🇨🇭 মানসিক রোগ এমনই একটি রোগ যে রোগে জীবনের কোন না কোন সময়ে আমরা যে কেউ আক্রান্ত হতে পারি। তাই বিভিন্ন মানসিক রোগ সর্ম্পকে আমদের প্রত্যেকেরই ধারণা ও সচেতন থাকা উচিত।
🇨🇭 মানসিক রোগ মূলত দুই প্রকার হয়ে থাকে:
- নিউরোসিস এবং
- সাইকোসিস।
🇨🇭 নিউরোসিস রোগটি মৃদু ধরনের মানসিক রোগ যেখানে আক্রান্ত রোগীর আচার-আচরণ বা ব্যবহারে তেমন কোন পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। এই জাতীয় রোগে রোগী নিজে ভূগতে থাকে ও কষ্ট পেতে থাকে এবং মানসিক রোগ সম্পর্কে অসচেতনতার কারণে অনেক রোগীই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান না। আর সাইকোসিস হচ্ছে জটিল এক ধরনের মানসিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর আচার-আচরণ বা ব্যবহারে ব্যপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কুসংস্কার এবং মানসিক রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে এক্ষেত্রেও অধিকাংশ রোগীর অভিভাবক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান না। এরা একে জ্বিনের আছর, পরী ধরা, ভূতে ধরা,খারাপ বাতাস লাগা প্রভৃতি মনে করে পানি পড়া, তাবিজ-কবজ, ঝাড়-ফুঁক ইত্যাদির জন্য পীর, ফকির, দরবেশের কাছে ছুঁটে যান। এতে করে রোগীর তো কোন উপকার হয়ই না বরং বিভিন্ন অপচিকিৎসায় রোগীর অবস্থা আরো জটিল আকার ধারণ করে।
🇨🇭 মানসিক / মনোরোগ এর হোমিও চিকিৎসা।
🇨🇭 বিভিন্ন নিউরোসিস মানসিক রোগের মধ্যে রয়েছে:
⭕ টেনশন বা উদ্বেগ আধিক্য রোগ:
মানুষ মাত্রই উদ্বেগে থাকে। কিন্তু উদ্বেগের স্বাভাবিক মাত্রা যখন অতিক্রম করে তখনই এ রোগ হয়। এ রোগে আক্রান্ত রোগী একটা অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করে এবং কাজে কর্মে মন বসাতে পারে না।
🇨🇭 অবসেশন বা শুচিবায়ু রোগ: এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি একই কাজ বার বার করে। যেমন: হাত ধোয়া, ঘরের তালা লাগানো ঠিক মতো হলো কিনা সেটা বার বার চেক করা, একটা চিন্তা মাথায় ঢুকলে সে চিন্তাই বার বার করা। বার বার একই কাজ করতে রোগী নিজেকে বাধা দিতে চায়। কিন্তু সক্ষম হতে পারে না।
⭕ হিস্টিরিয়া: সাধারণত মহিলারা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। দুশ্চিন্তাই এ রোগের মূল কারণ। রোগী যখন তার দুশ্চিন্তার কথা মুখে প্রকাশ করতে পারে না তখন শারীরিক বা মানসিক বিভিন্ন উপসর্গের মাধ্যমে এ রোগ প্রকাশ পায়।
⭕ ফোবিয়া বা অহেতুক ভীতি রোগ: অহেতুক ভীতি বা ফোবিয়া হল যেখানে যতটুকু ভয় পাওয়ার প্রয়োজন সেটা অপেক্ষা বেশি ভীত হয়ে পড়া। উদাহরণ স্বরুপ এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বিশেষ করে কেউ মারা গেছে শুনলে, বেতার, টিভিতে না পত্রিকায় খুন জখমের কথা শুনলে অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়ে।

🇨🇭 বিভিন্ন সাইকোসিস রোগের মধ্যে রয়েছে:
⭕ ডিপ্রেসন বা বিষণ্ণতা রোগ: বিষণ্ণতাবোধ এবং বিষণ্ণতা রোগ দুটি আলাদা জিনিস, সত্যিকার বিষণ্ণতা রোগে মন খারাপ ভাব দীর্ঘমেয়াদী ভাবে থাকবে যা রোগী ইচ্ছা শক্তি দিয়েও দূর করতে পারে না এবং তার কাজ-কর্মে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। যেমন: দীর্ঘমেয়াদী অশান্তি বোধ, আনন্দদায়ক কাজে আনন্দ না পাওয়া, আত্নহত্যার চিন্তা করা প্রভৃতি।
⭕ সিজোফ্রেনিয়া: সিজোফ্রেনিয়া মানসিক ব্যাধিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জটিল ব্যাধি। এ রোগের বৈশিষ্টের মধ্যে রয়েছে পরিবেশের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা অসংলগ্ন এলোমেলো ও হেঁয়ালি পূর্ণ কথাবার্তা বলে, কানে গায়েবী আওয়াজ শোনা ইত্যাদি।
🇨🇭 মানসিক / মনোরোগ এর হোমিও চিকিৎসা।
⭕ ম্যানিয়া: এক্ষেত্রে রোগী তার নিজের অবস্থান বুঝতে পারেনা। নিজেকে অতিরিক্ত সুখী, ধনী কিংবা ক্ষমতাধর ব্যক্তি ভাবে। খুব আশাবাদী হয়ে থাকে, বাস্তবতা বিরোধী কাজ করে।
⭕ শিশু-কিশোরদের মানসিক রোগ: আমরা অনেকেই জানি না যে, শিশু-কিশোরদের মানসিক রোগ হতে পারে। কিন্তু সত্য এই যে, শিশু জন্মের তিন বছর পর থেকে তারা মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। শিশু-কিশোরদের মানসিক রোগের মধ্যে রয়েছে বিছানায় মলমূত্র ত্যাগ, স্কুল পালানো, খাদ্যগত সমস্যা, ওটিসম ( এটি 3 বছরের পূর্বে দেখা দেয় ) আচরণগত সমস্যা, চঞ্চলতা রোগ। অন্যান্য মানসিক রোগের মধ্যে আছে মাদকাশক্তি, মৃগীরোগ জনিত মানসিক রোগ, মানসিক প্রতিবন্ধী প্রভৃতি।
🇨🇭 মানসিক রোগ এক নীরব ঘাতক ব্যাধি তাই এই রোগ সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত এবং সচেতন হওয়া উচিত। এজন্য দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্মূল্যায়ন করুন, দিন যাপনের সময় লক্ষ করুন কী কারণে মনে চাপ পড়ে। চাপযুক্ত পরিবেশে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলালে অনেক সময় বিপদকে ভয় পাবেন না, মন থাকবে শান্ত একে মোকাবিলার জন্য। এভাবে মনের চাপ থাকবে দখলে। মন থাকবে সুস্থ। আর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় অযথা উদ্বেগ না হয়ে চিকিৎসকের নিকট পরামর্শ গ্রহন করুন এবং অব্যাহত ও সমন্বিত সেবা নিয়ে মানসিক অসুস্থতাকে মোকাবিলা করুন।

⭕ ভয় পেরিয়ে সুস্থ জীবনে
পোস্ট-ট্রম্যাটিক স্ট্রেস ডিজ়অর্ডারে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি!
⭕ কোনও ( ট্রম্যাটিক ) পরিস্থিতিতে যে কোনও ব্যক্তিরই ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ভয় মানুষের মধ্যে ক্ষণিকের পরিবর্তন আনে ওই ভীতিজনক পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে কিংবা সেটাকে এড়াতে। এই প্রতিক্রিয়াকে বলা হয় ( ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স )। কোনও ট্রমা-র পরে প্রায় প্রত্যেক মানুষই নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন, যা কিছু দিন পরে কেটে যায়। ভুলে না গেলেও, ওই ঘটনা থেকে উদ্ভূত আতঙ্কটা থাকে না। কিন্তু যাঁদের সেটা থাকে, তাঁদের মধ্যে যে সব মানুষের এই আতঙ্ক চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় এবং তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটাতে শুরু করে, তাঁদের ক্ষেত্রে পোস্ট ট্রম্যাটিক স্ট্রেস ডিজ়অর্ডার ( PTSD ) হওয়ার সম্ভাবনা খেয়াল রাখতে হবে। কোনও ভীতিজনক পরিস্থিতি না থাকলেও, আপাত দৃষ্টিতে সাধারণ পিটিএসডি-র শিকার ব্যক্তিরা স্ট্রেসড হয়ে পড়েন বা ভয় পেয়ে যান।
আরো পড়ুনঃ পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার কি এবং এর হোমিও প্রতিবিধান।
⭕ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কোনও গুরুতর দুর্ঘটনা, সন্ত্রাসবাদী হামলা, যুদ্ধ, যৌন নির্যাতনের মতো বিভিন্ন কারণে হতে পারে এই সমস্যা। অনেক সময়ে প্রিয়জনের আকস্মিক বিয়োগের কারণেও লোকে পিটিএসডি-তে ভুগতে পারেন। তা ছাড়া কোভিডকালেও অনেকে এই সমস্যায় ভুগেছেন। বাড়িতে প্রিয়জনকে শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখছেন, হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেড পাওয়া যাচ্ছে না, চিকিৎসার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হচ্ছে, সাহায্যের জন্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না, এমন পরিস্থিতিতে অনেককে পিটিএসডি-তে ভুগতে দেখা গিয়েছে।
⭕ অপ্রীতিকর ঘটনার বহু দিন পরেও পিটিএসডির শিকার ব্যক্তিরা নানা ধরনের দুর্ভাবনায় ভুগতে থাকেন। দু:স্বপ্নের মাধ্যমে ওই ঘটনাটি তাঁদের মনে ফিরে আসে। মাঝেমধ্যেই তাঁদের দু:খ পেতে, রেগে যেতে কিংবা ভয় পেতে দেখা যায়। সাধারণ মানুষ হয়তো ওই ব্যক্তির এমন আচরণের কারণ না-ও জানতে পারেন। ফলে তাঁদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কেন ওই ব্যক্তি এমন আচরণ করছেন। বৈবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে অনেক সময়েই মেয়েরা নি:শব্দে কষ্টভোগ করেন। এই ট্রমা থেকে তাঁদের পিটিএসডি হতে পারে। পিটিএসডি-র শিকার ব্যক্তিরা কাছের মানুষগুলির থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। জোরে আওয়াজে কিংবা হঠাৎ করে গায়ে হাত দেওয়ার মতো সামান্য ঘটনাতেও তাঁদের তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে দেখা যায়। এই আচরণের নেপথ্যে যে ওই অপ্রীতিকর ঘটনার আতঙ্ক বা ‘ট্রমা’ রয়েছে।
🇨🇭 পিটিএসডি-র লক্ষণ?
⭕ মূলত চার ধরনের লক্ষণ দেখা যায় পিটিএসডি-র ক্ষেত্রে, যা ওই সমস্যার মাত্রার সঙ্গে কম বেশি হতে পারে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার প্রভাব সকলের উপরেই পড়ে। এক মাসের মধ্যে সেটা সাধারণত কেটে যায়। কিন্তু কারও যদি এই ধরনের লক্ষণগুলি এক মাসের বেশি সময় ধরে হতে থাকে এবং সেগুলি তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাপনকে ব্যাহত করে, তা হলে ধরে নেওয়া হয় যে সে ব্যক্তি হয়তো পিটিএসডি-তে ভুগছেন।
🇨🇭 মানসিক / মনোরোগ এর হোমিও চিকিৎসা।
⭕ এক- রিএক্সপিরিয়েন্সিং সিম্পটম। বারে বারে ওই ঘটনার কথা মনে ফিরে আসে। মনে হয় যেন চোখের সামনেই ঘটনাটি ঘটছে। আর তা হলেই হাত পা ঘামতে থাকে, মুখ শুকিয়ে যায়, হৃদ্স্পন্দন বেড়ে যায়। কোনও শব্দ, কথা, বস্তু বা পরিস্থিতি, যা ওই ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবে যুক্ত, তা ওই ব্যক্তির মধ্যে এই লক্ষণ চাগিয়ে দিতে পারে। যেমন: যিনি পাহাড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন, তিনি হয়তো কোনও ছবিতে পাহাড়ি রাস্তায় তীব্র গতিতে গাড়ি চলা দেখে আতঙ্কিত হতে পারেন।
⭕ দুই- অ্যাভয়েডেন্স সিম্পটম। যে জিনিসগুলি অপ্রীতিকর ঘটনাটির কথা মনে করিয়ে দিতে পারে, তা কোনও ভাবে ব্যক্তির সামনে চলে এলে এই লক্ষণ দেখা যায়। তার ফলে সেই সব জিনিস থেকে যেনতেনপ্রকারেণ দূরে থাকার চেষ্টা করেন তিনি। যেমন: কারও যদি গুরুতর পথ দুর্ঘটনা হয়ে থাকে, তা হলে তিনি হয়তো গাড়ি চালাতে জানলেও আর গাড়ি চালাতে চান না কিংবা তাতে উঠতেও ভয় পেতে থাকেন।
⭕ তিন- অ্যরাউজ়াল অ্যান্ড রিঅ্যাক্টিভিটি সিম্পটম। “এই লক্ষণ সাধারণত ধারাবাহিক ভাবে হতে পারে। এ ক্ষত্রে ব্যক্তিরা হঠাৎ হঠাৎ চমকে যান, সন্ত্রস্ত থাকেন, ঘুমের অসুবিধে হয়, আকস্মিক রাগে ফেটে পড়েন। এর ফলে ওই ব্যক্তির শুতে, খেতে, মন:সংযোগ করতে কিংবা সাধারণ কাজকর্মে অসুবিধে হয়।
⭕ চার- কগনিশন অ্যান্ড মুড সিম্পটম। এই লক্ষণে মানুষ ওই অপ্রীতিকর ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি মনে রাখতে পারেন না। বরং বলা যেতে পারে, ওই ট্রমার যন্ত্রণা থেকে নিজেকে বাঁচাতে, তাঁরা সেগুলি মনে রাখতে চান না। অন্য দিকে, নিজের প্রতি এরা ভ্রান্ত ও নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে শুরু করেন। মনে করেন, তাঁর জীবনে কিছুই ভাল হবে না, তিনি-ই খারাপ। নিজেকে সব সময় দোষারোপ করতে থাকেন। যেমন, ‘কেন আমি লোকটার সঙ্গে সিনেমা দেখতে গেলাম, যার ফলে আমাকে নির্যাতিত হতে হল’ কিংবা ‘জোরে গাড়ি চালালাম বলেই দুর্ঘটনাটি ঘটল’। এই মনোভাবের ফলে কোনও আনন্দের পরিস্থিতিতেও তিনি আনন্দিত হওয়ার বদলে নিজেকে গুটিয়ে ফেলেন, সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া নিজের ভাল লাগার জিনিস বা কাজের প্রতিও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
🇨🇭 শিশু বা কিশোরদের ক্ষেত্রে?
শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদেরও এই সব পরিস্থিতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়, যদিও কিছু কিছু লক্ষণ একেবারেই বড়দের মতো হয় না। বিশেষ করে ছ’বছরের নীচের শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে। যেমন, যে শিশুটির হয়তো টয়লেট ট্রেনিং হয়ে গিয়েছিল, সে রাতে বিছানা ভিজিয়ে ফেলতে শুরু করল। কেউ হয়তো কথা বলাই বন্ধ করে দিল। অনেক সময়ে শিশুরা খেলা কিংবা আঁকার মাধ্যমে তাদের ভয়ের ভাবনাগুলি ফুটিয়ে তোলে। আবার কোনও কোনও শিশু এক জন অভিভাবক বা কাছের মানুষকে ভীষণ ভাবে আঁকড়ে ধরে। 13-14 বছরের কিশোর কিশোরীরা যদিও অনেকটা বড়দের মতোই আচরণ করে। অনেকে খুব উদ্ধত, ধ্বংসাত্মক হয়ে ওঠে। ঘটনাটি রোধ না করতে পারার জন্য কেউ কেউ অনুশোচনায় ভুগতে থাকে। কেউ আত্মহত্যাপ্রবণ হয়ে ওঠে বা চায় প্রতিশোধ। যেমন: কোনও ব্যক্তি হয়তো কোনও কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করেছে। কিন্তু তার কোনও সাজা হয়নি। তা হলে ওই কিশোরীর ওই ব্যক্তির প্রতি তীব্র আক্রোশ কিংবা তাকে হত্যা করার চিন্তা মাথায় আসতে পারে।

🇨🇭 মানসিক / মনোরোগ এর হোমিও চিকিৎসা।
🇨🇭 চিকিৎসা:
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং কাউন্সিলররা কার্যকর পদ্ধতির মাধ্যমে সমস্যা নিরাময় করে থাকেন।
⭕ হোমিওপ্যাথিক সমাধান:
✅ মনোরোগ হলে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে যাওয়া সবচেয়ে প্রথম এবং জরুরি পদক্ষেপ। ডাক্তার পরীক্ষা করে সমস্যার মূল কারণ নির্ণয় করতে পারেন এবং তার ভিত্তিতে চিকিৎসা দিতে পারেন।
⭕ মনোরোগ হলে হলে সমস্যা সমাধানে হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় Homeo হোমিও ওষুধ খান।
🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।
🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )
🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
⭕ রোগীর সাথে – মোবাইল ফোনে / WhatsApp / Imo / Telegram – এ কথা বলার সময় সকাল 11.00 থেকে দুপুর 3.00 টা পর্যন্ত।
আমার মোবাইল নাম্বার :
🤳 +880 1907-583252
🤳 +880 1302-743871
🤳 +880 1973-962203
⭕ বিকাল – 5.00 থেকে রাত 10.00 পর্যন্ত আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখি।
⭕ আবার রাত -10.00 টা থেকে রাত- 11.00 পর্যন্ত ফোনে রোগীদের সাথে কথা বলি।
⭕ রাত- 11.00 টা থেকে – সকাল – 11.00 টা পর্যন্ত আমার মোবাইল বন্ধ থাকে।
🇨🇭 আমার এই 3-টি নাম্বার:
+8801907-583252
+8801973-962203
+8801302-743871
( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।
🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।


