যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?

যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?

🇨🇭 Sexually Transmitted Disease( STDs ):

🩸 মানুষের মধ্যে যৌন মিলনের ফলে ছড়িয়ে পড়া রোগ ( STDs ) এবং সংক্রমণ ( STIs ) নিয়ে সেরকম স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই। অনেকেই এই দুই সমস্যাকে একই মনে করে থাকেন।

🩸 যৌন সমস্যা সম্পর্কে বেশির ভাগ মানুষই খোলাখুলি আলোচনা করতে অস্বস্তিবোধ করেন। এমনকী, যৌন সংসর্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণ এবং রোগ দেখা দিলে সেটা নিজের সঙ্গীকেও জানিয়ে উঠতে পারেন না তাঁরা। আসলে এই ধরনের সমস্যা কিন্তু যৌন জীবনেরই অঙ্গ। তাই কুণ্ঠা না-রেখে সঙ্গীর সঙ্গে এমন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। এমনকী বয়:সন্ধিকালে নিজের সন্তানকেও এই বিষয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে।

🩸 আসলে মানুষের মধ্যে যৌন মিলনের ফলে ছড়িয়ে পড়া রোগ ( STDs ) এবং সংক্রমণ ( STIs ) নিয়ে সেরকম স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই। অনেকেই এই দুই সমস্যাকে একই মনে করে থাকেন। ব্যাপারটা আদতে কিন্তু তা নয়। দু’টো সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আসলে প্রথমেই যেটা দেখা দেয়, সেটা হল- যৌন সংসর্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণ ( STIs )। আর এই সংক্রমণের জন্য দায়ী কোনও ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা পরজীবী। পরবর্তীকালে এই সংক্রমণই ধীরে ধীরে রোগের ( STDs ) আকার ধারণ করে। আর এর চিকিৎসা না-হলে কিন্তু বিপদ! অনেকেই আবার জানেন যে, যৌন সঙ্গমের কারণেই এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। তবে অনেকেই যেটা জানেন না, সেটা হল এই ধরনের রোগ কিন্তু এক জনের থেকে আর এক জনের দেহে বাহিত হতে পারে। কিন্তু কীভাবে? আজ সেই বিষয়েই আলোচনা করে নেব।

যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?

🩸 ওরাল সেক্স ( Oral Sex ): যৌন জীবনের অন্যতম অঙ্গ হল ওরাল সেক্স। আসলে এক্ষেত্রে যৌন পরিতৃপ্তির জন্য মুখ, ঠোঁট, জিভ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যদিও ওরাল সেক্স বা মৌখিক যৌনতার মাধ্যমে গর্ভসঞ্চার সম্ভব নয়, তবে এই ধরনের যৌনতায় কিন্তু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। তবে এটা প্রতিরোধ করারও উপায় রয়েছে। ঠিক যেভাবে কন্ডোমের মাধ্যমে যৌনবাহিত সংক্রমণকে রুখে দেওয়া যায়, ঠিক সেভাবেই মৌখিক মিলনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণও ঠেকানো সম্ভব। তার জন্য ওরাল সেক্সের সময় ব্যবহার করতে হবে জিভের কন্ডোম, ডেন্টাল ড্যাম ইত্যাদি। এগুলিকে আবার ওরাল কন্ডোমও বলা হয়। আর এর ব্যবহারের ফলে আটকানো যাবে ক্ল্যামিডিয়া, হারপিস, গনোরিয়া, সিফিলিস এবং এইচপিভি-র মতো সংক্রমণ।

🩸 পায়ুসঙ্গম বা অ্যানাল সেক্স ( Anal Sex ): যৌন সঙ্গমের মতো পায়ুসঙ্গমের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে সংক্রমণ। এক্ষেত্রেও কিন্তু দেহতরল এক জনের দেহ থেকে অন্য জনের দেহে বাহিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যান্য যৌনক্রিয়ার তুলনায় পায়ুসঙ্গমের ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা সব থেকে বেশি। আর এই অ্যানাল সেক্সের মাধ্যমে ছড়াতে পারে কিছু সাধারণ যৌন রোগ। তাই এই ধরনের সমস্যা রুখতে পায়ুসঙ্গমের সময় ব্যবহার করা উচিত কন্ডোম।

🩸 ত্বকের সংস্পর্শ ( Skin Contact ): হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস বা এইচপিভি ( HPV ), হারপিস, সিফিলিসের মতো কিছু কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ ত্বকের সংস্পর্শেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। আর তা প্রতিরোধ করতে যৌন ক্রিয়ার আগে ব্যবহার করা যেতে পারে ল্যাটেক্স কন্ডোম। তবে এই ধরনের সংক্রমণ কিন্তু প্রতিরোধ করা বেশ কঠিন।

আরো পড়ুনঃ  যৌন অক্ষমতার স্থায়ী চিকিৎসা ও পরামর্শ?

⭕ যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?

🩸 রক্তের মাধ্যমে: বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যৌন মিলনের সময়ই ছড়িয়ে পড়ে এসটিআই অথবা এসটিডি। তবে হেপাটাইটিস বি এবং এইচআইভি-র মতো যৌন রোগ কিন্তু ছড়িয়ে পড়ে রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে, এই ধরনের রোগীর জন্য ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ছুঁচ অন্য সুস্থ ব্যক্তির দেহে ব্যবহার করলে সেই ব্যক্তিও ওই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

🇨🇭 প্রতিরোধের উপায়: যৌন মিলনের সময় প্রোটেকশন তো ব্যবহার করতেই হবে। এর সঙ্গে মানতে হবে আরও কয়েকটি বিষয়। সেগুলি হল-যৌন জীবন এবং যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। যদি একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয়। হেপাটাইটিস বি এবং এইচপিভি-র ভ্যাকসিন নিতে হবে।

🩸 চুল উঠে যাওয়া: চুল পড়ার সমস্যা তো সাধারণ ক্ষেত্রে দেখা দিতেই পারে। এবার চুল পড়ার পিছনে থাকতে পারে যৌনরোগও। এক্ষেত্রে সিফিলিস রোগটির দ্বিতীয় পর্যায়ে দেখা দিতে পারে এই সমস্যা। এবার মাথার চুলই যে কেবল উঠে যাবে, এমন নয়। এর পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অংশের চুলও উঠে যেতে পারে।

🩸 জয়েন্ট ব্যথা: কবজি, কনুই, হাঁটুর মতো বড় বড় জয়েন্টে হঠাৎই ব্যথা শুরু হলে অবশ্যই প্রতিটি মানুষকে হতে হবে সতর্ক। এই রোগটির পিছনে থাকতে পারে ক্ল্যামেডিয়া। এছাড়া জয়েন্টের সেপটিক ইনফেকশনের কারণেও দেখা দিতে পারে সমস্যা। আবার গনোরিয়ার ক্ষেত্রে জয়েন্ট লাল হয়ে যাওয়া, জায়গাটা গরম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

🩸 অ্যানাল লাম্পস: অনেকসময় পায়ুদ্বার ফুলে যেতে থাকে। এই সমস্যাকে অনেকে পাইলস ভেবে নেন। যদিও এর পিছনে থাকতে পারে এসটিআই ( STI )। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে আর অপেক্ষা নয়। বরং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?
  • 🩸 অঙ্গ, রক্ত ও শুচ দেওয়ার সময় এতে কোনো রকম রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
  • 🩸 কোনো রকম যৌন রোগের লক্ষণ দেখা দিলেই হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করা।
  • 🩸 যৌন রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
  • 🩸 অপরের ব্যবহার করা ব্রাস, ব্লেড, ইত্যাদি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • 🩸 HIV সংক্রামক মহিলাদের গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকা।
  • 🩸 যৌন রোগ প্রতিরোধের উপায়সমূহ অবলম্বন করা।
  • 🩸 আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা শরীরের কোনো তরল পদার্থ ঘর বা অন্য কোথাও পড়লে 01 ভাগ ব্লিচের সাথে 11। ভাগ পানি মিশিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • 🩸 কাটা বা ক্ষত স্থানে ব্লিচ লাগনো যাবে না।

⭕ যৌনবাহিত সংক্রমণ (STIs) কী? এর লক্ষণ কী?

  • 🩸রোগীর যৌন সাথীদের চিকিৎসা নিতে হবে। সামাজিকভাবে যাতে হেয় না হয় সেজন্য তথ্য গোপন রাখতে হবে।
  • 🩸 মানুষের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা বৃদ্ধি করতে হবে। মসজিদ, মন্দির গীর্জাও এক্ষেত্রে বিশেষে ভূমিকা রাখতে পারে।

⭕ পরিশেষে বলা যায় যে, যৌনবাহিত রোগ নারী-পুরুষের যৌন মিলনের ফলে সৃষ্ট রোগ। যৌন সংযম এবং নিরাপদ যৌন মিলনের ফলে আমরা এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি। যে সকল কারণে যৌন রোগ ছড়ায় সে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা খুব সহজে মারাত্মক যৌনরোগ থেকে নিজেরদের রক্ষা করতে পারি।

🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মাসুদ হোসেন

⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।

আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203

⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।

⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।

⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।

🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:

   +8801907-583252

   +8801973-962203

   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!