🇨🇭 পুরুষের পুরুষাঙ্গ এবং নারীর যৌনাঙ্গ যদি সমান ব্যাসবিশিষ্ট ও দৈর্ঘ্যযুক্ত হয় তা হলে সঙ্গমকালে উভয়ে বেশ সমান আনন্দ পেতে পারে একে বলা হয় পূর্ণ মিলন বা সম আনন্দ।
কোন শশকলিঙ্গ পুরুষ যদি হরিণী যোনিবিশিষ্ট্য নারীর সহিত সঙ্গম কার্য্য করে অথবা কোন বৃষ লিঙ্গ পুরুষ যদি হস্তিনী নারীর সঙ্গে সহবাস করে-তা হলে পুরুষাঙ্গ ও যোনি ঠিক খাপে খাপে লাগতে পারে।

তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের।
তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
🇨🇭 অসমান রতি:

এই অসমান রতিক্রিয়া ছয়ভাগে বিভক্ত হয়:

১। শশকীয় পুরুষ ও ঘোটকীয় নারী। ২। ঘোটকীয়া পুরুষ ও হস্তিনী নারী। ৩। বৃষকীয় পুরুষ ও হস্তিনী নারী। ৪। ঘোটকীয় পুরুষ ও হরিণী নারী। ৫। ঘোটকীয় পুরুষ ও ঘোটকীয়া নারী।

🇨🇭 অসমান সহবাসের অন্য বিভাগ:

অসমান সহবাস আবার দুই শ্রেণীতে বিভক্ত যথা:

🩸 যদি পুরুষের লিঙ্গ নারী যোনির গভীরতাকে ছাড়িয়ে যায় যেমন বৃষ জাতীয় পুরুষ হরিণী জাতীয় পরুষ হরিণী জাতীয়া নারীর যদি সঙ্গম হয় তাকে বলা হয় কলিন যোগ। কিন্তু ঘোটকীয় পুরুষাঙ্গ এবং হরিণীর যোনিকে বলা হয় কঠিনতর যোগ কেননা এই শ্রেণীর পুরুষ ও নারীর সহবাস অত্যন্ত কষ্টকর হয় ও বেদনাদায়ক হতে পারে।

🩸 অপরপক্ষে শশকীয় পুরুষ ও ঘোটকীয় নারীর সহবাস অথবা বৃষ ও হস্তিনীর সহবা হয় শিথিল যোগ। এই দুই প্রকার রতিক্রিয়ার মধ্যে বৃষ ও হস্তিনীর সহযোগ শিথিলতর যোগ হয় কারণ যদিও পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণভাবে যোনির মধ্যে হয়তো অর্ধেকের বেশি প্রবেশ করতে পারে না।

🩸 এক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ ও যোনির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ এমন ব্যবধান হয় যে এরূপ সহবাসে সাধারণত সুখ ও ও অনুভূতি কিছুই হতে পারে না।

🇨🇭 আরামপ্রদ সঙ্গম:

সর্বপ্রকার সঙ্গমের মধ্যে কেবল তিন প্রকার সঙ্গম সবচেয়ে বেশি আরামদায়ক।

কিন্তু কঠিন যোগ ও শিথিল যোগ সহবাস মাত্র মাঝামাঝি আনন্দ দান করতে পারে।

কিন্তু কঠিনতর যোগ ও শিথিলতর যোগ সব প্রকার রতির মধ্যে অধম প্রকৃতির। এতে সম্পূর্ণ সঙ্গম সুখ সম্ভবপর হয় না।

কিন্তু কঠিন যোগ ও শিথিল যোগের মধ্যে কঠিন যোগ অধম প্রকৃতির। এতে সম্পূর্ণ সঙ্গম সুখ সম্ভবপর হয় না।

কিন্তু কঠিন যোগ ও শিথিল যোগের মধ্যে কঠিন যোগ অপেক্ষকৃত ভাল, কারণ এতে যোনি অঙ্গ পুরুষাঙ্গের ঘর্ষণ বিশেষ আনন্দপ্রদ ও নারীর তৃপ্তিদায়ক।

এ সব সঙ্গমে নায়কের পুরুষাঙ্গ আরও কঠিনতর সন্নিবেশিত হলেই নারী তার উরুদ্বয় ছড়িয়ে দেয়-তাতে পুরুষের দীর্ঘাকার ও বৃহদাকার লিঙ্গ ভালভাবে প্রবেশ করতে পারে।

🇨🇭 স্থুলাকার পুরুষাঙ্গ সংকীর্ষ যোনির মধ্যে প্রবেশ করাতে যোনির আগে ঘর্ষণ হয়-তাতে নারীর কাম অনেকটা শান্ত হয়- নারীর প্রবল সুখ ঘটে থাকে।

🇨🇭 কিন্তু যদি তার উল্টো হয় অর্থাৎ পুরুষাঙ্গ যদি যোনির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ছোট হয় তাতে নারীর সুখবোধ কিছুটা কম হয়ে থাকে সন্দেহ নেই।

তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের।
তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
🇨🇭 কামোত্তজনার প্রভাব:

নারী পুরুষের যৌন মিলনের সুখ, কাম উত্তেজনার প্রভাবের উপর অনেকটা নির্ভর করে।

পুরুষের কাম উত্তেজনা যদি প্রবল না হয়, তাদের সঙ্গমকাল যদি বেশীক্ষণ স্থায়ী না হয় অথবা সঙ্গমকালে যদি পুরুষের শুক্র কম বের হয়, তা হলে এই সহবাসে অংশভাগিনীর সুখ বেশী হয় না।

কিন্তু যাদের কাম তীব্র তাদের রতিক্রিয়ায় নারী বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে।

🇨🇭 দুর্বলকাম, মধ্যমকাম ও তীব্রকাম পুরুষ:

যে সব পুরুষ নারীর চুম্বন, অধর দংশন, আঁচড়ানো, কামড়ানো বিশেষ পছন্দ করে না বা তাতে উত্তেজিত হয় না, সে সব পুরুষের দ্বারা যৌন মিলন করলে, নারী সুখী হয় না। এরূপ পুরুষকে বলা হয় দুর্বল কাম পুরুষ।

যে পুরুষের কাম উত্তেজনা মাঝারী রকমের তাকে বলা হয় মধ্যম কাম।

আর যে সব পুরুষের কাম উত্তেজনা খুব প্রবল রকমের এবং যার বীর্য্যপাত প্রচুর পরিমাণে ঘটে এবং যে পুরুষ তার সঙ্গে রতি ক্রিয়াকারিণী নারী চুম্বন, আলিঙ্গন ও আঁচড়ানো কামড়ানোতে বেশ আনন্দে যোগদান করে সে পুরুষকৈ বলা হয় কামুক পুরুষ বা তীব্র কাম হতে পারে।

🇨🇭 বিভিন্ন প্রকার সমকাম ও অসমান কাম:

সমকাম বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। দুর্বল, মধ্যম ও প্রবল কাম পুরুষের সঙ্গে যথাক্রমে দুর্বল, মধ্যম ও প্রবল কাম নারীর মিলন। অসমান কাম নারী ও পুরুষের মিলন হয় ছয় ধরনের।
সেগুলি হলো:

(ক) দুর্বল কাম পুরুষের সঙ্গে মধ্যমা কাম নারীর মিলন।
(খ) দুর্বল কাম পুরুষ, তীব্র কাম নারীর মিলন।
(গ) মধ্যম কাম পুরুষ, দুর্বল কাম নারীর মিলন।
(ঘ) মধ্যম কাম পুরুষ, তীব্র কাম নারীর মিলন।
(ঙ) তীব্র কাম পুরুষ, দুর্বল কাম নারীর মিলন।
(চ) তীব্র কাম পুরুষ, মধ্যম কাম নারীর মিলন।

🇨🇭 রতিক্রিয়ার সময়:

কতো সময় ধরে যৌনাঙ্গ মিলন হতে পারে সেই সময়ের ওপরেও নারী ও পুরুষের প্রভেদ নিরূপণ করতে পারা যায়। কেউ অল্পক্ষণ স্থায়ী সঙ্গমকামী,কেউ মধ্যকাল সঙ্গমকারী, কেউ বা বহুক্ষণ ব্যাপী সঙ্গমকারী।

একই সময় ব্যাপী সঙ্গম উভয় পক্ষে হলেই সেই সঙ্গম সর্বোৎকৃষ্ট বলে ধরা হয়।

স্ত্রী পুরুষ উভয়েরই দীর্ঘকাল স্থীয় সঙ্গম, মধ্যকাল ব্যাপী সঙ্গম বা অল্পকাল স্থীয় সঙ্গম হতে পারে। উভয় পক্ষেই কাল সমান হলে উভয়েরই সমস্থষ্টি ঘটে।

তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের।
তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
🇨🇭 নারীর উল্লাস:

কামশাস্ত্র লেখক উদ্দলক বলেন পুরুষের যেমন সঙ্গম শেষে বীর্য্যপাত ঘটে, নারীর সেরূপ ঘটে থাকে। পুরুষ যেমন রতিক্রিয়া আরম্ভ হওয়ার সময় থেকেই স্নায়বিক আনন্দ অনুভব করতে থাকে এবং কিছুক্ষণ ধরে রতিক্রিয়া করার পর তার স্থানীয় স্নায়ুগুলি এমন উল্লাসের সৃষ্টি করে যে বীর্য্যপাত হবার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহ মনে সুখ বোধ চরম হয়ে ওঠে। সে আনন্দ ও স্নায়ু চাঞ্চল্য একেবারে অভূতপূর্ব ও সর্বাধিক হয়ে থাকে।

🇨🇭 নারীর রতি ক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা আরম্ভে ততটা সুখ ও উল্লাস অনুভব করে না। শুধু যোনি নালীর মধ্যে সুখ অনুভব করে।

🇨🇭 নারীর স্তনের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা?

🇨🇭 নারীশরীর এমনিতেই রহস্যে মোড়া। মহিলাদের স্তনযুগলের সুডৌল গড়নের প্রতি আকৃষ্ট হননি, এমন পুরুষ দুনিয়ায় খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর শুধু পুরুষদের কথাই বা বলছি কেন, মহিলাদেরও নিজেদের স্তন নিয়ে গর্বের শেষ নেই। স্তনের আকৃতি, গঠন নিয়ে তাঁরা সদা সচেতন। অন্তর্বাস পরার আগে খুঁতখুঁতে হন অশিকাংশ মহিলাই। কিন্তু জানেন, স্তনের প্রতি পুরুষদের এহেন দুর্নিবার আকর্ষণের কারণ কী? হাফিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। পড়ুন তেমনই 10 টি কারণ:

10.প্রথমত এক সুন্দরী মহিলার সুগঠিত স্তন দেখতে অত্যন্ত সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন হয়। আকৃতি যেরকমই হোক না কেন- কোনও মহিলার স্তনের সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষরা আকৃষ্ট হবেনই। মহিলাদের ব্যক্তিত্বে এক অনন্য মাত্রা যোগ করে স্তনের আকৃতি। শুনতে খানিকটা খারাপ লাগলেও, মহিলাদের শরীরের যে অংশে পুরুষদের চোখ সবার আগে আটকে যায়, তা হল স্তন।

2.নারীত্বের প্রতীক হল স্তন। পুরুষদের শরীরে বিভাজিকা খুব একটা দেখা যায় না। তাঁদের শারীরিক গঠন সোজাসাপটা। অন্যদিকে, মহিলাদের শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিভাজিকা রয়েছে তাঁদের বক্ষযুগলেই। ওই ‘কার্ভ’ নারীত্বের প্রতীক, গর্ব, কখনও অহংকারও। আর সে কারণেই ডাকসাইটে হলি থেকে টলি অভিনেত্রীরাও স্তনের আকার নিয়ে সদা সচেতন। প্রয়োজনে স্তনের আকার বাড়াতে ছুরি-কাঁচি চালাতেও দ্বিধা করেন না তাঁরা।

3.আদিকাল থেকেই সুগঠিত, উর্বর নারীদেহের প্রতি পুরুষরা আকর্ষিত হয়েছেন। যে মহিলাদের স্তন সুগঠিত, সুউচ্চ ও ভরাট, তাঁদের দেখে পুরুষদের মনে কামনার স্ফুলিঙ্গ জ্বলে ওঠে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর পিছনে শারীরিক ছাড়াও রয়েছে খানিকটা মানসিক কারণও। ওই যে প্রথমেই বললাম, উর্বর ও সন্তান উৎপাদনে সক্ষম মহিলাদের স্তনযুগল সুন্দর হবে, এই ধারণা অতীত থেকেই পুরুষদের মনে বদ্ধমূল হয়ে রয়েছে। তাই যে সমস্ত মহিলারা সুডৌল স্তনের অধিকারী হন, তাঁদের সঙ্গী হিসাবে অগ্রাধিকার দেন পুরুষরা।

4.পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে শারীরিক গঠনের বেশ কিছু পার্থক্য থাকে। সব পার্থক্য সাধারণত বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। সেক্ষেত্রে মহিলাদের স্তনযুগলের ‘শেপ’ ও ‘সাইজ’ বাইরে থেকেই খানিকটা আঁচ করা যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। পুরুষদের মনে কামনার আগুন জ্বলতে শুরু করে। পোশাকি ভাষায় একে বলে ‘ভিজুয়াল স্টিমুলেশন’। অর্থাৎ, স্তনের গঠন দেখেই পুরুষদের কামোত্তেজনা জাগতে শুরু করে দেয়।

5.নারীশরীরের অন্দরমহলে প্রবেশপথের দরজা হল তাঁর স্তন। সঙ্গমের আগে স্তনযুগল ছুঁয়ে দেখে পুরুষদের কামভাব জাগ্রত হয়। অর্গ্যাজমের সূত্রপাত হয়। ধীরে ধীরে সেই কামনার আগুন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। হরমোনাল অ্যাকটিভিটি একাধাক্কায় বেড়ে যায় অনেকটাই।

6.পূর্ণ মিলনের আগে ‘ফোরপ্লে’-র ক্ষেত্রে স্তনের জুড়ি মেলা ভার। মিলনের আগে স্তন ছাড়া ফোরপ্লে করতে জানেন না অধিকাংশ পুরুষই, এমনটা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্তন, বিশেষত স্তনবৃন্ত নিয়ে খেলা করতে ভালবাসেন রতিক্রিয়ায় পারদর্শী পুরুষরা।

7.স্তনের গঠন ও ‘ইলাস্টিসিটি’র জন্য এ নারীঅঙ্গ ছুঁয়ে দেখতেও ভারী পছন্দ করেন পুরুষরা। এখানে মহিলাদের একটি বিশেষ স্বভাবের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। যে পুরুষরা প্রেমিকা বা স্ত্রীর স্তন খুব যত্ন সহকারে, ভালোবেসে ছুঁয়ে দেখেন, তাঁদের দায়িত্বশীল বলে মনে করেন অধিকাংশ মহিলাই।

8.স্তনযুগল হল নারীশরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যে মুহূর্তে পুরুষদের চোখ স্তনের দিকে যায়, তখন থেকেই তাঁরা কামোত্তেজক চিন্তাভাবনা শুরু করে দেন। মহিলাদের পোশাকের নিচে উদ্ধত স্তনের আসল আকৃতি সম্পর্কে ভাবতে শুরু করে দেন। যতক্ষণ না সেই স্তন সম্পর্কে যাবতীয় রহস্যভেদ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত একজন স্বাভাবিক পুরুষকে ওই চিন্তা তাড়া করে বেড়ায়।

9.ক্লিভেজ ছাড়া স্তনের আসল মজাটাই মাটি। লো-কাট টপ বা সাহসী পোশাক পরিহিতা মহিলাদের বিলোল বিভাজিকার প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন পুরুষরা। তবে যে মহিলাদের বিভাজিকা সেভাবে প্রকট নয়, সেক্ষেত্রে গোটা শরীরটাকেই ভালবাসেন পুরুষরা।

10.বেশ কয়েকটি কারণে পুরুষরা স্তনের মধ্যে শান্তির আশ্রয় খুঁজে পান। দিনভর কাজ, ডিপ্রেশন, চাপ, টেনশনের পর স্তনে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে ভালবাসেন। গবেষণা বলছে, যে ব্যক্তিরা প্রতিদিন অন্তত 15 মিনিট করে সঙ্গিনীর স্তনে মাথা রেখে শোন, তাঁরা বেশিদিন বাঁচেন, সুস্থ থাকেন।

🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন। হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় Homeo হোমিও ওষুধ খান।

ডা.মাসুদ হোসেন -হোমিও চিকিৎসক

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!