যৌনমিলনের পরই মহিলাদের গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব? কেন এমন হয়?

যৌনমিলনের পরই মহিলাদের গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব? কেন এমন হয়?

🇨🇭 শারীরিক মিলন যে সব মহিলাদের কাছে সুখকর হয়, তা নয়! হয়তো সঙ্গমে মিলিত হওয়ার সময় তাঁরা বিষয়টিকে উপভোগ করেন ঠিকই, কিন্তু তার পরের ছবিটা পাল্টে যায়। যৌনমিলনের পর অনেক মহিলাই যোনি এবং ভালভা অঞ্চলে জ্বালা অনুভব করেন।

🇨🇭 আবার অনেকে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়ার সময়ই ব্যথা অনুভব করেন। ফলে, পরবর্তী সময়ে তিনি যৌনমিলনে লিপ্ত হতে দ্বিধা বোধ করেন। আপনার হাতে, পায়ের কোনও অংশ যদি কেটে যায় বা পুড়ে যায় এবং সেটা যদি সারাদিন ধরে জ্বালা করতে থাকে, ব্যথা হতে থাকে তাহলে মোটেই আপনার দিনটা ভাল যাবে না। শরীরে অস্বস্তি হলে কোনওভাবেই ভাল থাকা যায় না। যোনিদেশের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি ব্যতিক্রম নয়।

🇨🇭 যোনিও শরীরের একটি অঙ্গ এবং সেখানে যদি কোনও অসুখ তৈরি হয় বা ওই অংশে যদি আঘাত লাগে, খুব স্বাভাবিক ভাবেই শরীরেও অস্বস্তি তৈরি হয়। কোনও কাজে মন লাগে না, আবার আপনি সহজে কারও সঙ্গে বিষয়টি শেয়ারও করতে পারেন না। কিন্তু যখনই আপনি সঙ্গমে মিলিত হন, তারপরই কেন এমন ঘটনা দেখা দেয়, এটা ভেবে দেখেছেন কোনও দিন? এর নেপথ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি কারণ।

1.এমন অনেক মহিলা রয়েছেন, যাঁরা সঙ্গমে ব্যথা অনুভব করেন। যোনি অঞ্চলে জ্বালাভাব সৃষ্টি হয়। ভালভা ফুলে যায়। এটা হয় রাফ সেক্স করার জন্য। সঠিক সেক্স পজিশন না হওয়ার জন্যও অনেক সময় এই সমস্যা দেখা দেয়। এই ক্ষেত্রে পুরুষদের একটু সংযত হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই সমস্যা যদি সহজে না কমে, তাহলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

যৌনমিলনের পরই মহিলাদের গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব? কেন এমন হয়?

2.যদি আপনার অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, তাহলেও সঙ্গমের সময় আপনি জ্বালাভাবের সমস্যা টের পেতে পারেন। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর সেক্সুয়াল মেডিসিনের মতে, কন্ডোম, শুক্রাণুর মতো জিনিস আপনার গোপনাঙ্গের সঙ্গে মিলিত হলে তার রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এই কারণেও অনেকেই সেক্সের পর ভ্যাজাইনাতে জ্বালাভাব অনুভব করেন। যদিও এই সমস্যা খুবই বিরল। এই ক্ষেত্রে ঠিক কী কারণে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে আপনার গোপনাঙ্গে, তা প্রথমে নির্ণয় করা দরকার।

3.মহিলাদের সমস্যা সবচেয়ে বেড়ে যায় ইস্ট সংক্রমণ হলে। ইস্ট সংক্রমণে আক্রান্ত হলে শুধু যে যৌনমিলনের পর গোপনাঙ্গে অস্বস্তি শুরু হয়, তা নয়। এতে প্রস্রাবের সময়ও জ্বালা তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি শ্বেতস্রাব, র‍্যাশের সমস্যাও দেখা দেয়। ইস্ট হচ্ছে এমন একটি ব্যাকটেরিয়া যা মহিলাদের ভ্যাজাইনাতে প্রথম থেকেই উপস্থিত থাকে। কিন্তু সমস্যা তখন বেড়ে যায় যখন এই ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। এই ক্ষেত্রে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। এছাড়া চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

আরো পড়ুনঃ  মহিলাদের যৌনাঙ্গে চুলকানির হোমিও চিকিৎসা।

4.ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিসও মহিলাদের গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব তৈরির অন্যতম কারণ। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ( CDC )- এর মতে, ( Vagina- যোনিতে )-একটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া বেশি থাকলে এই সমস্যা দেখা দেয়। ইস্ট সংক্রমণের সঙ্গেই তৈরি হয় ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিসের সমস্যা। এতে জ্বালাভাব, চুলকানি, প্রদাহের মতো লক্ষণগুলো দেখা দেয়। তাই সহজে এই রোগ নির্ণয় করা যায় না।

5.যোনিদেশ যদি অত্যধিক শুষ্ক হয় এবং সেই অবস্থায় আপনি যদি যৌনতায় লিপ্ত হন, তাহলে ব্যথা পাওয়াটা খুব স্বাভাবিক। এই ক্ষেত্রে যৌনমিলনও খুব একটা আনন্দ দেয় না। কিন্তু আপনার যোনি অঞ্চল ঠিক কী কারণে অত্যধিক শুষ্ক, তা জানা দরকার। অনেক ক্ষেত্রে মেনোপজ়ের সময় এই সমস্যা দেখা দেয়। আবার ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে গেলেও গোপনাঙ্গের আর্দ্রতা কমে যায়। তাই প্রথমে আপনাকে কারণ খুঁজে বার করতে হবে এবং সেই মতো চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

যৌনমিলনের পরই মহিলাদের গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব? কেন এমন হয়?

6.সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশনস ( STIs ), অনেকে হয়তো এই রোগটির নাম শুনেছেন। এটি হল যৌনবাহিত রোগ। আমেরিকান কলেজ অফ অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনোকোলজি ( ACOG )-র মতে, এই রোগে আক্রান্ত হলে গোপনাঙ্গে জ্বালাভাব, গন্ধ, ভালভা ফুলে যাওয়া এবং সেক্সের পর রক্তপাতের মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই রোগের চিকিৎসা করা দরকার।

7.গর্ভাবস্থায় কিংবা প্রসবের পর অনেক মহিলাই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। নরম্যাল ডেলিভারি হলে এই ঘটনা খুব স্বাভাবিক। এছাড়াও হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণেও অনেক সময় মহিলাদের যৌনাঙ্গে প্রদাহ তৈরি হয়। এতে চিন্তার কোনও কারণ নেই। সঠিক চিকিৎসার মধ্যে থাকলে এই সমস্যা কিছু দিনের মধ্যেই দূর হয়ে যাবে।

🇨🇭 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে মুক্তির উপায়। একজন হোমিও ডাক্তারের/ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। সাইড ইফেক্ট নেই এমন হোমিওপ্যাথি ঔষধ কাজে লাগাবেন। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পরবর্তী ধাপগুলো অর্থাৎ- যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন। হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় হোমিও ওষুধ খান।

🇨🇭 ডাঃ মাসুদ হোসেন।
Dr. Masud Hossain.
( ডি, এইচ, এম, এস ) ঢাকা।
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ( রেজি: নং- 35423 )

🇨🇭 বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। [ নিবন্ধন নং- Gov.Reg. No. 35423 ] রেজিস্ট্রার প্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মাসুদ হোসেন

🇨🇭 আমার এই দুইটি নাম্বার:

   +8801907-583252
   +8801302-743871

( What’sApp- হোয়াটসঅ্যাপ এবং Imo- ইমো ) খোলা আছে, চিকিৎসা নিতে চাইলে আমার এই দুইটি নাম্বার ফোনে সেভ করে সমস্যাগুলো লিখে অথবা অডিও রেকর্ড দিয়ে জানাবেন। আমি ফ্রী হয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🛑 অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

🇨🇭 রোগী দেখার সময়:
🛑 বিকাল 05:00 রাত 10:00 টা পর্যন্ত।

🇨🇭 সতর্কতাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঝুকিপূর্ণ।

☎+8801907-583252 (WhatsApp, IMO)।

☎ +8801302-743871 (WhatsApp, IMO)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার সমস্যা মন খুলে বলুন।
Send via WhatsApp
error: Content is protected !!