⭕ গনেরিয়া- Gonorrhoea বা প্রমেহ একটি যৌনবাহিত রোগ। এটি ( নিসেরিয়া গনোরি ) নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনে সৃষ্ট রোগ। এ রোগের ক্ষেত্রে রক্তের সাথে জীবানুর সংস্পর্শ তেমন থাকে না। এটি বংশানুসারে সংক্রমিত হয় না। অবাধ যৌন মিলনের ফলে নারী বা পুরুষের যৌনাঙ্গে এ রোগের জীবানু ক্ষত সৃষ্টি করে থাকে। যৌন মিলনের ফলে এক দেহ হতে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়। এটি নারীর জনন নালী ( জরায়ু, সারভিক্স, ফেলোপিয়ান নালীসহ ) এবং নারী ও পুরুষের ইউরেথ্রেরার মিউকাস ঝিল্লি, মুখ গহবর গলা, চোখ ও পায়ুপথ সহ যে কোন পথেই ছড়াতে পারে। এটি গর্ভকালীন জটিলতা সহ নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব করতে পারে।
⭕ গনেরিয়া- Gonorrhoea রোগ আবিস্কার : নিসেরিয়া নামক এক চিকিৎসা বিজ্ঞানী 1879 সালে এ রোগের জীবানুটি আবিস্কার করেন। 15 থেকে 30 বছরের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি বেশী থাকে।
⭕ সুপ্তিকাল: এ রোগের সুপ্তিকাল 02 থেকে 14 দিন। তবে 04 থেকে 06 দিনের মধ্যেই লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে শুরু করে। রোগের প্রাথমিক আক্রমণ স্থান পুরষের ক্ষেত্রে মুত্র পথের সম্মুখ অংশে জীবানু সংক্রমণ শুরু করে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে তা প্রোস্টেট গ্রন্থি এমনকি মুত্রথলি বা শুক্রাশয় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
⭕ Gonorrhoea সংক্রমণের উপায়: এ রোগে অল্প বয়সের মেয়ে এবং শিশুরাও আক্রান্ত হতে পারে। বাচ্চারা সংক্রমিত বিছানার চাদর, তোয়ালে থেকে রোগটি অর্জন করতে পারে। ঘনবসতি এবং অপরিচ্ছন্নতা থেকেও বাচ্চাদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর ও আক্রান্ত মাতৃদেহ হতে সংক্রমিত হতে পারে। যৌন মিলনের সময় আক্রান্ত দেহের বহিযৌনাঙ্গ, মুখ ও পায়ু থেকে সংক্রমণ ঘটে।
⭕ গনোরিয়ার উপসর্গ: গনোরিয়া আক্রান্ত রোগীর দেহে তেমন স্পষ্ট বাহ্যিক লক্ষণ প্রকাশ পায় না বলে এটি ব্যাপক বিস্তৃত যৌনবাহিত রোগ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। নারী ও পুরুষের উপসর্গাদি লক্ষ্য করা যায়।

🛑 পুরুষের ক্ষেত্রে:
- 🩸 প্র¯্রাবের সময় জ্বালাপোড়া অনুভুত হয়।
- 🩸 লিঙ্গের অগ্রভাগে লালচে ভাব থাকে।
- 🩸 লিঙ্গপথে পুঁজ নি:সৃত হয়।
- 🩸 স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিবার মুত্রত্যাগের ইচ্ছা।
- 🩸 শুক্রাশয় ও অন্ডকোষে ব্যথা অনুভব হয়।
- 🩸 এ রোগে পুরুষাঙ্গ বা গায়ে ক্ষত বা ঘা লক্ষ্য করা যায় না।
- 🩸মুত্রনালী পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে প্র¯্রাব বের হয়ে আসতে পারে না। ফলে কিডনীতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- 🩸 অন্ডকোষ ফুলে আপেলের মতো বড় হতে পারে।
- 🩸 সমকামীর পায়ুপথে মিলন করলে পায়ুপথে সংক্রমন হতে পারে। ফলে পায়ুপথে তীব্র ব্যথা ও পুঁজ নি:সৃত হতে থাকে।
- 🩸 মুখ মৈথুনে অভ্যস্তদের মুখে সংক্রমণ তথা ঘা সৃষ্টি হয় এবং গলা ব্যথা হয়।
- 🩸 দীর্ঘদিনের সংক্রমণের ফলে অস্থিসন্ধি প্রদাহ, মস্তিস্কের প্রদাহ, ত্বকে ক্ষত, সেপটিসেমিয়া এমনকি হৃৎপিন্ডের ক্ষতি হতে পারে।
🛑 স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে:
- 🩸 তলপেটে ব্যথা অনুভূত হয়।
দুই রজ:চক্রের মধ্যবর্তী সময়ে প্রচুর যোনি¯্রাবসহ রক্তপাত হয়।
অনিয়মিত রজ:চক্র। - 🩸 জ্বর ও গায়ে ফুসকুঁড়ি।
- 🩸 কষ্টদায়ক যৌন মিলন।
- 🩸 কষ্টকর মুত্রত্যাগ।
- 🩸 যৌনাঙ্গ ফুলে যাওয়া ও যোনির ওষ্টে লালসহ দগদগে ঘা হয়।
- 🩸 যৌনিপথে অস্বাভাবিক রস ( সাদা, সবুজ বা হলুদ ) নি:সরণ হয়।
- 🩸 বার্থোলিন গ্রন্থির প্রদাহ হয়।
- 🩸 ডিম্বাবাহী নালীতে প্রদাহ হয়।
- 🩸 পায়ুপথে সংগম থেকে বা নিজের সংক্রমিত যৌনি থেকে মলদ্বারে সংক্রমন হতে পারে।
- 🩸 গনোরিয়ায় আক্রান্ত নারী ও পুরুষের উভয়ের দেহে মলাশয় থেকে ¯্রাব, মলদ্বারে চুলকানী, ক্ষত, রক্তপাত, মলত্যাগ প্রচন্ড ব্যথা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়।
- 🩸 তাছাড়াও গলবিল সংক্রমিত হলে গলাভাঙ্গার উদ্ভব ঘটে।
আরো পড়ুনঃ সেক্স/ যৌনসঙ্গম নিয়ে কিছু ভুল ধারণা!
🛑 গনোরিয়ার জটিলতা: গনোরিয়ার জীবানু মহিলার জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্বাবাহী নালীতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে এবং আক্রান্ত মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে। গর্ভাবস্থায় আক্রান্ত হলে মহিলার যোনি হতে বাচ্চার চোখে আক্রান্ত হতে পারে। বাচ্চার উপযুক্ত চিকিৎসা না করালে চোখে প্রদাহ এমনকি অন্ধত্ব ও হতে পারে। শুক্রনালী বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং অন্ডকোষ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে যৌনরসে শুক্রানু না থাকাতে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে।

⭕ প্রতিকার ও চিকিৎসা: সামান্য সতর্কতা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্বন্ধে জ্ঞান রাখলে গনোরিয়ার মত মারাত্মক যৌনবাহিত রোগ থেকে নিজেকে ও ভবিষ্যত বংশধরকে নিরাপত্তা দেওয়া খুব সহজ।
⭕ এ জন্য অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক দিয়ে দ্রæত চিকিৎসার ব্যবস্থা করাতে হবে।
যৌনসংগী নির্বাচনে অবশ্যই সতর্ক ও নিশ্চিত থাকতে হবে।
রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যৌন মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
⭕ হোমিওপ্যাথি মতে উপসর্গ অনুসারে গ্রহন করনে একেবারেই রোগ প্রতিরোধ হওয়া যায়। পুনরায় আর ফিরে আসে না, তাই একজন হোমিও চিকিৎসকের নিকট চিকিৎসা গ্রহন করলে রোগটি হতে উপশম পাওয়া সম্ভব।
⭕ পরামর্শ: ঔষধ গ্রহনের 02 সপ্তাহ পরে ( VDRL- ভিডিআরএল ) পরীক্ষা করতে হবে। আবার 04 সপ্তাহ পরে উক্ত পরীক্ষা করে আরোগ্যর ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে।
🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।
🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।
🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801973-962203
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।





