মহিলারা যৌন মিলন করলে কি কি উপকার হয়? ডাঃ মাসুদ হোসেন।

মহিলারা যৌন মিলন করলে কি কি উপকার হয়? ডাঃ মাসুদ হোসেন।

🇨🇭 ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শারীরিক মিলন৷ আবার এটি শারীরিক প্রয়োজনীয়তার এক প্রকার বহি:প্রকাশও বটে। কিন্তু শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে। যৌন মিলনের ফলে অনেক উপকারই পাওয়া যায়। জেনে নিন যৌন মিলনের ফলে কি কি উপকার পাওয়া যায়।

❤ যে নারীরা প্রায়ই যৌন মিলন করেন তাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আর্কাইভ অফ সেক্সুয়াল বিহেভিওর এর এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা যতবেশি যৌন মিলন করেন ততই তারা কোনো শব্দ মুখস্থ করার ক্ষেত্রে পারদর্শী হন। তাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়।

❤ নিয়মিত যৌন মিলন রক্তচাপ ঠিক রাখার জন্য ভালো। সাথে সাথে এটি দুশ্চিন্তা রোধ করতেও সমান কার্যকরী।

❤ ভালো যৌন স্বাস্থ্য মানে উন্নত শারীরিক স্বাস্থ্য। সপ্তাহে একবার কিংবা দুবার নিয়মিত যৌন মিলনে শরীরে IGA অ্যান্টিবডির স্তর বৃদ্ধি করে, যা আপনার বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

❤ 30 মিনিটের শারীরিক মিলনে 85 ক্যালরি পর্যন্ত দহন করতে পারে। এরকম 42 বার মিলনে মোট 3570 ক্যালরি দহন করতে সমর্থ, যা 01 পাউন্ড ওজন কমানোর জন্য যথেষ্ট। সুতরাং ওজন কমানোর জন্য যৌন মিলন খুবই উপকারী।

যৌনতা- Sex, যে ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করে মস্তিষ্কে?

❤ নিয়মিত যৌন মিলন আপনার আয়ু বাড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷

❤ শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ অর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হরমোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হরমোন নি:সৃত হয় ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিস এর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷

❤ মানসিক শান্তি আনার ক্ষেত্রে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবচেয়ে ভালো৷ কারণ নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে মন উৎফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷

❤ ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শারীরিক মিলন ৷ আবার এটি শারীরিক প্রয়োজনীয়তার এক প্রকার বহি:প্রকাশও বটে। শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে । শারীরিক মিলন বা যৌন মিলনের ফলে 27 টি বা অধিক উপকারী দিক আছে ।

❤ গবেষনার বলা হয় 3 ( তিন ) থেকে 7 ( সাত ) মিনেটের যৌনমিলন মোটের উপর “পর্যাপ্ত” কিন্তু 3 মিনেটের কম সময় “খুব কম সময়” এবং 15 মিনিটের বেশি সময় মিলন “লম্বা সময়”।

❤ গবেষনায় পাওয়া তথ্য মতে – যৌনবিষয়ে সঠিক শিক্ষা, অঞ্চল, চামড়ার রঙ এবং শাররীক আকারের পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে যৌনমিলনে সময়-ব্যপ্তির তারতম্য দেখা যায়। বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার সহ ( বাদামী চামড়ার – মধ্যম আকারের মানুষ ) এতদ অঞ্চলের দম্পতীদের মিলনকালের ( পেনিট্রেটিভ সেক্স ) গড় সময় 6/7 মিনিট কে “পর্যাপ্ত” বলা হয়েছে। এর সাথে উল্লেখ্য – এ অঞ্চলের নারীরা অজ্ঞতা এবং সঙ্গী খারাপ মনে করবে এই ধারনা থেকে মিলনকালে সক্রিয় না থাকার কারনে পশ্চিমা বিশ্বের তুলনায় অনেক কম হারে পুর্ন-কাম-তৃপ্তি অর্জন করে থাকেন।

❤ মিলনকালে মাত্র শতকরা 17 ভাগ নারী পুর্ন তৃপ্তি ( উন্নত বিশ্বে একযুগ আগে তা ছিল 25%, যা বর্তমানে 45% এ এসে দাড়িয়েঁছে ) প্রাপ্ত হন। তাই মিলন-পুর্ব-সিঙার ( ফোর-প্লে ) এর জন্য বেশি সময় ব্যয় করুন।

Female Orgasm আসলে কী ? কেন অর্গ্যাজম দরকার?

❤ যৌন মিলনে নর নারীর উপকারী দিকগুলিঃ

🧪 জীবন কাল বাড়ে: নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷

🧪 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায়: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয় ৷ নিয়মিত যৌনমিলন শরীরে IgA অ্যান্টিবডির সংখ্যা বাড়িয়ে তোলে। যা রোগ প্রতিরোধে অপরিহার্য্য।

🧪 ভালো ব্যায়াম: শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷

আরো পড়ুনঃ  Love সেক্স করলে 40 আপ মহিলাদের দ্রুত অর্গ্যাজম হয়?

🧪 ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়: বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷

🧪 পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয়: যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷

🧪 মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি: মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷

🧪 ভালোবাসা বাড়ে: শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷

🧪 কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে: শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নি:সরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

🧪 ভালো ঘুম হয়: শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷

🧪 আত্মবিশ্বাস বাড়ে: শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷

🧪 ওজন কমে: শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷

🧪 সৌন্দর্য্য বাড়ে: শারীরিক মিলন কালে হরমোন নি:সরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷

🧪 ভালো ত্বক: শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷

🧪 প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয়: নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷

🧪 হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি: শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷

🧪 কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি: মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷

🧪 বিস্বস্ত তা বাড়ে:স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷

🧪 রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়: শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷

🧪 মূত্রনালীর গ্রন্থির সুরক্ষা: মূত্রনালী থেকে বের হওয়া যেকোনো তরলই গ্রন্থির ময়লা নি:সরণ করে থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত যৌন মিলন এর অভাবে যদি তরল পদার্থটি সঠিকভাবে নিঃসরিত না হতে পারে তবে তা থেকে পুরুষের নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। এই মূত্রনালীর গ্রন্থির সুরক্ষায় প্রতিদিন শারীরিক মিলন অবশ্যই প্রয়োজন।

🧪 প্রজনন ক্রিয়ায় সহায়তা করে: প্রতিদিন যৌন মিলন এ অভ্যস্ত হয়ে ওঠা একজন নারীর প্রজনন ক্রিয়ায় সক্রিয়তা বেশী থাকে। কেননা এটি প্রজনন বিভিন্ন অঙ্গ নির্দিষ্ট শেপে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত যৌন মিলনে প্রজনন ক্ষমতা বাড়ে, মাসিকের নানা সমস্যা দূর হয়।

🧪 ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সেক্স মহৌষধির কাজ করে। নিয়মিত সেক্স করলে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ফলে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আর আপনার ত্বক হয়ে ওঠে আরো বেশি উজ্জ্বল। শুধুমাত্র উজ্জ্বল ত্বক নয়, সেক্স করার ফলে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায় আর আপনার ঠোঁট করে তলে আরও বেশি নরম ও সুন্দর।

🧪 ত্বক পরিষ্কার করে: প্রতিদিন সেক্স করলে আলাদা করে স্কিন পরিষ্কার করার দরকার নেই। বেশীরভাগ সময় সেক্স করার সময় প্রচুর ঘাম হয়। আর এতেই আপনার ত্বক পেয়ে যায় একটা ফ্রি ফেসিয়াল। ঘাম হওয়ার ফলে আপনার স্কিন পোরে জমে থাকা ময়লা বাইরে বেড়িয়ে আসে,যার ফলে নতুন আর মুখ পরিষ্কার করার দরকার হয় না।

https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AF%E0%A7%8C%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AE

🧪 ব্রণ দূর করে: নিয়মিত সেক্স করার ফলে আপনার হরমোন লেভেল কন্ট্রোলে থাকে। যার ফলে মুখে ব্রণ আসে না। আআপনি পাবেন পরিষ্কার উজ্জ্বল ত্বক আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল।

🧪 বলিরেখা দূর করে: বয়সের চাপ সবার প্রথমে মুখের চামড়ায় পড়ে। তাই যদি ইয়াং থাকতে চান তা হলে রোজ সেক্স করা কিন্তু মাস্ট। সেক্স করার সময় আপনার শরীরে কোলাজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর এই কারণে মুখের চামড়া থাকে টানটান। তাই সহজে মুখে বলিরেখা পড়ে না।

🧪 ত্বক রাখে কোমল ও নরম: মহিলাদের মেনোপোজ হওয়ার পর স্কিন ক্রমশ ড্রাই হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুখের চামড়া সব থেকে শুষ্ক লাগে। অনেকেই ভাবেন মেনোপোজ হয়ে গেলে সেক্স চাহিদা কমে যায়। এই ধারনা পুরোটাই ভুল। বরঞ্চ ডাক্তাররা এই সময়তেও নিয়মিত সেক্স করতে বলেন কারণ এর ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা আপনাত ত্বককে করে তুলবে আরো বেশি কোমল ও নরম।

🧪 যৌন মিলন কোমরের মাংস পেশিকে শক্তি যোগায়: গর্ভবতী থাকার সময় যদি রোজ শারীরিক মিলন ঘটে তাহলে কোমরের মাংস পেশিকে শক্তি যোগায়৷ এই সময় ডাক্তাররা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন৷ যৌন মিলন এমন একটি ভাল ব্যায়াম যা হাড় এবং মাংস পেশিকে মজবুত করে ।

🧪 গর্ভবতীর রোগব্যাধি কম হয়: যৌন মিলন শরীরকে রোগব্যাধি আক্রমণ করার ক্ষমতা বাড়ায় গর্ভবতী থাকার সময় শরীর রোগব্যধি আক্রমণ করার ক্ষমতা খুবই কম থাকে৷ তাই পুষ্টিকর খাওয়া দাওয়া করার পাশাপাশি যৌন মিলন শরীরে রোগব্যধি আক্রমণ করার ক্ষমতা বাড়ায়৷ কারণ শারীরিক মিলন রক্তে এলজিএ অ্যান্টিবডিজ এর পরিমান বৃদ্ধি করে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে ।

❤ সেক্সের উপকারিতা:
সারাদিনের ব্যস্ততার পর কিছুক্ষণের একান্ত সময় বের করে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হওয়া। আদরের চরমতম মুহূর্তে নিবিড় করে চিনে নেওয়া পরস্পরকে। শারীরিক ঘনিষ্ঠতার তুঙ্গ মুহূর্তে বুঝে নেওয়া পরস্পরের মনের গোপনতম খবরটাও। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে যৌনতা শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়! বরং যৌনতার কিছু সুবিধে রয়েছে যা স্বাস্থ্যের দিকটাও খেয়াল রাখে! গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব দম্পতি যৌনজীবনে সুখী এবং নিয়মিত যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন, তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে অন্যান্যদের চেয়ে বেশি সুস্থ থাকেন! সাধারণ বেশ কিছু রোগভোগও দূরে থাকে তাঁদের থেকে! অবাক হলেন? তা হলে পড়তে থাকুন!

❤ দূরে থাক রোগভোগ:
সর্দিকাশি, জ্বরজারি মাঝেমাঝেই ভোগায় আপনাকে? এ সব রোগ ঘন ঘন হওয়া মানে কিন্তু আপনার শরীরের ইমিউনিটি অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমন জোরালো নয়। জানেন কি, এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে তুলতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে নিয়মিত যৌন সম্পর্ক। গবেষকেরা জানাচ্ছেন সপ্তাহে একবার অথবা দু’বার যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন যাঁরা, তাঁদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। অ্যান্টিবডিই হল আমাদের শরীরের প্রথম প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সাধারণ রোগবহনকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুকে আমাদের শরীরে বাসা বাঁধতে দেয় না অ্যান্টিবডি। তাই পরেরবার সর্দিকাশি হলে মুড়িমুড়কির মতো ভিটামিন সি আর রসুনের গুলি না খেেয় বরং বিছানায় ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত তৈরি করুন! যৌনজীবন রঙিন হয়ে উঠবে, জ্বরজারিও আর কাছে ঘেঁষতে পারবে না!

❤ হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে:
ডাক্তারেরা বলেন, দিনে 20 মিনিট হাঁটলে যে ফল হয়, এক একটা সেক্স সেশন থেকেও সেই একই ফল পাওয়া যায়। কার্ডিও এক্সারসাইজ় করার সময় শারীরিক পরিশ্রম অনেক বেশি হয়। সেক্সে ততটা পরিশ্রম মোটেও হয় না, কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গেছে সেক্সের সময় অ্যাকটিভ পার্টনারের হৃদস্পন্দনের গতি মিনিটে 120 বিট পর্যন্ত বেড়ে যায়। যে কোনও হালকা ব্যায়ামের সময়ও হৃদস্পন্দনের গতি এরকমই থাকে। কাজেই সেক্সকে আমরা হালকা ব্যায়ামের সঙ্গে তুলনা করতেই পারি, আর ব্যায়ামের যা যা সুফল সব কিছুই আপনাকে দিতে পারে শারীিরক ঘনিষ্ঠতা। বাড়তি পাওনা মানসিক তৃপ্তি! কী ভাবছেন, এর পরেও মোটিভেশন দরকার আপনার?

❤ ঝলমলে ত্বকের চাবিকাঠি নিয়মিত যৌন সম্পর্কে যাঁরা লিপ্ত হন, তাঁদের ত্বক অনেক বেশি ঝলমলে, তারুণ্যে ভরপুর হয়। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা শরীরের রক্ত সংবহন বাড়িয়ে তোলে, ফলে ত্বকে অক্সিজেন পৌঁছোয় বেশি। এর ফলে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে টক্সিনও বেরিয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ত্বক অনেক বেশি ঝকঝকে, জেল্লাদার দেখায়। শুধু তাই নয়, বয়সের কাঁটা উলটোদিকে ঘোরাতেও অব্যর্থ হাতিয়ার সেক্স। কারণ নিয়মিত যৌনতা ত্বকে কোলাজেন তৈরির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে দূরে থাকে বয়সজনিত দাগছোপ, বলিরেখা বা ত্বকের শিথিলতা। যাঁরা নিয়মিত সেক্স করেন তাঁদের শরীরে ইস্ট্রোজেন আর টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণ বেশি হয়। ইস্ট্রোজেন ত্বকের টানটানভাব, উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে, অন্যদিকে পেশির সক্ষমতা, হাড়ের স্বাস্থ্যের দেখভাল করে টেস্টোস্টেরন, যার অবশ্যম্ভাবী ফলশ্রুতি তারুণ্যে ভরা ত্বক আর স্বাস্থ্যের দীপ্তিতে ঝলমলে, সুঠাম চেহারা। বয়স কম দেখাতে তো বাধ্য, তাই না?

❤ ব্যথাযন্ত্রণা থেকে মুক্তি:
খামোকা পেনকিলার খেয়ে শরীরের বারোটা বাজাবেন না, বরং ভরসা রাখুন আদরে। গবেষণা বলছে, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা, স্পর্শ, ফোরপ্লে এবং ইন্টারকোর্সের মাধ্যমে শরীরে যে সব কেমিক্যাল তৈরি হয়, তা ব্যথাযন্ত্রণার বোধকে দূরে রাখে। ঋতুস্রাবের আগে পেটের ক্র্যাম্প, মাইগ্রেন, ক্লাস্টার হেেডক, টেনশনজনিত মাথাব্যথার মতো একগুচ্ছ অসুস্থতা থেকে আপনি মুক্তি পেতে পারেন খুব সহজেই। ইন্টারকোর্সের সময় অর্গ্যাজ়ম হলে শরীরে ডোপামাইন, সেরোটোনিন, এনডরফিনের মতো হরমোন ক্ষরিত হয়। এ সব হরমোন রক্তে মিশে ব্যথার বোধ কমিয়ে দেয় এবং আনন্দের বোধ জাগ্রত করে তোেল। এই কারণেই যৌন সম্পর্কের পর শরীর আর মন, দুইই ঝরঝরে লাগে।

❤ গাঢ় ঘুমের সন্ধানে:
মুঠো মুঠো ঘুমের বড়ি না খেয়ে পরেরবার ঘুমোতে যাওয়ার আগে একটু শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে দেখুন তো! দেখবেন ঘুম আসবে সহজেই। সেক্সের পর রক্তে অক্সিটোসিনের মাত্রা বাড়ে আর কর্টিসলের পরিমাণ কমে যায়। অক্সিটোসিন হরমোনের প্রভাবে আপনার মনে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। অন্যদিকে কর্টিসল হল স্ট্রেস হরমোন, তাই কর্টিসল কমে যাওয়ায় মন চাপমুক্ত, ফুরফুের হয়ে ওঠে, একটা সার্বিক ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি হয়। শরীর আর মন, দুইই শান্ত হওয়ার কারণে ঘুম আসে তাড়াতাড়ি। তাই ঘুমের বড়িকে জীবন থেকে একেবারে বাদ দিয়ে দিন, বদলে উষ্ণতা নিয়ে আসুন বিছানায়। শরীর তো ভালো থাকবেই, পাশাপাশি আপনাদের মানসির ঘনিষ্ঠতাও বাড়বে, দাম্পত্যজীবন হয়ে উঠবে সুখী, আনন্দময়!

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এন্ড প্রাইভেট প্র্যাক্টিশনার। ( রেজি: নং- 35423 )

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। হোমিও গবেষক / হোমিও বিশেষজ্ঞ চট্টগ্রাম।

ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!